Ajker Patrika

এসডিজি বাস্তবায়ন: আগামী চার বছর সরকারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ

• ১৭টি লক্ষ্যের অগ্রগতি প্রত্যাশিত নয়।

• প্রয়োজনীয় অর্থায়ন এবং দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে দ্রুত পদক্ষেপ জরুরি।

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ৫৯
এসডিজি বাস্তবায়ন: আগামী চার বছর সরকারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ
প্রতীকী ছবি

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের সময়সীমা ২০৩০ সাল। হাতে সময় আর মাত্র চার বছর। কিন্তু বৈশ্বিক ও জাতীয় নানা সংকটে ১৭টি লক্ষ্যের অগ্রগতি প্রত্যাশিত নয়। এই পরিস্থিতিতে আগামী চার বছর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়কে কাজে লাগাতে হলে এসডিজি অর্জনে গতি বাড়ানো, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত এবং দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

গতকাল শনিবার চট্টগ্রামে কারিতাস কার্যালয়ে ‘রিজিওনাল পিপলস অ্যাসেম্বলি ২০২৬’ শীর্ষক আঞ্চলিক জনসম্মিলনে এ তাগিদ দেওয়া হয়। ‘গ্লোবাল কল টু অ্যাকশন অ্যাগেইনস্ট পোভার্টি’ ও ‘পিপল রাইজিং টু অ্যান্ড ইনইকুয়ালিটিজ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবং ‘গ্লোবাল অ্যাকশন উইক অন এসডিজি’ উপলক্ষে এসডিজি অ্যাকশন অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ, এনআরডিএস ও আইএসডিই বাংলাদেশ যৌথভাবে এর আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ২০১৫ সালে জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে ১৭টি এসডিজি লক্ষ্য অর্জনের অঙ্গীকার করেছিল। দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূর করা, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, লিঙ্গসমতা, বৈষম্য কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার মতো লক্ষ্য রয়েছে এতে। কিন্তু নানা সংকটে এসব লক্ষ্যের অগ্রগতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে নেই।

তাঁদের মতে, এখন নতুন প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি বিদ্যমান প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে জোর দিতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে জবাবদিহি বাড়াতে হবে। জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও এসডিজির সূচকভিত্তিক অগ্রগতি প্রকাশ করা প্রয়োজন। এতে স্থানীয় পর্যায়ে কোন লক্ষ্যে কতটা অগ্রগতি হচ্ছে, তা জানা যাবে।

দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে কার্যকর ও সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন বক্তারা। একই সঙ্গে উন্নয়ন পরিকল্পনায় নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, দরিদ্র ও জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।

বক্তারা বলেন, উন্নয়নের সুফল থেকে কাউকে পিছিয়ে রাখা যাবে না। তাই ‘কাউকে পেছনে না রাখা’ নীতিকে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের কেন্দ্রে রাখতে হবে।

জনসম্মিলনে সভাপতিত্ব করেন ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিইর নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন। সঞ্চালনা করেন ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সংগঠক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী। মুখ্য আলোচক ছিলেন এসডিজি অ্যাকশন অ্যালায়েন্সের সমন্বয়ক ও এনআরডিএসের নির্বাহী পরিচালক আবদুল আওয়াল।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত