নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস বাংলাদেশের নাম ও লোগো ব্যবহার করে স্কুল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘প্রকল্প অফিসার’ ও ‘সহকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা’ পদে নিয়োগের নামে ভুয়া চাকরি বিজ্ঞপ্তি প্রচার বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
কারিতাস বাংলাদেশ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি এমন কোনো ধরনের চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেনি। তাই এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা। সম্প্রতি কারিতাস বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কতার বিষয়ে জানানো হয়।
সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভূয়া বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, ভূয়া ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রোগ্রাম অফিসার পদে ৬৭১ জন ও সহকারী শিক্ষক/ শিক্ষিকা পদে ১৮৪০ জন নিয়োগের তথ্য দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ প্রতারকচক্রের বানানো একটা ই-মেইলে পাঠানোর জন্যও নির্দেশনা দিয়েছে তারা। পরবর্তীতে আবেদনকারীদের সরলতার সুযোগ নিয়ে একটি নাম্বার (০১৯০৪২০০১৬২) থেকে বিভিন্নভাবে অর্থ আদায়ের ফাঁদ পেতেছে প্রতারকচক্র।
এ বিষয়ে কারিতাস বাংলাদেশের পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) এর ইস্যুকইস্যুকৃত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কারিতাস বাংলাদেশ সকল ধরনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংস্থার ওয়েবসাইট, ফেসবুক বা লিংকডইন; সাপ্তাহিক প্রতিবেশী, বিডিজবস এবং দেশের প্রথম সারির জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ করে থাকে। কারিতাস বাংলাদেশ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কারিতাস বাংলাদেশ এর নাম ও মনোগ্রাম ব্যবহার করে ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্তক থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি কারিতাস বাংলাদেশ এর সঠিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির জন্য নিম্নের ওয়েবসাইট ভিজিট করার আহ্বান জানিয়েছে:

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস বাংলাদেশের নাম ও লোগো ব্যবহার করে স্কুল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘প্রকল্প অফিসার’ ও ‘সহকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা’ পদে নিয়োগের নামে ভুয়া চাকরি বিজ্ঞপ্তি প্রচার বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
কারিতাস বাংলাদেশ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি এমন কোনো ধরনের চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেনি। তাই এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা। সম্প্রতি কারিতাস বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কতার বিষয়ে জানানো হয়।
সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভূয়া বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, ভূয়া ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রোগ্রাম অফিসার পদে ৬৭১ জন ও সহকারী শিক্ষক/ শিক্ষিকা পদে ১৮৪০ জন নিয়োগের তথ্য দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ প্রতারকচক্রের বানানো একটা ই-মেইলে পাঠানোর জন্যও নির্দেশনা দিয়েছে তারা। পরবর্তীতে আবেদনকারীদের সরলতার সুযোগ নিয়ে একটি নাম্বার (০১৯০৪২০০১৬২) থেকে বিভিন্নভাবে অর্থ আদায়ের ফাঁদ পেতেছে প্রতারকচক্র।
এ বিষয়ে কারিতাস বাংলাদেশের পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) এর ইস্যুকইস্যুকৃত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কারিতাস বাংলাদেশ সকল ধরনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংস্থার ওয়েবসাইট, ফেসবুক বা লিংকডইন; সাপ্তাহিক প্রতিবেশী, বিডিজবস এবং দেশের প্রথম সারির জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ করে থাকে। কারিতাস বাংলাদেশ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কারিতাস বাংলাদেশ এর নাম ও মনোগ্রাম ব্যবহার করে ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্তক থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি কারিতাস বাংলাদেশ এর সঠিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির জন্য নিম্নের ওয়েবসাইট ভিজিট করার আহ্বান জানিয়েছে:

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে