কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় মোটরসাইকেল চোরাই চক্রের ৯ সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠান। এর আগে বুধবার রাতে নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে রেজিস্ট্রেশনবিহীন এসব মোটরসাইকেলসহ তাঁদের আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ১১টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান তাঁদের আটকের তথ্য জানান।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার শাকতলা গ্রামের মো. শাকিব (৩৪), মো. সৈকত (২২), কলেজপাড়া এলাকার আল-আমিন (২৯), লালমাই উপজেলার দন্তপুর গ্রামের মো. শাহদাত হোসেন (৩৮), একই গ্রামের মো. রিপন (২৬), সদর উপজেলার বালুতুপা সর্দার বাড়ির মো. রাকিবুল হাসান ওরফে রিয়াদ (৩০), মো. আজাদ হোসেন (৩১), নুরপুর দক্ষিণপাড়ার মো. মাসুদ (২৮) এবং একই উপজেলার রামচন্দ্রপুর মালু মাস্টার বাড়ির মো. সায়মন (৩০)।
পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এ চক্রটি মোটরসাইকেল চুরি করে রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেট খুলে এবং চেসিস নম্বর ঘষে তুলে ফেলে ভারতীয় সীমান্তে বিক্রি করছিল। গতকাল বুধবার রাতে নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে রেজিস্ট্রেশনবিহীন এসব মোটরসাইকেলসহ তাঁদের আটক করা হয়েছে। আজ তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং বিকেলে তাঁদের আদালতে পাঠানো হবে। আটক চোর চক্রের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে কুমিল্লা জেলাকেন্দ্রিক বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা শহরে তাঁদের একটি বড় সিন্ডিকেট আছে। এ ছাড়া আটক ৯ জনের মধ্যে ৬ জনের বিরুদ্ধে হত্যা, চুরি, ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ২৫টি মামলা রয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আশফাকুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. মতিউল ইসলাম, জেলা ডিবি পুলিশের ওসি রাজেশ বড়ুয়াসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লায় মোটরসাইকেল চোরাই চক্রের ৯ সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠান। এর আগে বুধবার রাতে নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে রেজিস্ট্রেশনবিহীন এসব মোটরসাইকেলসহ তাঁদের আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ১১টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান তাঁদের আটকের তথ্য জানান।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার শাকতলা গ্রামের মো. শাকিব (৩৪), মো. সৈকত (২২), কলেজপাড়া এলাকার আল-আমিন (২৯), লালমাই উপজেলার দন্তপুর গ্রামের মো. শাহদাত হোসেন (৩৮), একই গ্রামের মো. রিপন (২৬), সদর উপজেলার বালুতুপা সর্দার বাড়ির মো. রাকিবুল হাসান ওরফে রিয়াদ (৩০), মো. আজাদ হোসেন (৩১), নুরপুর দক্ষিণপাড়ার মো. মাসুদ (২৮) এবং একই উপজেলার রামচন্দ্রপুর মালু মাস্টার বাড়ির মো. সায়মন (৩০)।
পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এ চক্রটি মোটরসাইকেল চুরি করে রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেট খুলে এবং চেসিস নম্বর ঘষে তুলে ফেলে ভারতীয় সীমান্তে বিক্রি করছিল। গতকাল বুধবার রাতে নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে রেজিস্ট্রেশনবিহীন এসব মোটরসাইকেলসহ তাঁদের আটক করা হয়েছে। আজ তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং বিকেলে তাঁদের আদালতে পাঠানো হবে। আটক চোর চক্রের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে কুমিল্লা জেলাকেন্দ্রিক বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা শহরে তাঁদের একটি বড় সিন্ডিকেট আছে। এ ছাড়া আটক ৯ জনের মধ্যে ৬ জনের বিরুদ্ধে হত্যা, চুরি, ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ২৫টি মামলা রয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আশফাকুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. মতিউল ইসলাম, জেলা ডিবি পুলিশের ওসি রাজেশ বড়ুয়াসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে