
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং ও উঠতি বয়সী বখাটেদের বিরুদ্ধে রাতভর অভিযানে আরও ৩৭৯ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ২৫৬ জনকে অভিভাবকদের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১২৩ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে আজ বুধবার ভোর পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের সমন্বয়ে অভিযান চালানো হয়।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কিশোর গ্যাংবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন থানা এলাকায় একযোগে অভিযান চালানো হয়। কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত ও অপরাধপ্রবণতা রয়েছে বলে চিহ্নিত স্থানগুলোকে অভিযানের আওতায় নেওয়া হয়।
অভিযানে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশও অংশ নেয়। পুলিশ সুপারসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন এলাকায় উপস্থিত থেকে কার্যক্রম তদারক করেন।
পুলিশ জানায়, আটক ৩৭৯ জনের মধ্যে ২৫৬ জনের অভিভাবকদের ডেকে মুচলেকা নিয়ে জিম্মায় দেওয়া হয়। অপর ১২৩ জনের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, মাদক সেবন, নিয়মিত মামলা, ভ্রাম্যমাণ আদালত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ বিভিন্ন অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান বলেন, আটক ব্যক্তিদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। যাচাই শেষে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অন্যদের মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
মো. লুৎফর রহমান বলেন, উঠতি বয়সী কিশোরেরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানের সময় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও নজরদারি করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশ নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
১৩ বছর বয়সী কিশোর অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়। গত বুধবার রাত থেকে গত সোমবার ভোর পর্যন্ত তিন দফায় জেলার ১৮টি থানায় অভিযান চালিয়ে মোট ১ হাজার ২৯৩ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে ৮৭৪ জনকে অভিভাবকদের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। অন্য ৪১৯ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সর্বশেষ ৩৭৯ জন আটকের পর অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর থেকে কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে মোট আটকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৭২ জনে। তাঁদের মধ্যে ১ হাজার ১৩০ জনকে অভিভাবকদের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ৫৪২ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার রিজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক ছাত্রকে মারধর, কান ধরে ওঠবস করানো এবং শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে লিপন শরীফ (৪৪) নামের এক অভিভাবককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
২ মিনিট আগে
নেত্রকোনার পূর্বধলায় কোরবানির পশুর হাট ইজারা নিয়ে সংঘর্ষ ও এক যুবদল নেতার মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর ২৫ নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার দুপুরে নেত্রকোনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে আসামিরা জামিন আবেদন করলে আদালত...
৬ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ১২ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে উত্ত্যক্তের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে বেরোনো আসামির বিরুদ্ধে বাদীর পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় মামলার বাদী মোহাম্মদ রুবেল ও তাঁর বাবা তামিজ আহমদ আহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে, এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
১১ মিনিট আগে
অপরাধের ধরন অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের তিন ক্যাটাগরিতে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে এক বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা জরিমানা, ছয় মাসের একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা। সাজাপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে আইন বিভাগের পাঁচজন, মার্কেটিং বিভাগের...
১৭ মিনিট আগে