
কুমিল্লা জেলায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। ইতিমধ্যে সেখান থেকে হামে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। সে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে অন্তত ১৫ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন আলী নূর মোহাম্মদ বশির।
আলী নূর মোহাম্মদ বশির জানান, সাম্প্রতিক সময়ে জেলায় হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। আক্রান্ত শিশুদের বেশির ভাগই বিভিন্ন উপজেলা থেকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসছে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের শিশু বিভাগ ঘুরে দেখা যায়, হাম আক্রান্ত শিশুদের ভিড় বেড়েছে। উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের উপস্থিতিতে হাসপাতালের পরিবেশেও চাপ লক্ষ করা গেছে।
হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান মিয়া মনজুর আহমেদ বলেন, হাম আক্রান্ত শিশুদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে আলাদা একটি ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। তিনি জানান, ১৮ থেকে ৩০ মার্চ সন্ধ্যা পর্যন্ত এই হাসপাতালে মোট ২৫টি শিশু হাম আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে আট শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এবং দুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ১৫টি শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম পিয়াস জানান, আক্রান্ত শিশুদের পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
শরিফুল ইসলাম আরও জানান, সময়মতো টিকা গ্রহণ ও আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনতে পারলেই হামের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এই অবস্থায় অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

একসময় স্বস্তি ও নিরাপদ যাত্রার অন্যতম মাধ্যম ছিল ট্রেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ট্রেনযাত্রাই এখন পরিণত হয়েছে ভোগান্তি আর মৃত্যুঝুঁকির যাত্রায়। লাইনচ্যুত হওয়া, ইঞ্জিনে আগুন লাগা কিংবা ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝপথে ট্রেন আটকে পড়া—নিত্যদিনের এসব ঘটনায় আতঙ্ক বাড়ছে যাত্রীদের।
১ ঘণ্টা আগে
বরগুনার আমতলী পৌরসভার কেন্দ্রীয় লেকের সৌন্দর্যবর্ধনের প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। লেকের মধ্যে নির্মাণাধীন ওয়াকওয়েতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও ত্রুটিপূর্ণ কাজের কারণে গতকাল রোববার অবকাঠামো ধসে পড়ে।
২ ঘণ্টা আগে
দ্বীপ জেলা ভোলায় বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়ায় (লোডশেডিং) অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রাহকেরা। বিদ্যুতের আবাসিক সংযোগের গ্রাহকেরা শুধু নন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিল্পকারখানার মালিকেরাও। বিদ্যুৎ না থাকায় বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
যশোরের মনিরামপুরে সরকারি অর্থে দুটি খাল পুনঃখননের পর তীরে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে নিম্নমানের চারা লাগিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) দপ্তরের বিরুদ্ধে।
২ ঘণ্টা আগে