কুবি প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বিজয়-২৪ হলে আবারও চুরির ঘটনা ঘটেছে। হলের ৪২৩ নম্বর কক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের দুটি ল্যাপটপ, দুটি মোবাইল, নগদ টাকাসহ প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল চুরি হয়েছে।
আজ রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
হলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, লাল পাঞ্জাবি ও মাস্ক পরিহিত এক ব্যক্তি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হলে প্রবেশ করেন। হলে প্রবেশের পর সরাসরি চারতলায় উঠে ৪২৩ নম্বর রুমে প্রবেশ করে দুটি ল্যাপটপ, দুটি মোবাইল, নগদ টাকাসহ প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যান। এ ঘটনায় কুমিল্লা দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ জিডি করা হয়।
জানা গেছে, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের নৃবিজ্ঞান বিভাগের আবাসিক শিক্ষার্থী আদনান সাইফের একটি ল্যাপটপ ও নগদ টাকা এবং একই বর্ষের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী নূরে আলমের একটি মোবাইল আর একটি ল্যাপটপ এবং বাংলা বিভাগের নাজমুল হোসেনের একটি মোবাইল চুরি হয়।
এ বিষয়ে বিজয়-২৪ হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মাহমুদুল হাসান খান বলেন, ‘আমাদের নিরাপত্তা শাখার মাধ্যমে অলরেডি জিডি করা হয়েছে। আর এখন থেকে হলের পেছনের গেট রাত ১০টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে। এ ছাড়া এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধর জন্য আরও কী কী কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সে বিষয়ে ভাবব আমরা।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, ‘আমরা নিরাপত্তা শাখাকে জিডি করার জন্য বলেছি।’
শিক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্ন প্রক্টর বলেন, ‘এর দায়ভার কে নেবে? হলের প্রভোস্টসহ আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব। ক্ষতিপূরণ সেটা তো আমি দিতে পারি না। বিষয়টি হলের প্রভোস্ট দেখবেন।’
উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ২৮ মার্চ এ হলের ৪২৫ নম্বর কক্ষ থেকে একটি ল্যাপটপ ও একটি মোবাইল চুরি হয়েছিল।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বিজয়-২৪ হলে আবারও চুরির ঘটনা ঘটেছে। হলের ৪২৩ নম্বর কক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের দুটি ল্যাপটপ, দুটি মোবাইল, নগদ টাকাসহ প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল চুরি হয়েছে।
আজ রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
হলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, লাল পাঞ্জাবি ও মাস্ক পরিহিত এক ব্যক্তি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হলে প্রবেশ করেন। হলে প্রবেশের পর সরাসরি চারতলায় উঠে ৪২৩ নম্বর রুমে প্রবেশ করে দুটি ল্যাপটপ, দুটি মোবাইল, নগদ টাকাসহ প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যান। এ ঘটনায় কুমিল্লা দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ জিডি করা হয়।
জানা গেছে, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের নৃবিজ্ঞান বিভাগের আবাসিক শিক্ষার্থী আদনান সাইফের একটি ল্যাপটপ ও নগদ টাকা এবং একই বর্ষের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী নূরে আলমের একটি মোবাইল আর একটি ল্যাপটপ এবং বাংলা বিভাগের নাজমুল হোসেনের একটি মোবাইল চুরি হয়।
এ বিষয়ে বিজয়-২৪ হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মাহমুদুল হাসান খান বলেন, ‘আমাদের নিরাপত্তা শাখার মাধ্যমে অলরেডি জিডি করা হয়েছে। আর এখন থেকে হলের পেছনের গেট রাত ১০টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে। এ ছাড়া এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধর জন্য আরও কী কী কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সে বিষয়ে ভাবব আমরা।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, ‘আমরা নিরাপত্তা শাখাকে জিডি করার জন্য বলেছি।’
শিক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্ন প্রক্টর বলেন, ‘এর দায়ভার কে নেবে? হলের প্রভোস্টসহ আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব। ক্ষতিপূরণ সেটা তো আমি দিতে পারি না। বিষয়টি হলের প্রভোস্ট দেখবেন।’
উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ২৮ মার্চ এ হলের ৪২৫ নম্বর কক্ষ থেকে একটি ল্যাপটপ ও একটি মোবাইল চুরি হয়েছিল।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে