ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. হৃদয় ইসলাম (২৬) নামের বাংলাদেশি এক যুবক নিহত হয়েছেন। গতকাল রোববার সৌদি আরব সময় রাত ৯টার দিকে ওই দেশের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যায়।
নিহত হৃদয় ইসলাম কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের দুলালপুর (মিরকিল্লা পাড়া) গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হৃদয় ইসলাম সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি রেস্টুরেন্টের ফুড ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করতেন। গত ৮ নভেম্বর (শনিবার) সৌদি আরব সময় বিকেল ৪টার দিকে মোটরসাইকেলে করে কাস্টমারকে ফুড ডেলিভারি দিতে যাওয়ার সময় পেছন থেকে আসা দ্রুতগামী একটি লরি তাঁকে চাপা দেয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে কিং খালিদ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ সময় রাত ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। পরে রিয়াদ থেকে সহকর্মীরা হৃদয় ইসলামের বাড়িতে কল দিয়ে তাঁর মৃত্যুর খবর জানান।

হৃদয় ইসলামের বাবা মজিবুর রহমান আবু বলেন, পরিবারের সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে ৮ মাস আগে ৬-৭ লাখ টাকা ঋণ করে হৃদয় ইসলামকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে গিয়ে হৃদয় প্রায় পাঁচ মাসের মতো কোনো কাজ পায়নি। তিন মাস আগে রিয়াদের একটি রেস্টুরেন্টে ফুড ডেলিভারি ম্যানের চাকরি নেয়। সেটা আর বেশি দিন করতে পারেনি। ফুড ডেলিভারি দিতে গিয়ে লরি চাপায় মারা গেছে।
মজিবুর রহমান আবু আরও বলেন, ‘দ্রুততম সময়ে সরকারি খরচে যেন ছেলের লাশটি গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয় সে জন্য দুই দেশের সরকারের কাছে দাবি জানাই।’
দুলালপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান রিপন ভূইয়া বলেন, সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হৃদয় ইসলামের লাশ দেশে আনার বিষয়ে তার পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে। তার লাশটি যেন সরকারি খরচে পরিবারের কাছে পৌঁছে সে বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ কাজ করবে।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. হৃদয় ইসলাম (২৬) নামের বাংলাদেশি এক যুবক নিহত হয়েছেন। গতকাল রোববার সৌদি আরব সময় রাত ৯টার দিকে ওই দেশের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যায়।
নিহত হৃদয় ইসলাম কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের দুলালপুর (মিরকিল্লা পাড়া) গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হৃদয় ইসলাম সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি রেস্টুরেন্টের ফুড ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করতেন। গত ৮ নভেম্বর (শনিবার) সৌদি আরব সময় বিকেল ৪টার দিকে মোটরসাইকেলে করে কাস্টমারকে ফুড ডেলিভারি দিতে যাওয়ার সময় পেছন থেকে আসা দ্রুতগামী একটি লরি তাঁকে চাপা দেয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে কিং খালিদ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ সময় রাত ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। পরে রিয়াদ থেকে সহকর্মীরা হৃদয় ইসলামের বাড়িতে কল দিয়ে তাঁর মৃত্যুর খবর জানান।

হৃদয় ইসলামের বাবা মজিবুর রহমান আবু বলেন, পরিবারের সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে ৮ মাস আগে ৬-৭ লাখ টাকা ঋণ করে হৃদয় ইসলামকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে গিয়ে হৃদয় প্রায় পাঁচ মাসের মতো কোনো কাজ পায়নি। তিন মাস আগে রিয়াদের একটি রেস্টুরেন্টে ফুড ডেলিভারি ম্যানের চাকরি নেয়। সেটা আর বেশি দিন করতে পারেনি। ফুড ডেলিভারি দিতে গিয়ে লরি চাপায় মারা গেছে।
মজিবুর রহমান আবু আরও বলেন, ‘দ্রুততম সময়ে সরকারি খরচে যেন ছেলের লাশটি গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয় সে জন্য দুই দেশের সরকারের কাছে দাবি জানাই।’
দুলালপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান রিপন ভূইয়া বলেন, সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হৃদয় ইসলামের লাশ দেশে আনার বিষয়ে তার পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে। তার লাশটি যেন সরকারি খরচে পরিবারের কাছে পৌঁছে সে বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ কাজ করবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে