কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার পৌর এলাকায় বিশেষ প্রক্রিয়ায় কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে গ্যাস সিলিন্ডার স্থাপন করে অবৈধভাবে সিএনজি গ্যাস সরবরাহের সময় দুজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। আজ বুধবার র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন বিষয়টি জানান।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানার বসন্তপুর গ্রামের অলিউর রহমানের ছেলে মো. সুমন ফরাজি (২৫) এবং একই থানার তুলাসার গ্রামের ইয়াকুব মৃধার ছেলে মো. ইবনে সাইদী জুবায়েদ হোসেন (২১)।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার পৌর এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ড পূর্ব দোয়ারা কোদালিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিশেষ প্রক্রিয়ায় কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে গ্যাস সিলিন্ডার স্থাপন করে অবৈধভাবে সিএনজি গ্যাস সরবরাহের সময় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়।
র্যাবের মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন জানান, এই চক্র সিএনজি ফিলিং স্টেশনের আড়ালে সরাসরি গাড়িতে জ্বালানি সরবরাহ করার পাশাপাশি বিশেষ প্রক্রিয়ায় কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে সিলিন্ডার স্থাপন করে মিটার ছাড়া মূল গ্যাসলাইন থেকে গ্যাস মজুত করে তা অবৈধভাবে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে। এ ছাড়া যেসব এলাকায় গ্যাসের সংযোগ নেই, সেসব এলাকার বিভিন্ন কারখানায় চড়া মূল্যে বিক্রি করে। তা ছাড়া এই চক্র সিএনজি গ্যাস সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ সিএনজি স্টেশন স্থাপন করে প্রতি ঘনফুট প্রচলিত বাজারমূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে বিক্রি করে আসছিল। সিএনজি স্টেশনে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত টাকার পরিবর্তে চোরাই পথে চড়া দামে বিক্রি করে। এভাবে অবৈধভাবে গ্যাস চোরাই পথে সরবরাহ ও বিক্রির সময় বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে এবং এর পাশাপাশি মিটার ছাড়া এই গ্যাস বিক্রির ফলে সরকার বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার পৌর এলাকায় বিশেষ প্রক্রিয়ায় কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে গ্যাস সিলিন্ডার স্থাপন করে অবৈধভাবে সিএনজি গ্যাস সরবরাহের সময় দুজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। আজ বুধবার র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন বিষয়টি জানান।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানার বসন্তপুর গ্রামের অলিউর রহমানের ছেলে মো. সুমন ফরাজি (২৫) এবং একই থানার তুলাসার গ্রামের ইয়াকুব মৃধার ছেলে মো. ইবনে সাইদী জুবায়েদ হোসেন (২১)।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার পৌর এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ড পূর্ব দোয়ারা কোদালিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিশেষ প্রক্রিয়ায় কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে গ্যাস সিলিন্ডার স্থাপন করে অবৈধভাবে সিএনজি গ্যাস সরবরাহের সময় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়।
র্যাবের মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন জানান, এই চক্র সিএনজি ফিলিং স্টেশনের আড়ালে সরাসরি গাড়িতে জ্বালানি সরবরাহ করার পাশাপাশি বিশেষ প্রক্রিয়ায় কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে সিলিন্ডার স্থাপন করে মিটার ছাড়া মূল গ্যাসলাইন থেকে গ্যাস মজুত করে তা অবৈধভাবে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে। এ ছাড়া যেসব এলাকায় গ্যাসের সংযোগ নেই, সেসব এলাকার বিভিন্ন কারখানায় চড়া মূল্যে বিক্রি করে। তা ছাড়া এই চক্র সিএনজি গ্যাস সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ সিএনজি স্টেশন স্থাপন করে প্রতি ঘনফুট প্রচলিত বাজারমূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে বিক্রি করে আসছিল। সিএনজি স্টেশনে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত টাকার পরিবর্তে চোরাই পথে চড়া দামে বিক্রি করে। এভাবে অবৈধভাবে গ্যাস চোরাই পথে সরবরাহ ও বিক্রির সময় বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে এবং এর পাশাপাশি মিটার ছাড়া এই গ্যাস বিক্রির ফলে সরকার বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে