টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফে হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা এলাকা থেকে অপহৃত শিশুকে দুই দিন পর ফিরে পেয়েছে পরিবার। গতকাল মঙ্গলবার রাতে লেদা এলাকার মূল সড়ক থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে বাড়ি পৌঁছে দেয়। পুলিশের দাবি, তাদের তৎপরতায় অপহরণকারীরা শিশুটিকে রেখে গেলে, প্রধান সড়ক থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া শিশুর নাম মোহাম্মদ হোছন সূর্য্য (৮)। সে লেদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ও হ্নীলা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ লেদা এলাকার সুলতান আহমদের ছেলে। গত রোববার স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার হয় শিশু মোহাম্মদ হোছন।
এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হালিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত রোববার লেদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার হয় শিশুটি। অপহরণকারীরা শিশুটির মা-বাবাকে ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করে। পরে ঘটনাটি থানার পুলিশ অবগত হয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে মোবাইল নম্বর ও বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে একাধিকবার গহিন পাহাড়সহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশি তৎপরতা ও সাঁড়াশি অভিযানের কারণে অপহরণকারীরা মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে লেদা সড়কে অপহৃত শিশুটিকে রেখে যায়। শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় গত রোববার টেকনাফ মডেল থানায় শিশুটির বাবা নিখোঁজ ডায়েরি করেছিলেন। গত সোমবার অপহরণকারীরা অপহৃত শিশুর বাবা সুলতানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে। তখন মুক্তিপণ হিসেবে তারা ৩০ লাখ টাকা দাবি করে আসছিলেন। দাবি করা টাকা না দিলে শিশুটিকে পুড়িয়ে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করেন অপহরণকারীরা।

কক্সবাজারের টেকনাফে হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা এলাকা থেকে অপহৃত শিশুকে দুই দিন পর ফিরে পেয়েছে পরিবার। গতকাল মঙ্গলবার রাতে লেদা এলাকার মূল সড়ক থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে বাড়ি পৌঁছে দেয়। পুলিশের দাবি, তাদের তৎপরতায় অপহরণকারীরা শিশুটিকে রেখে গেলে, প্রধান সড়ক থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া শিশুর নাম মোহাম্মদ হোছন সূর্য্য (৮)। সে লেদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ও হ্নীলা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ লেদা এলাকার সুলতান আহমদের ছেলে। গত রোববার স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার হয় শিশু মোহাম্মদ হোছন।
এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হালিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত রোববার লেদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার হয় শিশুটি। অপহরণকারীরা শিশুটির মা-বাবাকে ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করে। পরে ঘটনাটি থানার পুলিশ অবগত হয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে মোবাইল নম্বর ও বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে একাধিকবার গহিন পাহাড়সহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশি তৎপরতা ও সাঁড়াশি অভিযানের কারণে অপহরণকারীরা মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে লেদা সড়কে অপহৃত শিশুটিকে রেখে যায়। শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় গত রোববার টেকনাফ মডেল থানায় শিশুটির বাবা নিখোঁজ ডায়েরি করেছিলেন। গত সোমবার অপহরণকারীরা অপহৃত শিশুর বাবা সুলতানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে। তখন মুক্তিপণ হিসেবে তারা ৩০ লাখ টাকা দাবি করে আসছিলেন। দাবি করা টাকা না দিলে শিশুটিকে পুড়িয়ে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করেন অপহরণকারীরা।

ভুক্তভোগী সোহান বলেন, ‘তিন বছরের ভিসায় কিরগিজস্তানে মাসিক ৫০ হাজার টাকা বেতনে টেক্সটাইল কারখানায় চাকরির কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু আমাকে দেওয়া হয় মাত্র দুই মাসের ভিসা। বিদেশে পৌঁছানোর পর কাগজপত্র নিয়ে আমাকে একটি ঘরে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। বাধ্য হয়ে আরও টাকা দিলে রাস্তায় ছেড়ে দেয়। পরে দেশে ফিরে আসি।’
৯ মিনিট আগে
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টিতেই প্রধান শিক্ষক নেই। এ ছাড়া সহকারী শিক্ষকের ৭৪টি এবং দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরীর ২৪টি পদও শূন্য রয়েছে। প্রধান শিক্ষক না থাকায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নে মিজানুর রহমান ওরফে কানা মিজান (৩৬) নামের এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন। নিহত যুবক আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য ও তাঁর বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি খেলনা পিস্তল ও একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৪ ঘণ্টা আগে