কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফে প্রথম দফায় আত্মসমর্পণকারী ১০১ জন ইয়াবা কারবারির ওপর দুটি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। একটি মামলায় প্রত্যেক আসামির এক বছর ছয় মাস করে কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন আদালত। অস্ত্র মামলা থেকে ১০১ জনকেই বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার তাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া পুলিশের দুটি মামলার রায় ঘোষণা করেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ফরিদুল আলম।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দুই মামলার ১৮ আসামিকে জেলা কারাগার থেকে আদালতে তোলা হয়, বাকি ৮৩ জনই পলাতক রয়েছেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রায় ঘোষণা শুরু করে দুপুর ১টা ৫ মিনিটে সম্পন্ন করেন বিচারক।
এর আগে ১৫ নভেম্বর উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায় ঘোষণার এই দিন ধার্য করেছিলেন। এ দিন আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ১৭ জনের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানো হয়। অনুপস্থিত ৮৪ জনের জামিনও বাতিল করা হয়।
জামিন বাতিলের পর ৮৩ জন ইয়াবা কারবারি লাপাত্তা হয়েছেন বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে গত সোমবার রাতে মোহাম্মদ হোছাইন নামের এক কারবারিকে টেকনাফ থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আজ পলাতক কেউ আদালতে হাজির হননি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, গত ১৬ নভেম্বর চার ইয়াবা কারবারির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে ইয়াবা কারবারিরা। এ রায়ের পর মূলত ৮৩ জন ইয়াবা কারবারি গা ঢাকা দিয়েছেন।
পলাতকদের মধ্যে অনেক জনপ্রতিনিধিসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি রয়েছেন। তাঁরা হলেন উখিয়া ও টেকনাফের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির চার ভাই আব্দুল আমিন, আব্দুল শুক্কুর, শফিকুল ইসলাম, ফয়সাল রহমান, ভাগনে সাহেদ রহমান নিপু, চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আলম, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিহাদ ও বড় ভাই আব্দুর রহমান, বর্তমান জেলা পরিষদ সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমেদের ছেলে দিদার মিয়া, টেকনাফ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরুল বশর নুরশাদ, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের এনামুল হক এনাম মেম্বারসহ অনেকে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি টেকনাফে ইয়াবা ও অস্ত্রসহ ১০২ জন ইয়াবা কারবারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের উপস্থিতিতে আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় তাঁরা সাড়ে ৩ লাখ ইয়াবা, দেশে তৈরি ৩০টি বন্দুক ও ৭০ রাউন্ড গুলি জমা দেন। ওই দিনই আত্মসমর্পণকারী ১০২ জনকে আসামি করে টেকনাফ মডেল থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা দায়ের করেন টেকনাফ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (অপারেশন) শরীফ ইবনে আলম।
এর মধ্যে ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট মোহাম্মদ রাসেল নামে এক আসামির কারাগারেই মৃত্যু হয়। ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তামান্না ফারাহর আদালতে ১০১ আসামির বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক এ বি এম এস দোহা। পরে মামলাটি বিচারের জন্য জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। একই বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল মামলার অভিযোগ গঠন করেন।
দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আলোচিত এ মামলার রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।

কক্সবাজারের টেকনাফে প্রথম দফায় আত্মসমর্পণকারী ১০১ জন ইয়াবা কারবারির ওপর দুটি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। একটি মামলায় প্রত্যেক আসামির এক বছর ছয় মাস করে কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন আদালত। অস্ত্র মামলা থেকে ১০১ জনকেই বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার তাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া পুলিশের দুটি মামলার রায় ঘোষণা করেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ফরিদুল আলম।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দুই মামলার ১৮ আসামিকে জেলা কারাগার থেকে আদালতে তোলা হয়, বাকি ৮৩ জনই পলাতক রয়েছেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রায় ঘোষণা শুরু করে দুপুর ১টা ৫ মিনিটে সম্পন্ন করেন বিচারক।
এর আগে ১৫ নভেম্বর উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায় ঘোষণার এই দিন ধার্য করেছিলেন। এ দিন আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ১৭ জনের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানো হয়। অনুপস্থিত ৮৪ জনের জামিনও বাতিল করা হয়।
জামিন বাতিলের পর ৮৩ জন ইয়াবা কারবারি লাপাত্তা হয়েছেন বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে গত সোমবার রাতে মোহাম্মদ হোছাইন নামের এক কারবারিকে টেকনাফ থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আজ পলাতক কেউ আদালতে হাজির হননি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, গত ১৬ নভেম্বর চার ইয়াবা কারবারির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে ইয়াবা কারবারিরা। এ রায়ের পর মূলত ৮৩ জন ইয়াবা কারবারি গা ঢাকা দিয়েছেন।
পলাতকদের মধ্যে অনেক জনপ্রতিনিধিসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি রয়েছেন। তাঁরা হলেন উখিয়া ও টেকনাফের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির চার ভাই আব্দুল আমিন, আব্দুল শুক্কুর, শফিকুল ইসলাম, ফয়সাল রহমান, ভাগনে সাহেদ রহমান নিপু, চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আলম, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিহাদ ও বড় ভাই আব্দুর রহমান, বর্তমান জেলা পরিষদ সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমেদের ছেলে দিদার মিয়া, টেকনাফ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরুল বশর নুরশাদ, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের এনামুল হক এনাম মেম্বারসহ অনেকে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি টেকনাফে ইয়াবা ও অস্ত্রসহ ১০২ জন ইয়াবা কারবারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের উপস্থিতিতে আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় তাঁরা সাড়ে ৩ লাখ ইয়াবা, দেশে তৈরি ৩০টি বন্দুক ও ৭০ রাউন্ড গুলি জমা দেন। ওই দিনই আত্মসমর্পণকারী ১০২ জনকে আসামি করে টেকনাফ মডেল থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা দায়ের করেন টেকনাফ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (অপারেশন) শরীফ ইবনে আলম।
এর মধ্যে ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট মোহাম্মদ রাসেল নামে এক আসামির কারাগারেই মৃত্যু হয়। ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তামান্না ফারাহর আদালতে ১০১ আসামির বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক এ বি এম এস দোহা। পরে মামলাটি বিচারের জন্য জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। একই বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল মামলার অভিযোগ গঠন করেন।
দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আলোচিত এ মামলার রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।

পুরান ঢাকার ভাটিখানা এলাকা থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে একটি মেস থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
১১ মিনিট আগে
মাদারীপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস একটি অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে সাতজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের ঘটকচর এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
একের পর এক বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের। এবার বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে এক শিক্ষকের টাঙানো ব্যানার খুলে নিজের ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করেন রাকসুর এই নেতা।
২ ঘণ্টা আগে
রংপুরের বদরগঞ্জে তিন দিন আগে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দী নারীর লাশের পরিচয় মিলেছে। নিহত নারীর নাম মোছা. রিয়া। তিনি একজন পোশাককর্মী বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার। আজ রোববার দুপুরে পুলিশ তাঁর পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করেছে।
২ ঘণ্টা আগে