কক্সবাজার ও টেকনাফ প্রতিনিধি

একের পর এক যুদ্ধে ব্যবহৃত হেলিকপ্টারের আকাশ সীমা লঙ্ঘন, মর্টারশেল হামলাসহ সীমান্তে সাম্প্রতিক ঘটনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি। ভবিষ্যতে সীমান্ত প্রটোকল ব্যত্যয় না হওয়ারও প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেছে তারা।
আজ রোববার দুই দেশের সীমান্ত বাহিনীর বৈঠক শেষে বিকেলে সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার।
এর আগে সকাল ১০টায় কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সোদান রেস্ট হাউসে এ বৈঠক শুরু হয়। টানা পাঁচ ঘণ্টার এ বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি ছাড়াও মাদক ও অবৈধভাবে মিয়ানমার নাগরিকদের অনুপ্রবেশ রোধে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সাত সদস্যের একটি দল স্পিড বোটে করে উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের নাফ নদীর শাহপরীরদ্বীপ জেটি ঘাটে পৌঁছায়।
পতাকা বৈঠকে বিজিবি প্রতিনিধি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন টেকনাফের বিজিবি ২ ব্যাটালিয়নে অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার। মিয়ানমার বিজিপির পক্ষে নেতৃত্ব দেন পিউন ফিউর ১ বর্ডার গার্ড পুলিশের অধিনায়ক কর্নেল ইয়ে ওয়াই শো। বৈঠকের শুরুতে বিজিবি সীমান্তের গোলাগুলি বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, সীমান্তের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও দুই দেশের মানুষ যাতে নিরাপদে বসবাস করতে পারে সে ব্যাপারে বিজিবি-বিজিপি এক সঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছেন। বৈঠকে অনুপ্রবেশ রোধ, মাদক চোরাচালান বন্ধসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বিজিবির অধিনায়ক বলেন, ‘সুনির্দিষ্টভাবে বিষয়গুলো প্রতিনিধি দলের কাছে তুলে ধরা হয়। তারা সীমান্তে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে ব্যত্যয় না ঘটার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে তারা। সীমান্তে জনসাধারণের নিরাপত্তা ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উভয় দেশের অধিনায়ক এক সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।’
শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার বলেন, ‘বৈঠকে বিজিপির পক্ষে বলা হয়েছে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে সীমান্তে নানা অপরাধ করছে। বিজিবির পক্ষ থেকে এ ঘটনা অস্বীকার করা হয়। বিজিবি তাদের জানিয়েছে, কখনো কোনো সময় বাংলাদেশের ভূখণ্ড কোনো প্রকার সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সন্ত্রাসীদের বাংলাদেশ কোনো সহায়তাও করে না। ভবিষ্যতেও সন্ত্রাসীদের রোধে বাংলাদেশ কঠোর অবস্থানে থাকবে। সীমান্তে জনসাধারণের নিরাপত্তা ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উভয় দেশের অধিনায়ক এক সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ আজিজুর রউফ। তিনি বলেন, পতাকা বৈঠকটি দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর নিয়মমাফিক বৈঠকের অংশ। গত তিন মাস ধরে মিয়ানমার অভ্যন্তরে চলমান গোলাগুলিকে কেন্দ্র করে সীমান্তে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ পরিস্থিতিতে বৈঠক করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। সীমান্তে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া ঘটনায় বাসিন্দারা আতঙ্কগ্রস্ত হন। এ পরিস্থিতি নিয়ে শুরু থেকে দু-দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে নানা পর্যায়ে যোগাযোগ চলছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিজিবির পক্ষ থেকে বিজিপির কাছে একাধিকবার চিঠি পাঠানোও হয়েছিল। এর প্রেক্ষিতে বিজিপি বৈঠকে বসতে রাজী হন এবং বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন রামু সেক্টরের স্টাফ অফিসার আহমেদ তারেল কবির।
উল্লেখ্য, প্রায় তিন মাস ধরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান গোলাগুলিকে কেন্দ্র করে সীমান্তে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সীমান্তের এ পরিস্থিতি নিয়ে শুরু থেকে দু-দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে নানা পর্যায়ে যোগাযোগ চলছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিজিবির পক্ষ থেকে বিজিপির কাছে একাধিকবার চিঠি পাঠানোও হয়েছিল। বাংলাদেশের সীমান্তে মর্টার শেল ও গুলি এসে পড়ে হতাহতের ঘটনায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে একাধিক বার তলব করে প্রতিবাদ জানানো হয়।

একের পর এক যুদ্ধে ব্যবহৃত হেলিকপ্টারের আকাশ সীমা লঙ্ঘন, মর্টারশেল হামলাসহ সীমান্তে সাম্প্রতিক ঘটনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি। ভবিষ্যতে সীমান্ত প্রটোকল ব্যত্যয় না হওয়ারও প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেছে তারা।
আজ রোববার দুই দেশের সীমান্ত বাহিনীর বৈঠক শেষে বিকেলে সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার।
এর আগে সকাল ১০টায় কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সোদান রেস্ট হাউসে এ বৈঠক শুরু হয়। টানা পাঁচ ঘণ্টার এ বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি ছাড়াও মাদক ও অবৈধভাবে মিয়ানমার নাগরিকদের অনুপ্রবেশ রোধে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সাত সদস্যের একটি দল স্পিড বোটে করে উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের নাফ নদীর শাহপরীরদ্বীপ জেটি ঘাটে পৌঁছায়।
পতাকা বৈঠকে বিজিবি প্রতিনিধি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন টেকনাফের বিজিবি ২ ব্যাটালিয়নে অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার। মিয়ানমার বিজিপির পক্ষে নেতৃত্ব দেন পিউন ফিউর ১ বর্ডার গার্ড পুলিশের অধিনায়ক কর্নেল ইয়ে ওয়াই শো। বৈঠকের শুরুতে বিজিবি সীমান্তের গোলাগুলি বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, সীমান্তের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও দুই দেশের মানুষ যাতে নিরাপদে বসবাস করতে পারে সে ব্যাপারে বিজিবি-বিজিপি এক সঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছেন। বৈঠকে অনুপ্রবেশ রোধ, মাদক চোরাচালান বন্ধসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বিজিবির অধিনায়ক বলেন, ‘সুনির্দিষ্টভাবে বিষয়গুলো প্রতিনিধি দলের কাছে তুলে ধরা হয়। তারা সীমান্তে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে ব্যত্যয় না ঘটার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে তারা। সীমান্তে জনসাধারণের নিরাপত্তা ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উভয় দেশের অধিনায়ক এক সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।’
শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার বলেন, ‘বৈঠকে বিজিপির পক্ষে বলা হয়েছে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে সীমান্তে নানা অপরাধ করছে। বিজিবির পক্ষ থেকে এ ঘটনা অস্বীকার করা হয়। বিজিবি তাদের জানিয়েছে, কখনো কোনো সময় বাংলাদেশের ভূখণ্ড কোনো প্রকার সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সন্ত্রাসীদের বাংলাদেশ কোনো সহায়তাও করে না। ভবিষ্যতেও সন্ত্রাসীদের রোধে বাংলাদেশ কঠোর অবস্থানে থাকবে। সীমান্তে জনসাধারণের নিরাপত্তা ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উভয় দেশের অধিনায়ক এক সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ আজিজুর রউফ। তিনি বলেন, পতাকা বৈঠকটি দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর নিয়মমাফিক বৈঠকের অংশ। গত তিন মাস ধরে মিয়ানমার অভ্যন্তরে চলমান গোলাগুলিকে কেন্দ্র করে সীমান্তে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ পরিস্থিতিতে বৈঠক করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। সীমান্তে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া ঘটনায় বাসিন্দারা আতঙ্কগ্রস্ত হন। এ পরিস্থিতি নিয়ে শুরু থেকে দু-দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে নানা পর্যায়ে যোগাযোগ চলছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিজিবির পক্ষ থেকে বিজিপির কাছে একাধিকবার চিঠি পাঠানোও হয়েছিল। এর প্রেক্ষিতে বিজিপি বৈঠকে বসতে রাজী হন এবং বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন রামু সেক্টরের স্টাফ অফিসার আহমেদ তারেল কবির।
উল্লেখ্য, প্রায় তিন মাস ধরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান গোলাগুলিকে কেন্দ্র করে সীমান্তে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সীমান্তের এ পরিস্থিতি নিয়ে শুরু থেকে দু-দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে নানা পর্যায়ে যোগাযোগ চলছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিজিবির পক্ষ থেকে বিজিপির কাছে একাধিকবার চিঠি পাঠানোও হয়েছিল। বাংলাদেশের সীমান্তে মর্টার শেল ও গুলি এসে পড়ে হতাহতের ঘটনায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে একাধিক বার তলব করে প্রতিবাদ জানানো হয়।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
৩০ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৪২ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে