কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকূল আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার খুরুশকূল ইউনিয়নের মনুপাড়ায় একটি মৎস্য ঘেরের পাশ থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন কক্সবাজার সদরের খুরুশকূল ইউনিয়নের মনুপাড়ার বাসিন্দা জামাল হোসেনের ছেলে আব্দুল খালেক (২৫) এবং একই এলাকার আবু তাহেরের ছেলে মো. ইয়াছিন আরাফাত (২৪)। তাঁরা দুজনই পেশায় জেলে।
কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়দের বরাতে রাকিবুজ্জামান বলেন, সদরের খুরুশকূল ইউনিয়নের মনুপাড়ায় শামশুল হুদার মৎস্যঘেরের পাশে দুই ব্যক্তির মৃতদেহ পড়ে থাকার খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৎস্যঘেরের বাঁধের ওপর উপুর অবস্থায় দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওসি বলেন, নিহতদের শরীরে বৈদ্যুতিক শকের পোড়া ক্ষত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
খুরুশকূল ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান ছিদ্দিকী বলেন, ‘কী কারণে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও নিহতদের শরীরে বৈদ্যুতিক শকের চিহ্ন রয়েছে।’
নিহত ইয়াছিনের বাবা আবু তাহের বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে তাঁর ছেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। শুক্রবার সকালে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর মৎস্যঘেরের পাশে তাঁর মৃতদেহ পড়ে থাকার খবর দেয় স্থানীয়রা।
আবু তাহের বলেন, তাঁর ছেলে পেশায় জেলে। কারও সঙ্গে পূর্বশত্রুতা ছিল না। কারা, কী কারণে এ খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে, তা বলা যাচ্ছে না।
লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি মে. রাকিবুজ্জামান।

কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকূল আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার খুরুশকূল ইউনিয়নের মনুপাড়ায় একটি মৎস্য ঘেরের পাশ থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন কক্সবাজার সদরের খুরুশকূল ইউনিয়নের মনুপাড়ার বাসিন্দা জামাল হোসেনের ছেলে আব্দুল খালেক (২৫) এবং একই এলাকার আবু তাহেরের ছেলে মো. ইয়াছিন আরাফাত (২৪)। তাঁরা দুজনই পেশায় জেলে।
কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়দের বরাতে রাকিবুজ্জামান বলেন, সদরের খুরুশকূল ইউনিয়নের মনুপাড়ায় শামশুল হুদার মৎস্যঘেরের পাশে দুই ব্যক্তির মৃতদেহ পড়ে থাকার খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৎস্যঘেরের বাঁধের ওপর উপুর অবস্থায় দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওসি বলেন, নিহতদের শরীরে বৈদ্যুতিক শকের পোড়া ক্ষত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
খুরুশকূল ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান ছিদ্দিকী বলেন, ‘কী কারণে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও নিহতদের শরীরে বৈদ্যুতিক শকের চিহ্ন রয়েছে।’
নিহত ইয়াছিনের বাবা আবু তাহের বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে তাঁর ছেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। শুক্রবার সকালে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর মৎস্যঘেরের পাশে তাঁর মৃতদেহ পড়ে থাকার খবর দেয় স্থানীয়রা।
আবু তাহের বলেন, তাঁর ছেলে পেশায় জেলে। কারও সঙ্গে পূর্বশত্রুতা ছিল না। কারা, কী কারণে এ খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে, তা বলা যাচ্ছে না।
লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি মে. রাকিবুজ্জামান।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে