টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের উত্তরপাড়া এলাকায় জমি ও বসতভিটাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষে মোহাম্মদ হোসেন (৪৭) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের দুজন আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় সাবরাং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড উত্তরপাড়া এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম। মোহাম্মদ হোসেন ওই এলাকার মৃত মকবুল আহমদের ছেলে।
নিহতের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন জানান, পৈতৃকভাবে পাওয়া বসতভিটা ও জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাঁর স্বামীর বড় ভাই মোহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। তাঁর স্বামী মোহাম্মদ হোসেন স্থানীয়ভাবে সালিসে সমাধান না পেয়ে টেকনাফ মডেল থানায় একটি অভিযোগ করেছিলেন। থানায় অভিযোগ দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ির সামনে দোকানে এসে ইউনুস ও তাঁর ছেলে ওসমানসহ ৮-১০ জন দা, কিরিচ, লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালিয়ে তাঁর স্বামীকে হত্যা করে। তাঁর ছেলে মো. দেলোয়ারের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
বড় ভাই মোহাম্মদ ইউনুস ও তাঁর সহযোগীরা পলাতক থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য রেজাউল করিম রেজু জানান, দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। শাহপরীর দ্বীপ পুলিশ ফাঁড়িতে তাঁদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সালিস চলমান ছিল। মূলত ওই ঘটনার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত হন মোহাম্মদ হোসেন। এতে এক পক্ষের মো. দেলোয়ার ও প্রতিপক্ষেরে ওসমান আহত হন।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম বলেন, ‘জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই ভাইয়ের পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এক ভাই মোহাম্মদ হোসেন নিহত হন। আমরা এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের উত্তরপাড়া এলাকায় জমি ও বসতভিটাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষে মোহাম্মদ হোসেন (৪৭) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের দুজন আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় সাবরাং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড উত্তরপাড়া এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম। মোহাম্মদ হোসেন ওই এলাকার মৃত মকবুল আহমদের ছেলে।
নিহতের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন জানান, পৈতৃকভাবে পাওয়া বসতভিটা ও জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাঁর স্বামীর বড় ভাই মোহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। তাঁর স্বামী মোহাম্মদ হোসেন স্থানীয়ভাবে সালিসে সমাধান না পেয়ে টেকনাফ মডেল থানায় একটি অভিযোগ করেছিলেন। থানায় অভিযোগ দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ির সামনে দোকানে এসে ইউনুস ও তাঁর ছেলে ওসমানসহ ৮-১০ জন দা, কিরিচ, লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালিয়ে তাঁর স্বামীকে হত্যা করে। তাঁর ছেলে মো. দেলোয়ারের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
বড় ভাই মোহাম্মদ ইউনুস ও তাঁর সহযোগীরা পলাতক থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য রেজাউল করিম রেজু জানান, দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। শাহপরীর দ্বীপ পুলিশ ফাঁড়িতে তাঁদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সালিস চলমান ছিল। মূলত ওই ঘটনার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত হন মোহাম্মদ হোসেন। এতে এক পক্ষের মো. দেলোয়ার ও প্রতিপক্ষেরে ওসমান আহত হন।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম বলেন, ‘জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই ভাইয়ের পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এক ভাই মোহাম্মদ হোসেন নিহত হন। আমরা এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৭ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে