কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যার আধুনিক হাসপাতাল দ্রুত নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে তাঁরা আজ বৃহস্পতিবার কলেজ ক্যাম্পাসে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০০৮ সালে যাত্রা করা কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থী সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও দীর্ঘ ১৭ বছরেও স্থায়ী ৫০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মিত হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন প্রায় আট কিলোমিটার দূরে সদর হাসপাতালে গিয়ে ক্লিনিক্যাল ক্লাস করতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য।
শিক্ষার্থীরা জানান, কক্সবাজারের প্রায় ২৮ লাখ মানুষের জন্য বর্তমানে ২৫০ শয্যার একটি হাসপাতাল রয়েছে, যেখানে প্রতিদিন ৫-৬ হাজার রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। এ ছাড়া প্রায় সাড়ে ১২ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বাড়তি চাপও সামাল দিতে হয় এই হাসপাতালে। কিন্তু এখানে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকায় উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। নিউরো সার্জারি, হেমাটোলজি, হেপাটোলজি, সাইকিয়াট্রি, এনআইসিইউ, বার্ন ইউনিটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ না থাকায় রোগীদের প্রায়ই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো, যা ১৫০ কিলোমিটার দূরে এবং ব্যয়বহুল।
শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, আধুনিক ৫০০ শয্যার হাসপাতাল স্থাপিত হলে কক্সবাজারের জনগণ ও পর্যটকদের জন্য উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত হবে এবং চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম সহজ হবে। শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অনুমোদন ও নির্মাণকাজ শুরুর দাবি জানান।
মানববন্ধনে কক্সবাজার ইন্টার্ন ডক্টরস মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসাম, শিক্ষার্থী আসিবুল হক, মিজানুর রহমান, আহসান সাকিব, ফাহিম হাসান, রাহাত হোসাইন, শাহাদাত হোসাইনসহ অনেকে বক্তব্য দেন।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যার আধুনিক হাসপাতাল দ্রুত নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে তাঁরা আজ বৃহস্পতিবার কলেজ ক্যাম্পাসে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০০৮ সালে যাত্রা করা কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থী সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও দীর্ঘ ১৭ বছরেও স্থায়ী ৫০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মিত হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন প্রায় আট কিলোমিটার দূরে সদর হাসপাতালে গিয়ে ক্লিনিক্যাল ক্লাস করতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য।
শিক্ষার্থীরা জানান, কক্সবাজারের প্রায় ২৮ লাখ মানুষের জন্য বর্তমানে ২৫০ শয্যার একটি হাসপাতাল রয়েছে, যেখানে প্রতিদিন ৫-৬ হাজার রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। এ ছাড়া প্রায় সাড়ে ১২ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বাড়তি চাপও সামাল দিতে হয় এই হাসপাতালে। কিন্তু এখানে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকায় উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। নিউরো সার্জারি, হেমাটোলজি, হেপাটোলজি, সাইকিয়াট্রি, এনআইসিইউ, বার্ন ইউনিটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ না থাকায় রোগীদের প্রায়ই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো, যা ১৫০ কিলোমিটার দূরে এবং ব্যয়বহুল।
শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, আধুনিক ৫০০ শয্যার হাসপাতাল স্থাপিত হলে কক্সবাজারের জনগণ ও পর্যটকদের জন্য উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত হবে এবং চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম সহজ হবে। শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অনুমোদন ও নির্মাণকাজ শুরুর দাবি জানান।
মানববন্ধনে কক্সবাজার ইন্টার্ন ডক্টরস মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসাম, শিক্ষার্থী আসিবুল হক, মিজানুর রহমান, আহসান সাকিব, ফাহিম হাসান, রাহাত হোসাইন, শাহাদাত হোসাইনসহ অনেকে বক্তব্য দেন।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৪০ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৪৩ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে