২৬ ঘণ্টা পর সৈকতে ভেসে এল বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্র নিবিড়ের মরদেহ, নিহত বেড়ে ৫

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষার্থী এস এম নাফিসুর রহমান নিবিড়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৬ ঘণ্টা পর আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে কলাতলী ভাঙারমুখ সৈকতে ভেসে আসে তাঁর মরদেহ।
এ নিয়ে হিমছড়িতে সাগরে তলিয়ে যাওয়া ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করা হলো। আর জীবিত উদ্ধার হওয়া একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নিবিড় ঢাকার আজিমপুর এলাকার নাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
জেলা প্রশাসনের বিচকর্মীদের সুপারভাইজার মাহবুব আলম বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষার্থী নিবিড়ের মরদেহ ভেসে আসার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে আজ সকাল ১০টার দিকে রামু উপজেলার হিমছড়ির প্যাঁচারদ্বীপ সৈকত এলাকা থেকে নিখোঁজ মো. হারুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
গতকাল বুধবার বিকেলে কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন হিমছড়ি মেরিনা রিসোর্টের জাদুঘরসংলগ্ন সৈকতে গোসলে নেমে ছয় পর্যটক সাগরে তলিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেন এবং একজনকে জীবিত উদ্ধার করেন। নিখোঁজ ছিলেন দুজন।
নিহত পাঁচজন হলেন বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষার্থী আল মাহিবুর ইবনে মোকাররম (২৪), সাইবুল হক জিসান (২৩) ও এসএম নাফিসুর রহমান নিবিড় (২৩)। তাঁরা ঢাকার উত্তরার বাসিন্দা। অন্য দুজন হলেন চট্টগ্রামের চাকরিজীবী মোহাম্মদ আকাশ (২১) ও মো. হারুন (২০)।
এ ঘটনায় জীবিত উদ্ধার হওয়া রাকিব হাসান (১৯) কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।










