Ajker Patrika

সৈকতে বিসর্জনের প্রস্তুতি, পর্যটকের ঢল

মাইনউদ্দিন শাহেদ, কক্সবাজার
সৈকতে বিসর্জনের প্রস্তুতি, পর্যটকের ঢল
টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকের ঢল নেমেছে। কেউ সমুদ্রের ঢেউ উপভোগ করছেন, কেউ মুহূর্তটি ধরে রাখতে প্রিয়জনদের সঙ্গে ছবি তুলছেন। গতকাল সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে। ছবি: আজকের পত্রিকা

শারদীয় দুর্গোৎসব ও প্রবারণা পূর্ণিমার টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকের ঢল নেমেছে। হোটেলের মালিক ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আজ বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত হোটেল-মোটেল ও গেস্টহাউসের ৯০% বুকিং হয়েছে। এদিকে আজ বিজয়া দশমী উপলক্ষে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে নেওয়া হয়েছে দেশের প্রতিমা বিসর্জনের সর্ববৃহৎ উৎসবের প্রস্তুতি।

দুর্গাপূজার ছুটি উপলক্ষে কয়েক দিন ধরে কক্সবাজারে বাড়ছিল পর্যটকের উপস্থিতি। তবে গতকাল থেকে এই উপস্থিতি আরও বেড়েছে। গতকাল বিকেলে লাবণী ও সুগন্ধা পয়েন্ট সৈকতে গিয়ে দেখা যায়, পর্যটকদের পদচারণে মুখর হয়ে উঠছে সৈকতের বালুচর। হিমছড়ি, ইনানী ও মেরিন ড্রাইভের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে বাড়ছে দর্শনার্থীদের আনাগোনা।

সৈকতে পর্যটকদের সেবায় নিয়োজিত জেলা প্রশাসনের বিচ কর্মীদের সহকারী সুপারভাইজার বেলাল হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সৈকতের তিনটি পয়েন্টে কমপক্ষে ৮০ হাজার পর্যটক নেমেছেন। বুধবার থেকে এই সংখ্যা আরও বাড়বে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

সাগরপাড়ের পাঁচ তারকা মানের হোটেল কক্স টু ডে। এই হোটেলে কক্ষ রয়েছে ২৪৫টি। তাদের ৯০ শতাংশ কক্ষ বুকিং রয়েছে বলে জানান হোটেলটির জেনারেল ম্যানেজার আবু তালেব শাহ। তিনি বলেন, ‘মূলত বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত অতিথির চাপ আছে।’

এদিকে মাঝারি মানের হোটেল ও গেস্টহাউসে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এগুলোর ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ কক্ষ বুকিং রয়েছে। হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, কক্সবাজার শহর ও আশপাশ এলাকার পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল ও গেস্টহাউসে ১ লাখ ৮০ হাজারের মতো পর্যটকের রাতযাপনের সুবিধা রয়েছে।

প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি সৈকতে

এবার প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে সৈকতে। কক্সবাজার জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি উদয় শংকর পালের মতে, সৈকতের লাবণী পয়েন্টে অনুষ্ঠিত হবে দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বিসর্জন উৎসব।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, প্রতিমা বিসর্জন দেখতে পূজারি, স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটক মিলিয়ে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. অহিদুর রহমান বলেন, ‘পর্যটক ও পূজার্থীদের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত