কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীতে ভেসে এসেছে অজ্ঞাতনামা এক নারীর মরদেহ। আজ রোববার বেলা ১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন। তিনি বলেন, ভেসে আসা নারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাঁর বয়স ৪০–৪২ হতে পারে।
পুলিশ ও স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, মহেশখালী থেকে কক্সবাজার শহরে আসার পথে একটি স্পিডবোটের চালক বঙ্গোপসাগরের বাকঁখালী নদীর মোহনায় মরদেহটি ভাসতে দেখেন। পরে নুনিয়ারছটা ঘাটের স্পিডবোটের লাইনম্যান বিষয়টি পুলিশকে জানায়।
এসআই রুহুল আমিন বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীতে ভেসে এসেছে অজ্ঞাতনামা এক নারীর মরদেহ। আজ রোববার বেলা ১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন। তিনি বলেন, ভেসে আসা নারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাঁর বয়স ৪০–৪২ হতে পারে।
পুলিশ ও স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, মহেশখালী থেকে কক্সবাজার শহরে আসার পথে একটি স্পিডবোটের চালক বঙ্গোপসাগরের বাকঁখালী নদীর মোহনায় মরদেহটি ভাসতে দেখেন। পরে নুনিয়ারছটা ঘাটের স্পিডবোটের লাইনম্যান বিষয়টি পুলিশকে জানায়।
এসআই রুহুল আমিন বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে