বাসস, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা বিলাসবহুল রোলস রয়েস গাড়ি শুল্কায়ন না করে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান জেড অ্যান্ড জেড ইনটিমেটসকে ৫৭ কোটি টাকা জরিমানা করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। এছাড়া ২৮ কোটি শুল্ক–কর পরিশোধ করতে হবে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটিকে। জরিমানাসহ মোট ৮৫ কোটি টাকা পরিশোধ করে গাড়িটি খালাস নেওয়ার আদেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
গত ১২ অক্টোবর চট্টগ্রামের কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমানের সই করা আদেশে ওই জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার এ তথ্য তিনি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
কাস্টমস আইন ১৯৬৯–এর ৯, ১০, ১৬, ১৮, ৮০ ও ১১১ ধারা লঙ্ঘন ও সেকশন ২ (এস) অনুযায়ী ‘চোরাচালান’ এবং সেকশন ৩২ (১) এ বর্ণিত অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় গত ১২ অক্টোবর চট্টগ্রামের কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমানের সই করা আদেশে জেড অ্যান্ড জেড ইনটিমেটসকে ৫৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
আদেশে বলা হয়, পণ্য চালানটি যথাযথ এইচএস কোডে শ্রেণিবিন্যাস ও যথাযথ মূল্য শুল্কায়নপূর্বক পণ্য চালানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শুল্ক-করাদি, আরোপিত অর্থদণ্ড আদায়পূর্বক আমদানি কারকের অনুকূলে খালাসের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া আদেশে, শুল্ক-করাদি, আরোপিত অর্থদণ্ড ও বিমোচন জরিমানা ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পরিশোধের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আবেদন করলেও জেড অ্যান্ড জেড ইনটিমেটস শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে না। ফলে জরিমানা ছাড়াও তাদের শুল্ক বাবদ দিতে হবে প্রায় ২৮ কোটি টাকা।
গত ৬ জুলাই রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে ২৭ কোটি টাকার বিলাসবহুল রোলস রয়েস গাড়িটি জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। কাস্টমসের নথি অনুযায়ী, গত ১৭ মে গাড়িটি যুক্তরাজ্যের ভারটেক্স অটো লিমিটেড থেকে আমদানি করে বাংলাদেশের অনন্ত গ্রুপ ও হংকং নাগরিকের যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান জেড অ্যান্ড জেড ইনটিমেটস লিমিটেড।

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা বিলাসবহুল রোলস রয়েস গাড়ি শুল্কায়ন না করে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান জেড অ্যান্ড জেড ইনটিমেটসকে ৫৭ কোটি টাকা জরিমানা করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। এছাড়া ২৮ কোটি শুল্ক–কর পরিশোধ করতে হবে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটিকে। জরিমানাসহ মোট ৮৫ কোটি টাকা পরিশোধ করে গাড়িটি খালাস নেওয়ার আদেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
গত ১২ অক্টোবর চট্টগ্রামের কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমানের সই করা আদেশে ওই জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার এ তথ্য তিনি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
কাস্টমস আইন ১৯৬৯–এর ৯, ১০, ১৬, ১৮, ৮০ ও ১১১ ধারা লঙ্ঘন ও সেকশন ২ (এস) অনুযায়ী ‘চোরাচালান’ এবং সেকশন ৩২ (১) এ বর্ণিত অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় গত ১২ অক্টোবর চট্টগ্রামের কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমানের সই করা আদেশে জেড অ্যান্ড জেড ইনটিমেটসকে ৫৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
আদেশে বলা হয়, পণ্য চালানটি যথাযথ এইচএস কোডে শ্রেণিবিন্যাস ও যথাযথ মূল্য শুল্কায়নপূর্বক পণ্য চালানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শুল্ক-করাদি, আরোপিত অর্থদণ্ড আদায়পূর্বক আমদানি কারকের অনুকূলে খালাসের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া আদেশে, শুল্ক-করাদি, আরোপিত অর্থদণ্ড ও বিমোচন জরিমানা ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পরিশোধের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আবেদন করলেও জেড অ্যান্ড জেড ইনটিমেটস শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে না। ফলে জরিমানা ছাড়াও তাদের শুল্ক বাবদ দিতে হবে প্রায় ২৮ কোটি টাকা।
গত ৬ জুলাই রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে ২৭ কোটি টাকার বিলাসবহুল রোলস রয়েস গাড়িটি জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। কাস্টমসের নথি অনুযায়ী, গত ১৭ মে গাড়িটি যুক্তরাজ্যের ভারটেক্স অটো লিমিটেড থেকে আমদানি করে বাংলাদেশের অনন্ত গ্রুপ ও হংকং নাগরিকের যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান জেড অ্যান্ড জেড ইনটিমেটস লিমিটেড।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে