নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

ফেনীর শর্শদী স্টেশনে ট্রেন থামিয়ে তেল চুরির ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পর রেলের ১ হাজার ৫০০ লিটার চোরাই ডিজেলসহ তিনজনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। আজ শনিবার ভোরে শহরতলীর ফতেহপুর ওভারপাসের নিচ থেকে তেলসহ তাঁদের আটক করা হয়।
সকাল ১০টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন।
এ ঘটনায় আটককৃতরা হলেন ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের দক্ষিণ খানের বাড়ির মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ, উত্তর শর্শদী গ্রামের মৃত ফরিদ উদ্দিনের ছেলে মো. আবু তাহের এবং সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের বাদুরিয়া গ্রামের দুলালের ছেলে আব্দুর রহিম।
পুলিশ সুপার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শর্শদী ইউনিয়নের ফতেহপুর রেললাইন ওভার ব্রিজের নিচে পাকা রাস্তার ওপর একটি পিকআপ গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পিকআপে ৯টি ড্রামভর্তি ১ হাজার ৫০০ লিটার চোরাই ডিজেল তেল পাওয়া যায়। রেলওয়ের মালবাহী রেলের ড্রাইভারের সঙ্গে আঁতাত করে বিভিন্ন সময়ে এসব চোরাই ডিজেল তেল সংগ্রহ করতেন তাঁরা। পরে বিভিন্ন জায়গায় উচ্চ দামে বিক্রি করতেন।
এর আগে ৩১ মে আজকের পত্রিকায় ‘মাসে ৭৬ লাখ টাকার তেল চুরি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, অনুমোদিত কিছু স্টেশন ছাড়া অন্য কোথাও থামার নিয়ম না থাকলেও ফেনীর শর্শদী স্টেশনে ১০-১৫ মিনিট থামছে পণ্যবাহী ট্রেন। এসব ট্রেন থেকে প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট প্রতিদিন ৩ হাজার ২০০ লিটার তেল সরাচ্ছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। মাসিক হিসাবে যার দাম দাঁড়ায় প্রায় ৭৬ লাখ টাকা।
সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রামের গুডস পোর্ট ইয়ার্ড (সিজিপিওয়াই) থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে আটটি মালবাহী ট্রেন ছেড়ে যায়। যাওয়ার আগে প্রতিটি ট্রেনে তেল ভর্তি করা হয়। ট্রেনের গার্ড, চালক ও সিজিপিওয়াইয়ের কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে অনেক ট্রেনে বাড়তি তেল ভরা হয়। তারপর শর্শদী স্টেশনের আউটার সিগন্যালের মূল পয়েন্টে থামার পরপরই ট্রেনের ইঞ্জিনে পাইপ লাগিয়ে ড্রামে করে তেল চুরি করে সিন্ডিকেটটি।

ফেনীর শর্শদী স্টেশনে ট্রেন থামিয়ে তেল চুরির ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পর রেলের ১ হাজার ৫০০ লিটার চোরাই ডিজেলসহ তিনজনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। আজ শনিবার ভোরে শহরতলীর ফতেহপুর ওভারপাসের নিচ থেকে তেলসহ তাঁদের আটক করা হয়।
সকাল ১০টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন।
এ ঘটনায় আটককৃতরা হলেন ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের দক্ষিণ খানের বাড়ির মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ, উত্তর শর্শদী গ্রামের মৃত ফরিদ উদ্দিনের ছেলে মো. আবু তাহের এবং সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের বাদুরিয়া গ্রামের দুলালের ছেলে আব্দুর রহিম।
পুলিশ সুপার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শর্শদী ইউনিয়নের ফতেহপুর রেললাইন ওভার ব্রিজের নিচে পাকা রাস্তার ওপর একটি পিকআপ গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পিকআপে ৯টি ড্রামভর্তি ১ হাজার ৫০০ লিটার চোরাই ডিজেল তেল পাওয়া যায়। রেলওয়ের মালবাহী রেলের ড্রাইভারের সঙ্গে আঁতাত করে বিভিন্ন সময়ে এসব চোরাই ডিজেল তেল সংগ্রহ করতেন তাঁরা। পরে বিভিন্ন জায়গায় উচ্চ দামে বিক্রি করতেন।
এর আগে ৩১ মে আজকের পত্রিকায় ‘মাসে ৭৬ লাখ টাকার তেল চুরি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, অনুমোদিত কিছু স্টেশন ছাড়া অন্য কোথাও থামার নিয়ম না থাকলেও ফেনীর শর্শদী স্টেশনে ১০-১৫ মিনিট থামছে পণ্যবাহী ট্রেন। এসব ট্রেন থেকে প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট প্রতিদিন ৩ হাজার ২০০ লিটার তেল সরাচ্ছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। মাসিক হিসাবে যার দাম দাঁড়ায় প্রায় ৭৬ লাখ টাকা।
সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রামের গুডস পোর্ট ইয়ার্ড (সিজিপিওয়াই) থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে আটটি মালবাহী ট্রেন ছেড়ে যায়। যাওয়ার আগে প্রতিটি ট্রেনে তেল ভর্তি করা হয়। ট্রেনের গার্ড, চালক ও সিজিপিওয়াইয়ের কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে অনেক ট্রেনে বাড়তি তেল ভরা হয়। তারপর শর্শদী স্টেশনের আউটার সিগন্যালের মূল পয়েন্টে থামার পরপরই ট্রেনের ইঞ্জিনে পাইপ লাগিয়ে ড্রামে করে তেল চুরি করে সিন্ডিকেটটি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে