নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে অশ্লীল কথোপকথনের রেকর্ড ফাঁসের রাতেই ঢাকা ছাড়েন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। গতকাল সোমবার গোপনে চট্টগ্রামে পাঁচতারকা হোটেল রেডিসন ব্লুতে উঠেছিলেন তিনি। ওই দিন রাতেই কাউকে কিছু না জানিয়ে হোটেল ছেড়ে চলে গেছেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে কোনো প্রটোকল ছিল না বলে হোটেল সূত্র নিশ্চিত করেছে।
রেডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলের ব্যবস্থাপক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা রাফাত সালমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, উনি দুপুর (সোমবার) নাগাদ আমাদের হোটেলে এসেছিলেন। ওনার জন্য একটি রুম বুকড (অগ্রিম ভাড়া) করা ছিল। সেখানেই ওঠেন তিনি। তবে মধ্যরাতের আগে কাউকে কিছু না বলে তিনি চলে যান। আমাদের অভ্যর্থনার দায়িত্বে থাকা কেউই ওনার হোটেল ছাড়ার বিষয়টি জানতেন না।
হোটেল সূত্র বলেছে, ডা. মুরাদ হাসান হোটেলের এক রাতের বিল আগেই পরিশোধ করেছিলেন। রাতে হোটেল থেকে বের হওয়ার সময় নিয়মানুযায়ী চেকআউট করার কথা থাকলেও তিনি তা না করেই চলে গেছেন। তবে এক বন্ধুর অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীর যাওয়ার কথা ছিল।
জানা যায়, তথ্য প্রতিমন্ত্রীর চট্টগ্রামে আসার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোকেও অবহিত করা হয়নি। এ বিষয়ে অবগত না থাকায় তাঁকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কোনো প্রটোকলও দেওয়া হয়নি।
জানা গেছে, গতকাল সোমবার দুপুরে বিমানে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান। তবে বিমানবন্দরে দায়িত্বরতদের এ বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নেজাম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, সিটি এসবির পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রীর প্রটোকলের বিষয়টি জানানো হয়নি। এ জন্য আমরা ওনার কোনো প্রটোকলের দায়িত্বে ছিলাম না।
চট্টগ্রাম পুলিশের বিশেষ শাখার একটি সূত্র আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রতিমন্ত্রী ভোররাত নাগাদ চট্টগ্রাম ছেড়ে চলে যান। এরপর তাঁর কোনো খোঁজ মেলেনি।

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে অশ্লীল কথোপকথনের রেকর্ড ফাঁসের রাতেই ঢাকা ছাড়েন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। গতকাল সোমবার গোপনে চট্টগ্রামে পাঁচতারকা হোটেল রেডিসন ব্লুতে উঠেছিলেন তিনি। ওই দিন রাতেই কাউকে কিছু না জানিয়ে হোটেল ছেড়ে চলে গেছেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে কোনো প্রটোকল ছিল না বলে হোটেল সূত্র নিশ্চিত করেছে।
রেডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলের ব্যবস্থাপক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা রাফাত সালমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, উনি দুপুর (সোমবার) নাগাদ আমাদের হোটেলে এসেছিলেন। ওনার জন্য একটি রুম বুকড (অগ্রিম ভাড়া) করা ছিল। সেখানেই ওঠেন তিনি। তবে মধ্যরাতের আগে কাউকে কিছু না বলে তিনি চলে যান। আমাদের অভ্যর্থনার দায়িত্বে থাকা কেউই ওনার হোটেল ছাড়ার বিষয়টি জানতেন না।
হোটেল সূত্র বলেছে, ডা. মুরাদ হাসান হোটেলের এক রাতের বিল আগেই পরিশোধ করেছিলেন। রাতে হোটেল থেকে বের হওয়ার সময় নিয়মানুযায়ী চেকআউট করার কথা থাকলেও তিনি তা না করেই চলে গেছেন। তবে এক বন্ধুর অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীর যাওয়ার কথা ছিল।
জানা যায়, তথ্য প্রতিমন্ত্রীর চট্টগ্রামে আসার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোকেও অবহিত করা হয়নি। এ বিষয়ে অবগত না থাকায় তাঁকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কোনো প্রটোকলও দেওয়া হয়নি।
জানা গেছে, গতকাল সোমবার দুপুরে বিমানে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান। তবে বিমানবন্দরে দায়িত্বরতদের এ বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নেজাম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, সিটি এসবির পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রীর প্রটোকলের বিষয়টি জানানো হয়নি। এ জন্য আমরা ওনার কোনো প্রটোকলের দায়িত্বে ছিলাম না।
চট্টগ্রাম পুলিশের বিশেষ শাখার একটি সূত্র আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রতিমন্ত্রী ভোররাত নাগাদ চট্টগ্রাম ছেড়ে চলে যান। এরপর তাঁর কোনো খোঁজ মেলেনি।

রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির কাছ থেকে নেওয়া বিপুল অঙ্কের ঋণ পরিশোধ না করেই ব্যাংকের কাছে বন্ধক রাখা সম্পত্তি গোপনে ভেঙে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জভিত্তিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মেসার্স জয়নব ট্রেডিং লিমিটেডের বিরুদ্ধে।
২ ঘণ্টা আগে
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ফেনী জেনারেল হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডের এক পাশে সন্তান প্রসবের জন্য অস্ত্রোপচার কক্ষ (ওটি)। অন্য পাশের একটি কক্ষে রাখা হয় প্রসূতিদের। কিন্তু প্রসূতি ও নবজাতকদের সংক্রমণ ঝুঁকিতে ফেলে স্পর্শকাতর এই ওয়ার্ডের মধ্যেই নিয়মিত রান্নাবান্না ও খাওয়া-দাওয়া করছেন হাসপাতালের নার্সরা।
৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকা শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণে নির্বিঘ্নে যান চলাচলের লক্ষ্য নিয়ে ৪৬.৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণকাজ ১৪ বছর ধরে চলমান। ২০২৩ ও ২০২৪ সালে আংশিকভাবে যান চলাচলের জন্য চালু হলেও নানা জটিলতায় প্রকল্পের কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি।
৩ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-আংশিক সাতকানিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদের দেড় বছরের ব্যবধানে সম্পদ ২১ কোটি থেকে বেড়ে ৪১ কোটির ঘরে পৌঁছেছে। হোটেল ব্যবসা ও দোকানপাট ভাড়া দিয়ে এক বছর আগেও তিনি বার্ষিক করতেন ১ কোটি টাকার ওপরে।
৩ ঘণ্টা আগে