হুমায়ুন মাসুদ, চট্টগ্রাম

ঈদুল আজহার আগে গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নগরীর পশুর হাটগুলোতে ভালো বেচাকেনা হয়েছে। গত কয়েক দিন অলস সময় পার করলেও এদিন ক্রেতাদের সঙ্গে দর-কষাকষিতে ব্যস্ত সময় পার করেন বিক্রেতারা।
দুপুরে নগরের সাগরিকা পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, বাজারে ক্রেতার আনাগোনা বেড়েছে। গরু বেচাকেনাও হচ্ছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বুধবার বিকেল থেকেই বেচাকেনা বেড়েছে।
এর আগে সকালে নগরের বিবিরহাট বাজারে গিয়েও দেখা গেছে একই চিত্র। তবে ক্রেতার ভিড় অনুযায়ী বাজারে গরু বেচাকেনা কম। গরুর দামও বেশি হওয়ায় অনেকে শেষদিকে গরুর দাম কমতে পারে সেই আশায় আছেন।
বিবির হাটে গরু নিয়ে এসেছেন কুষ্টিয়ার আবু জাফর। আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘চার দিন আগে ২১টি গরু নিয়ে হাটে এসেছিলাম। প্রথম তিন দিন একটা গরুও বিক্রি করতে পারিনি। গতকাল বিকেলে ২টা গরু বিক্রি করেছি। আশা করছি, আজ আর কালকের মধ্যেই সব গরু বিক্রি করতে পারব। বাজারে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা একটু বেশি।’
এদিকে বাজার জমে উঠলেও ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন, গতবারের তুলনায় এবার গরুর দাম অনেক বেশি। গতবার যে গরু ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে, সেটি এবার ১ লাখ টাকা দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না। বাজারে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর দাম বেশি বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, দুই থেকে আড়াই মন ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকায়। তিন চার মন ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ২০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকায় এবং ৫ থেকে ৬ মণ ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৮০ হাজার হাজার থেকে ২ লাখ টাকায়।
সাগরিকা বাজারে গরু কিনতে এসেছেন হালিশহর এলাকার বাসিন্দা মো. ইসমাইল। তিনি বলেন, ‘বাজারে অনেক গরু। এরপরও ব্যাপারীরা দাম কমাচ্ছেন না। কয়েকটা গরু দেখেছি, কিন্তু এখনো কেনা হয়নি। ৩ থেকে সাড়ে ৩ মণ ওজনের গরু ১ লাখ ২০-৩০ হাজার টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না।’
স্থায়ী তিনটিসহ চট্টগ্রাম নগরীতে এবার সাতটি পশুর হাট ইজারা দিয়েছে সিটি করপোরেশন। গতবারের মতো এবারও এসব পশুর হাটে গরুর সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। কুষ্টিয়া, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুমিল্লা, নাটোরসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যাপারীরা গরু নিয়ে এসেছেন। এখনো ট্রাকে ট্রাকে গরু আসছে।
কুষ্টিয়া থেকে আসা গরু নিয়ে আসা মিলন হোসেন বলেন, ‘অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার গো খাদ্যের দাম অনেক বেশি। সেই হিসাবে একটি গরুর পেছনে আমাদের অনেক টাকা খরচ হয়েছে। এ কারণে এবার গরুর দাম একটু বেশি। তাই দাম কমার সম্ভাবনা নেই।’
সাগরিকা বাজারের ইজারাদার এরশাদ মামুন বলেন, পশুর দাম একটু বেশি হওয়ায় অনেকে ভাবছেন হয়তো শেষদিকে দাম কমবে। কিন্তু এবার সেই সম্ভাবনা কম। কারণ বাজারে যে পরিমাণ গরু আসছে, তাতে সবাই কেনা শুরু করলে গরুর সংকট তৈরি হতে পারে।

ঈদুল আজহার আগে গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নগরীর পশুর হাটগুলোতে ভালো বেচাকেনা হয়েছে। গত কয়েক দিন অলস সময় পার করলেও এদিন ক্রেতাদের সঙ্গে দর-কষাকষিতে ব্যস্ত সময় পার করেন বিক্রেতারা।
দুপুরে নগরের সাগরিকা পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, বাজারে ক্রেতার আনাগোনা বেড়েছে। গরু বেচাকেনাও হচ্ছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বুধবার বিকেল থেকেই বেচাকেনা বেড়েছে।
এর আগে সকালে নগরের বিবিরহাট বাজারে গিয়েও দেখা গেছে একই চিত্র। তবে ক্রেতার ভিড় অনুযায়ী বাজারে গরু বেচাকেনা কম। গরুর দামও বেশি হওয়ায় অনেকে শেষদিকে গরুর দাম কমতে পারে সেই আশায় আছেন।
বিবির হাটে গরু নিয়ে এসেছেন কুষ্টিয়ার আবু জাফর। আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘চার দিন আগে ২১টি গরু নিয়ে হাটে এসেছিলাম। প্রথম তিন দিন একটা গরুও বিক্রি করতে পারিনি। গতকাল বিকেলে ২টা গরু বিক্রি করেছি। আশা করছি, আজ আর কালকের মধ্যেই সব গরু বিক্রি করতে পারব। বাজারে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা একটু বেশি।’
এদিকে বাজার জমে উঠলেও ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন, গতবারের তুলনায় এবার গরুর দাম অনেক বেশি। গতবার যে গরু ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে, সেটি এবার ১ লাখ টাকা দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না। বাজারে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর দাম বেশি বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, দুই থেকে আড়াই মন ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকায়। তিন চার মন ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ২০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকায় এবং ৫ থেকে ৬ মণ ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৮০ হাজার হাজার থেকে ২ লাখ টাকায়।
সাগরিকা বাজারে গরু কিনতে এসেছেন হালিশহর এলাকার বাসিন্দা মো. ইসমাইল। তিনি বলেন, ‘বাজারে অনেক গরু। এরপরও ব্যাপারীরা দাম কমাচ্ছেন না। কয়েকটা গরু দেখেছি, কিন্তু এখনো কেনা হয়নি। ৩ থেকে সাড়ে ৩ মণ ওজনের গরু ১ লাখ ২০-৩০ হাজার টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না।’
স্থায়ী তিনটিসহ চট্টগ্রাম নগরীতে এবার সাতটি পশুর হাট ইজারা দিয়েছে সিটি করপোরেশন। গতবারের মতো এবারও এসব পশুর হাটে গরুর সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। কুষ্টিয়া, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুমিল্লা, নাটোরসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যাপারীরা গরু নিয়ে এসেছেন। এখনো ট্রাকে ট্রাকে গরু আসছে।
কুষ্টিয়া থেকে আসা গরু নিয়ে আসা মিলন হোসেন বলেন, ‘অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার গো খাদ্যের দাম অনেক বেশি। সেই হিসাবে একটি গরুর পেছনে আমাদের অনেক টাকা খরচ হয়েছে। এ কারণে এবার গরুর দাম একটু বেশি। তাই দাম কমার সম্ভাবনা নেই।’
সাগরিকা বাজারের ইজারাদার এরশাদ মামুন বলেন, পশুর দাম একটু বেশি হওয়ায় অনেকে ভাবছেন হয়তো শেষদিকে দাম কমবে। কিন্তু এবার সেই সম্ভাবনা কম। কারণ বাজারে যে পরিমাণ গরু আসছে, তাতে সবাই কেনা শুরু করলে গরুর সংকট তৈরি হতে পারে।

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
৪১ মিনিট আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
২ ঘণ্টা আগে