প্রতিনিধি, রাঙামাটি

রাঙামাটির রাজবন বিহারে নির্মিত হচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ প্যাগোডা (জাদি, চৈত্য)। এর নামকরণ করা হয়েছে রাজবন বিহার বিশ্ব শান্তি প্যাগোডা। নির্মাণকাজ শেষ হলে এ প্যাগোডাটি বৌদ্ধ বিশ্বে সুউচ্চ প্যাগোডার তালিকায় স্থান করে নেবে। এটি নির্মাণের ব্যয় ধরা হয়েছে দেড় শ কোটি টাকা। নির্মাণ সময়কাল ধরা হয়েছে ১২ বছর। সে হিসেবে এটির নির্মাণকাজ শেষ হবে ২০২৬ সালে। পুণ্যার্থীদের দানের টাকায় এটি নির্মিত হচ্ছে।
রাজবন বিহার কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে প্যাগোডাটি হবে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্যাগোডা এবং বিশ্বে তৃতীয় সুউচ্চ প্যাগোডা। বাইরে থেকে প্যাগোডাটি কত তলা তা বোঝা যাবে না। ভেতরে প্রবেশ করলে বোঝা যাবে।
এ প্যাগোডায় নিচের তলায় থাকবে ৪টি বুদ্ধমূর্তি। এ মূর্তিগুলো হচ্ছে গৌতম বুদ্ধ, ককুসন্ধ, কোনাগমন, বুদ্ধ এবং কশ্যপ বুদ্ধের মূর্তি। এ তলাটি ভাবনা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এখানে এক সাথে বসে ২ হাজারের ওপরে মানুষ ভাবনা করতে পারবে। দ্বিতীয় তলায় বাইরে থাকবে ৫০ ফুট উচ্চতা একটি বুদ্ধমূর্তি। এ তলায় গৌতম বুদ্ধের ধাতু এবং বনভান্তরের মমি সংরক্ষিত থাকবে। প্যাগোডাটির কাজ সম্পন্ন হলে ভেতরের সজ্জার কিছু নতুনত্ব আসতে পারে জানিয়েছে বিহার কর্তৃপক্ষ।
বন বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি গৌতম দেওয়ান বলেন, রাজবন বিহারের অধ্যক্ষ প্রয়াত বনভান্তরের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে ২০১৪ সালে ৮ আগস্ট থেকে প্যাগোডা নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
বনভান্তরের অন্যতম শিষ্য ভদন্ত বিমলানন্দ মহাস্থবির বলেন, এ প্যাগোডাটি নির্মাণ হলে শুধু রাঙামাটির নাম নয় পুরো বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল হবে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ প্যাগোডাটি দেখতে আসবে। সম্পূর্ণ দানের টাকায় এ প্যাগোডাটি নির্মিত হচ্ছে। অনেকে প্রকৌশলীদের পরামর্শ নিয়ে নির্মাণ সামগ্রী কিনে দান করছেন। কেউ অর্থ দান করছেন।
রাজবন বিহার পরিচালনা কমিটির সদস্য বিজয়গিরি চাকমা বলেন, বিশাল এ কর্মকাণ্ডে লাখ লাখ মানুষ সম্পৃক্ত হয়েছেন। ফলে এ কাজটি সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এর কাজ শেষ হলে বাংলাদেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে।
প্যাগোডাটির নির্মাণকাজ তদারকি করে যাচ্ছেন তিন পার্বত্য জেলার বৌদ্ধ ধর্ম অনুসারী প্রকৌশলীরা। বিনিময়ে তারা কোন অর্থ নিচ্ছেন না।
প্রধান প্রকৌশলী তৃপ্তি শংকর চাকমা বলেন, গ্রাউন্ড ফ্লোরের উচ্চতা হবে ১৪ ফুট। এরপররে ফ্লোরের উচ্চতা ২৪ ফুট। সর্বশেষ প্রযুক্তির নির্মাণ সামগ্রী আর শতভাগ গুণগতমান সম্পন্ন কাঁচামাল ব্যবহার করা হচ্ছে এ প্যাগোডায়। আমাকে সহযোগিতা করছেন অন্যান্য বৌদ্ধ ধর্ম অনুসারী প্রকৌশলীরা।
প্যাগোডা নির্মাণের প্রধান শ্রমিক সাইফুল ইসলাম বলেন, শতাধিক শ্রমিক প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে দিনরাত কাজ করছে। কোথাও কোন সমস্যা হচ্ছে না।
বিমলানন্দ মহাস্থবির বলেন, বৌদ্ধ বিশ্বে সর্ববৃহৎ প্যাগোডার স্থানটি দখল করে আছে থাইল্যান্ডের নাক্রন পাথম প্যাগোডাটি। যার উচ্চতা ১২০ মিটার। এরপরের স্থানটি দখল করে আছে মিয়ানমারের শোয়েডাগন প্যাগোডাটি। যার উচ্চতা ১০৮ মিটার। এর পরেরটি নির্মাণ হচ্ছে বাংলাদেশের রাঙামাটিতে। যার দৈর্ঘ্য ৭০ মিটার, প্রস্থ ৭০ মিটার এবং উচ্চতা ১০৬ মিটার। বাংলাদেশের এত বড় বৌদ্ধ প্যাগোডা এখনো পর্যন্ত গড়ে ওঠেনি এটি হবে দেশের সর্বপ্রথম।

রাঙামাটির রাজবন বিহারে নির্মিত হচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ প্যাগোডা (জাদি, চৈত্য)। এর নামকরণ করা হয়েছে রাজবন বিহার বিশ্ব শান্তি প্যাগোডা। নির্মাণকাজ শেষ হলে এ প্যাগোডাটি বৌদ্ধ বিশ্বে সুউচ্চ প্যাগোডার তালিকায় স্থান করে নেবে। এটি নির্মাণের ব্যয় ধরা হয়েছে দেড় শ কোটি টাকা। নির্মাণ সময়কাল ধরা হয়েছে ১২ বছর। সে হিসেবে এটির নির্মাণকাজ শেষ হবে ২০২৬ সালে। পুণ্যার্থীদের দানের টাকায় এটি নির্মিত হচ্ছে।
রাজবন বিহার কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে প্যাগোডাটি হবে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্যাগোডা এবং বিশ্বে তৃতীয় সুউচ্চ প্যাগোডা। বাইরে থেকে প্যাগোডাটি কত তলা তা বোঝা যাবে না। ভেতরে প্রবেশ করলে বোঝা যাবে।
এ প্যাগোডায় নিচের তলায় থাকবে ৪টি বুদ্ধমূর্তি। এ মূর্তিগুলো হচ্ছে গৌতম বুদ্ধ, ককুসন্ধ, কোনাগমন, বুদ্ধ এবং কশ্যপ বুদ্ধের মূর্তি। এ তলাটি ভাবনা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এখানে এক সাথে বসে ২ হাজারের ওপরে মানুষ ভাবনা করতে পারবে। দ্বিতীয় তলায় বাইরে থাকবে ৫০ ফুট উচ্চতা একটি বুদ্ধমূর্তি। এ তলায় গৌতম বুদ্ধের ধাতু এবং বনভান্তরের মমি সংরক্ষিত থাকবে। প্যাগোডাটির কাজ সম্পন্ন হলে ভেতরের সজ্জার কিছু নতুনত্ব আসতে পারে জানিয়েছে বিহার কর্তৃপক্ষ।
বন বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি গৌতম দেওয়ান বলেন, রাজবন বিহারের অধ্যক্ষ প্রয়াত বনভান্তরের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে ২০১৪ সালে ৮ আগস্ট থেকে প্যাগোডা নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
বনভান্তরের অন্যতম শিষ্য ভদন্ত বিমলানন্দ মহাস্থবির বলেন, এ প্যাগোডাটি নির্মাণ হলে শুধু রাঙামাটির নাম নয় পুরো বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল হবে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ প্যাগোডাটি দেখতে আসবে। সম্পূর্ণ দানের টাকায় এ প্যাগোডাটি নির্মিত হচ্ছে। অনেকে প্রকৌশলীদের পরামর্শ নিয়ে নির্মাণ সামগ্রী কিনে দান করছেন। কেউ অর্থ দান করছেন।
রাজবন বিহার পরিচালনা কমিটির সদস্য বিজয়গিরি চাকমা বলেন, বিশাল এ কর্মকাণ্ডে লাখ লাখ মানুষ সম্পৃক্ত হয়েছেন। ফলে এ কাজটি সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এর কাজ শেষ হলে বাংলাদেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে।
প্যাগোডাটির নির্মাণকাজ তদারকি করে যাচ্ছেন তিন পার্বত্য জেলার বৌদ্ধ ধর্ম অনুসারী প্রকৌশলীরা। বিনিময়ে তারা কোন অর্থ নিচ্ছেন না।
প্রধান প্রকৌশলী তৃপ্তি শংকর চাকমা বলেন, গ্রাউন্ড ফ্লোরের উচ্চতা হবে ১৪ ফুট। এরপররে ফ্লোরের উচ্চতা ২৪ ফুট। সর্বশেষ প্রযুক্তির নির্মাণ সামগ্রী আর শতভাগ গুণগতমান সম্পন্ন কাঁচামাল ব্যবহার করা হচ্ছে এ প্যাগোডায়। আমাকে সহযোগিতা করছেন অন্যান্য বৌদ্ধ ধর্ম অনুসারী প্রকৌশলীরা।
প্যাগোডা নির্মাণের প্রধান শ্রমিক সাইফুল ইসলাম বলেন, শতাধিক শ্রমিক প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে দিনরাত কাজ করছে। কোথাও কোন সমস্যা হচ্ছে না।
বিমলানন্দ মহাস্থবির বলেন, বৌদ্ধ বিশ্বে সর্ববৃহৎ প্যাগোডার স্থানটি দখল করে আছে থাইল্যান্ডের নাক্রন পাথম প্যাগোডাটি। যার উচ্চতা ১২০ মিটার। এরপরের স্থানটি দখল করে আছে মিয়ানমারের শোয়েডাগন প্যাগোডাটি। যার উচ্চতা ১০৮ মিটার। এর পরেরটি নির্মাণ হচ্ছে বাংলাদেশের রাঙামাটিতে। যার দৈর্ঘ্য ৭০ মিটার, প্রস্থ ৭০ মিটার এবং উচ্চতা ১০৬ মিটার। বাংলাদেশের এত বড় বৌদ্ধ প্যাগোডা এখনো পর্যন্ত গড়ে ওঠেনি এটি হবে দেশের সর্বপ্রথম।

অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এই গণভোট শত বছরের দিকনির্দেশনা দেবে। জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে না আসে, আয়নাঘরের মতো নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি না হয়, লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধ হয়।’
৭ মিনিট আগে
পারিবারিক কলহের জেরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করে স্ত্রীর নামে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন রাজধানীর উত্তরায় বসবাসরত এক পাকিস্তানি নাগরিক। পুলিশ জানায়, ওই ব্যক্তি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন বলে ফোনে জানিয়েছিলেন।
১০ মিনিট আগে
কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে