প্রতিনিধি, (উখিয়া) কক্সবাজার

ভারতের দিল্লির উত্তর প্রদেশ থেকে বাংলাদেশে আসা দুই পরিবারের ৭ জন রোহিঙ্গাকে কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আটক করেছে ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। আজ মঙ্গলবার বিকেলে কুতুপালংয়ের ৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জি ব্লক থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, রাখাইন প্রদেশের বুচিডং এলাকার মৃত মকবুল আহম্মেদের পুত্র মোহাম্মদ আমিন (৩৫), তাঁর স্ত্রী খদিজা বেগম (২৭), মেয়ে বিবি হাফছা (১২) ও একই এলাকার ছলিম মাহামুদের পুত্র আব্দুর রহমান (২৭), তাঁর স্ত্রী সামজিদা (২৫) এবং ছেলে মোহাম্মদ ওমর (৫), মেয়ে ইয়াছমিন ফাতেমা (৮)।
এপিবিএন সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালে মিয়ানমার থেকে ভারতে যায় মোহাম্মদ আমিন ও আব্দুর রহমান। সেখানে ১৫ বছর আগে ভারত যাওয়া রহিমা খাতুনের দুই মেয়ে খদিজা ও সামজিদার সঙ্গে তাঁদের বিয়ে হয়। ২০১৭ সালের আগস্টে নতুনভাবে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ আসতে শুরু করলে সে সুযোগে শাশুড়ি রহিমা খাতুন ১ মেয়ে ও ৩ ছেলেকে নিয়ে ভারত থেকে পালিয়ে উখিয়ার রোহিঙ্গার শিবিরে আসেন। কিন্তু পরিবার নিয়ে ভারতেই থেকে যান আমিন ও আব্দুর রহমান। দিল্লির উত্তর প্রদেশে ইউএইনএইচসিআর পরিচালিত মুরাদাবাদের বিকাশ পুরি শরণার্থীশিবিরে নিবন্ধিত হয়েও কোন রকম রেশন ও সহযোগিতা পাচ্ছিলেন না তাঁরা।
সম্প্রতি শাশুড়ি রহিমার সঙ্গে যোগাযোগ করে ২৮ জুন ভারতের শিবির থেকে পালিয়ে সিলেটের মৌলভীবাজার সীমান্ত দিয়ে ৩০ জুন বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেন তাঁরা। পরে ১ জুলাই থেকে ৫ দিন চট্টগ্রামে থাকার পর গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় কুতুপালং বাজারে পৌঁছান। এরপর রহিমা খাতুনের বাড়িতে নিয়ে যায় শ্যালক রোকন উল্লাহ। উখিয়ায় স্বজনের বাড়িতে আসতে সক্ষম হলেও অবৈধ অনুপ্রবেশের গোপন খবর পেয়ে আজ বিকেলে পরিবার দুইটিকে আটক করে এপিবিএন সদস্যরা।
১৪ এপিবিএন এর অধিনায়ক ও পুলিশ সুপার নাঈমুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, সংশ্লিষ্ট ক্যাম্পের ইনচার্জ তাঁদের ক্যাম্প কার্যালয়ে নিয়ে যান। পরে তাঁদের কুতুপালং নিবন্ধিত শরণার্থীশিবিরের আওতাধীন ট্রানজিট সেন্টারে পাঠানো হয়।

ভারতের দিল্লির উত্তর প্রদেশ থেকে বাংলাদেশে আসা দুই পরিবারের ৭ জন রোহিঙ্গাকে কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আটক করেছে ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। আজ মঙ্গলবার বিকেলে কুতুপালংয়ের ৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জি ব্লক থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, রাখাইন প্রদেশের বুচিডং এলাকার মৃত মকবুল আহম্মেদের পুত্র মোহাম্মদ আমিন (৩৫), তাঁর স্ত্রী খদিজা বেগম (২৭), মেয়ে বিবি হাফছা (১২) ও একই এলাকার ছলিম মাহামুদের পুত্র আব্দুর রহমান (২৭), তাঁর স্ত্রী সামজিদা (২৫) এবং ছেলে মোহাম্মদ ওমর (৫), মেয়ে ইয়াছমিন ফাতেমা (৮)।
এপিবিএন সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালে মিয়ানমার থেকে ভারতে যায় মোহাম্মদ আমিন ও আব্দুর রহমান। সেখানে ১৫ বছর আগে ভারত যাওয়া রহিমা খাতুনের দুই মেয়ে খদিজা ও সামজিদার সঙ্গে তাঁদের বিয়ে হয়। ২০১৭ সালের আগস্টে নতুনভাবে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ আসতে শুরু করলে সে সুযোগে শাশুড়ি রহিমা খাতুন ১ মেয়ে ও ৩ ছেলেকে নিয়ে ভারত থেকে পালিয়ে উখিয়ার রোহিঙ্গার শিবিরে আসেন। কিন্তু পরিবার নিয়ে ভারতেই থেকে যান আমিন ও আব্দুর রহমান। দিল্লির উত্তর প্রদেশে ইউএইনএইচসিআর পরিচালিত মুরাদাবাদের বিকাশ পুরি শরণার্থীশিবিরে নিবন্ধিত হয়েও কোন রকম রেশন ও সহযোগিতা পাচ্ছিলেন না তাঁরা।
সম্প্রতি শাশুড়ি রহিমার সঙ্গে যোগাযোগ করে ২৮ জুন ভারতের শিবির থেকে পালিয়ে সিলেটের মৌলভীবাজার সীমান্ত দিয়ে ৩০ জুন বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেন তাঁরা। পরে ১ জুলাই থেকে ৫ দিন চট্টগ্রামে থাকার পর গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় কুতুপালং বাজারে পৌঁছান। এরপর রহিমা খাতুনের বাড়িতে নিয়ে যায় শ্যালক রোকন উল্লাহ। উখিয়ায় স্বজনের বাড়িতে আসতে সক্ষম হলেও অবৈধ অনুপ্রবেশের গোপন খবর পেয়ে আজ বিকেলে পরিবার দুইটিকে আটক করে এপিবিএন সদস্যরা।
১৪ এপিবিএন এর অধিনায়ক ও পুলিশ সুপার নাঈমুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, সংশ্লিষ্ট ক্যাম্পের ইনচার্জ তাঁদের ক্যাম্প কার্যালয়ে নিয়ে যান। পরে তাঁদের কুতুপালং নিবন্ধিত শরণার্থীশিবিরের আওতাধীন ট্রানজিট সেন্টারে পাঠানো হয়।

গণ-অভ্যুত্থানের পরও এই গ্যাস সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন অজুহাতে নতুন গ্যাস-সংযোগ বন্ধ থাকলেও তিতাস বিদ্যমান সংযোগগুলোতেও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এমনকি গ্যাস পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও সিন্ডিকেট ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা দখল নিতে করপোরেট প্রতিষ্ঠান কৃত্রিমভাবে গ্যাস-সংকট তৈরি করেছে।
৪৪ মিনিট আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ট্রাকচাপায় তাজুল ইসলাম (৪৭) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের সবুজপাড়া এলাকায় কুমিল্লা-মিরপুর সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
সোমবার রাতে নবাবপুর মার্কেট থেকে কাজ শেষে হেঁটে বাসায় ফিরছিলেন ইব্রাহিম। জুরাইন বালুর মাঠ এলাকায় আসার পর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন। খবর পেয়ে রাস্তা থেকে ইব্রাহিমকে উদ্ধার করে প্রথমে আদ-দ্বীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগে
হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মাওলানা মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকার সম্পদ আছে। তাঁর আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা, কৃষি এবং ব্যাংক আমানতের মুনাফা। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
২ ঘণ্টা আগে