কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় স্বামী-স্ত্রীসহ ভূয়া ডিবি পুলিশের পরিচয়দানকারী সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের মধ্যে দুজন নারী ও পাঁচজন পুরুষ। এ সময় ভুয়া ডিবি চক্র থেকে পোষাক হ্যান্ডকাপ ও গুলি জব্দ করা হয়।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা পুলিশের ডিবি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. আবদুল মান্নান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গ্রেপ্তার চক্রটি গত ১৩ অক্টোবর সকালে কুমিল্লা নগরীর চকবাজারে সাইফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে সুকৌশলে মোবাইল সেট হাতে নেয়। পরে সেই মোবাইল সেট থেকে কৌশলে সব নাম্বার কপি করে নিজেদের মোবাইলে নিয়ে নেয়। পরে বিভিন্ন নাম্বারে কল করে নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে সাইফুল ইসলাম ইয়াবাসহ ধরা পড়েছে বলে জানায়। তাকে ছাড়িয়ে নিতে ৩ লাখ টাকাও দাবী করা হয়। বিষয়টি তার স্বজনরা ৯৯৯ নাম্বারে জানিয়ে পুলিশের সহযোগিতা চায়। কুমিল্লা জেলা পুলিশের ডিবি একটি টিম বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করে।
এদিকে সাইফুল ইসলাম এ নিয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করলে আসামিদের ধরতে মাঠে নামে ডিবি পুলিশ। সোমবার রাতে কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গা থেকে দুই নারীসহ এ চক্রের সাতজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তাররা হলেন—ব্রাহ্মনবাড়ীয়া জেলার কালিউতা গ্রামের সবুজ মিয়া (২৭) তার স্ত্রী আখিনুর আক্তার, একই গ্রামের মো. রতন মিয়া (২৮), কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার দারোরা গ্রামের মো. ওসমান গনি (৩৫), তার স্ত্রী মোসা. সোনিয়া বেগম (২৯), কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলা বড় আলমপুর গ্রামের মো. মাঈন উদ্দিন ও বান্দরবান জেলার আমতলীপাড়া গ্রামের মো. আরিফুল ইসলাম (২০)।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ সুপার জানান, ডিবি পুলিশের পরিচয়ে তারা বিভিন্নস্থানে অপকর্ম করে আসছিল। এছাড়াও করোনাকালীন ভুয়া ডাক্তার সেজে করোনা সার্টিফিকেট জালিয়াতিও করেছে চক্রটি।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) কাজী আবদুর রহীম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. আশফাকুজ্জান, গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেশ বড়ুয়াসহ অন্যান্য পুলিশের কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লায় স্বামী-স্ত্রীসহ ভূয়া ডিবি পুলিশের পরিচয়দানকারী সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের মধ্যে দুজন নারী ও পাঁচজন পুরুষ। এ সময় ভুয়া ডিবি চক্র থেকে পোষাক হ্যান্ডকাপ ও গুলি জব্দ করা হয়।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা পুলিশের ডিবি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. আবদুল মান্নান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গ্রেপ্তার চক্রটি গত ১৩ অক্টোবর সকালে কুমিল্লা নগরীর চকবাজারে সাইফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে সুকৌশলে মোবাইল সেট হাতে নেয়। পরে সেই মোবাইল সেট থেকে কৌশলে সব নাম্বার কপি করে নিজেদের মোবাইলে নিয়ে নেয়। পরে বিভিন্ন নাম্বারে কল করে নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে সাইফুল ইসলাম ইয়াবাসহ ধরা পড়েছে বলে জানায়। তাকে ছাড়িয়ে নিতে ৩ লাখ টাকাও দাবী করা হয়। বিষয়টি তার স্বজনরা ৯৯৯ নাম্বারে জানিয়ে পুলিশের সহযোগিতা চায়। কুমিল্লা জেলা পুলিশের ডিবি একটি টিম বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করে।
এদিকে সাইফুল ইসলাম এ নিয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করলে আসামিদের ধরতে মাঠে নামে ডিবি পুলিশ। সোমবার রাতে কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গা থেকে দুই নারীসহ এ চক্রের সাতজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তাররা হলেন—ব্রাহ্মনবাড়ীয়া জেলার কালিউতা গ্রামের সবুজ মিয়া (২৭) তার স্ত্রী আখিনুর আক্তার, একই গ্রামের মো. রতন মিয়া (২৮), কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার দারোরা গ্রামের মো. ওসমান গনি (৩৫), তার স্ত্রী মোসা. সোনিয়া বেগম (২৯), কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলা বড় আলমপুর গ্রামের মো. মাঈন উদ্দিন ও বান্দরবান জেলার আমতলীপাড়া গ্রামের মো. আরিফুল ইসলাম (২০)।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ সুপার জানান, ডিবি পুলিশের পরিচয়ে তারা বিভিন্নস্থানে অপকর্ম করে আসছিল। এছাড়াও করোনাকালীন ভুয়া ডাক্তার সেজে করোনা সার্টিফিকেট জালিয়াতিও করেছে চক্রটি।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) কাজী আবদুর রহীম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. আশফাকুজ্জান, গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেশ বড়ুয়াসহ অন্যান্য পুলিশের কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
১৭ মিনিট আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে