নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীর দিনটি জাতীয় জীবনে খুবই শোকাবহ দিন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে দেশি বিদেশি ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে তিনি নির্মমভাবে শাহাদত বরণ করেন।’
আজ সোমবার দুপুরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪১ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নগরীর ষোলশহরস্থ বিপ্লব উদ্যানের বিপ্লব বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ কারা হয়।
শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ছিলেন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সততার প্রতীক। জাতি যখন নেতৃত্বশূন্য দিশেহারা তখনই জিয়াউর রহমান উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো আবির্ভূত হয়েছিলেন। শহীদ জিয়াই চট্টগ্রামের বিপ্লব উদ্যান থেকে আই রিভোল্ট বলে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেছিলেন। অষ্টম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে প্রতিরোধের মশাল জ্বালিয়েছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন আবার অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন। আজকে মুক্তিযুদ্ধের সময় আওয়ামী লীগের যাদের বয়স নয় বছর ছিল তারা রাতারাতি মুক্তিযোদ্ধা সেজে শহীদ জিয়ার মুক্তিযুদ্ধের অবদানকে অস্বীকার করছে।’
সমাজ কল্যাণ মন্ত্রীর ‘মানুষ তিনবেলা মাংস খাচ্ছে’ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘যেখানে দ্রব্যমূল্যের চরম ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ দুঃখ কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। সেখানে সরকারের মন্ত্রীরা এ সব কথা বলে জাতির সঙ্গে উপহাস করছে। মানুষের সঙ্গে হাসি তামাশা করছে। তারা মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা দুর্নীতি করে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক মন্দার দিকে নিয়ে যাচ্ছে।’
নগর বিএনপির সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, ‘জিয়াউর রহমান একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে এ দেশের সমৃদ্ধির প্রতিটি ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার সততা ও দেশপ্রেম ছিল সকল প্রশ্নের ঊর্ধ্বে। তার সততা নিয়ে তার চরম শত্রুও কোনো প্রশ্ন তুলতে পারেনি। ২৫ মার্চের ভয়াল রাতে হানাদার বাহিনীর আক্রমণের সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়ে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলে আজও দেশবাসীর হৃদয়ে অমর হয়ে আছেন।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি'র সি. যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ এম এ আজিজ, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিয়া ভোলা, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, ইস্কান্দার মির্জা, আবদুল মান্নান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এরশাদ উল্লাহ, মঞ্জুর আলম চৌধুরী মঞ্জু, মো. কামরুল ইসলাম, সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি প্রমুখ।

চট্টগ্রাম নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীর দিনটি জাতীয় জীবনে খুবই শোকাবহ দিন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে দেশি বিদেশি ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে তিনি নির্মমভাবে শাহাদত বরণ করেন।’
আজ সোমবার দুপুরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪১ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নগরীর ষোলশহরস্থ বিপ্লব উদ্যানের বিপ্লব বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ কারা হয়।
শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ছিলেন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সততার প্রতীক। জাতি যখন নেতৃত্বশূন্য দিশেহারা তখনই জিয়াউর রহমান উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো আবির্ভূত হয়েছিলেন। শহীদ জিয়াই চট্টগ্রামের বিপ্লব উদ্যান থেকে আই রিভোল্ট বলে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেছিলেন। অষ্টম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে প্রতিরোধের মশাল জ্বালিয়েছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন আবার অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন। আজকে মুক্তিযুদ্ধের সময় আওয়ামী লীগের যাদের বয়স নয় বছর ছিল তারা রাতারাতি মুক্তিযোদ্ধা সেজে শহীদ জিয়ার মুক্তিযুদ্ধের অবদানকে অস্বীকার করছে।’
সমাজ কল্যাণ মন্ত্রীর ‘মানুষ তিনবেলা মাংস খাচ্ছে’ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘যেখানে দ্রব্যমূল্যের চরম ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ দুঃখ কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। সেখানে সরকারের মন্ত্রীরা এ সব কথা বলে জাতির সঙ্গে উপহাস করছে। মানুষের সঙ্গে হাসি তামাশা করছে। তারা মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা দুর্নীতি করে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক মন্দার দিকে নিয়ে যাচ্ছে।’
নগর বিএনপির সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, ‘জিয়াউর রহমান একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে এ দেশের সমৃদ্ধির প্রতিটি ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার সততা ও দেশপ্রেম ছিল সকল প্রশ্নের ঊর্ধ্বে। তার সততা নিয়ে তার চরম শত্রুও কোনো প্রশ্ন তুলতে পারেনি। ২৫ মার্চের ভয়াল রাতে হানাদার বাহিনীর আক্রমণের সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়ে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলে আজও দেশবাসীর হৃদয়ে অমর হয়ে আছেন।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি'র সি. যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ এম এ আজিজ, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিয়া ভোলা, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, ইস্কান্দার মির্জা, আবদুল মান্নান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এরশাদ উল্লাহ, মঞ্জুর আলম চৌধুরী মঞ্জু, মো. কামরুল ইসলাম, সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি প্রমুখ।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে মোজাহার আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মতরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সর্দারের ছেলে।
৬ মিনিট আগে
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
১ ঘণ্টা আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে