
রাঙামাটির রাজস্থলীর সীমান্ত সড়কে পিকআপ পাহাড়ের খাদে পড়ে একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও দুজন আহত হন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে সীমান্ত সড়কের শুক্কুরছড়ি চার কিলো এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। রাজস্থলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত ব্যক্তির নাম নবী হোসেন (২৮)। তিনি কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার কুতুপালং এলাকার বাসিন্দা জাফর আহম্মদের ছেলে। এ ঘটনায় আহত দুই ব্যক্তি মোহাম্মদ কালা মিয়া (৪০) এবং মোহাম্মদ ইয়াসিনও কুতুপালং এলাকার বাসিন্দা। তাঁরা সবাই বিলাইছড়ি-রাজস্থলী সীমান্ত সড়কে কাজ করছিলেন।
স্থানীয়রা জানায়, বিলাইছড়ি-রাজস্থলীর সীমান্ত সড়কের কাজ করে পিকআপ গাড়িটি রাজস্থলীর উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। শুক্কুরছড়ি ৪ কিলো নামক এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে যায়। এ সময় গাড়িটি ভেঙে চুরমার হয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই নবী হোসেনের মৃত্যু হয়।
রাজস্থলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক নিজাম উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার রাতে হাসপাতালে দুর্ঘটনায় পড়া তিনজনকে আনা হলে একজনকে মৃত পাওয়া যায়। অপর দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।
রাজস্থলী থানার ওসি ইকবাল হোসেন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় একজন মারা গেছেন। হতাহতদের উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাঙামাটি জেলার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেলওয়ের প্রায় ৫০ শতকের একটি জলাশয় ভরাট করে প্লট আকারে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে মাটি ফেলে জলাশয়ের অর্ধেকের বেশি অংশ ভরাট করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাহমুদ আলী নামের এক ব্যক্তি মাছ চাষের জন্য ইজারা নিয়ে ওই জমি প্লট আকারে বিক্রি করছেন।
১৬ মিনিট আগে
ওমানে গাড়ির ভেতরে মারা যাওয়া চার সন্তানের করুণ পরিণতি সম্পর্কে এখনো জানেন না তাঁদের মা খাদিজা বেগম। বয়সের ভার ও রোগে এমনিতেই বেশ কাবু তিনি। স্বামীহীন সংসারের ঘানি টানতে টানতে ক্লান্তও। মারা যাওয়া চার ছেলেসহ পাঁচ ছেলেকে ছোট রেখেই মারা যান তাঁদের বাবা জামাল উদ্দিন।
২৬ মিনিট আগে
প্রায় ৫৩ হাজার একর সংরক্ষিত বনভূমি রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। এই বনভূমি দেখভালের জন্য শত বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা থাকছে। আইনে রয়েছে, বনের ভেতরে পাকা স্থাপনা বা ঘর তৈরি করা যাবে না। তবে কয়েক বছর ধরে সেই আইন উপেক্ষা করে অবৈধভাবে পাকা ঘর তৈরি করছে অনেকে।
৩৬ মিনিট আগে
নওগাঁ জেলা ধান-চাল উৎপাদনে বরাবরই সমৃদ্ধ। বর্তমানে এ জেলায় চলছে বোরো ধান কাটার মৌসুম। এরই মধ্যে বেশির ভাগই ধান ঘরে তুলেছেন কৃষক। হাট-বাজারে রয়েছে পর্যাপ্ত ধানের সরবরাহ। বোরোর এই ভরা মৌসুমে স্বাভাবিকভাবে চালের দাম নিম্নমুখী হওয়ার কথা থাকলেও নওগাঁর বাজারে বিপরীত চিত্র মিলেছে।
১ ঘণ্টা আগে