Ajker Patrika

বিলাসবহুল গাড়ি খণ্ড খণ্ড করে খুচরা যন্ত্রাংশ হিসেবে আমদানি, নিলামের চেষ্টাকালে জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬: ৫৭
বিলাসবহুল গাড়ি খণ্ড খণ্ড করে খুচরা যন্ত্রাংশ হিসেবে আমদানি, নিলামের চেষ্টাকালে জব্দ
ছবি: সংগৃহীত

কর ফাঁকি বা চোরাচালানের উদ্দেশ্যে খুচরা যন্ত্রাংশের ঘোষণা দিয়ে লেক্সাস, বিএমডব্লিউসহ বিলাসবহুল গাড়ি খণ্ড খণ্ড করে আনা হয় কনটেইনারে। এরপর এক মাসেও বিল অব এন্ট্রি দাখিল না করে নিলামপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে চালানটি খালাসের চেষ্টা করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে অভিযান চালিয়ে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ির বিচ্ছিন্ন যন্ত্রাংশসহ বিপুল পরিমাণ গাড়ির পার্টস উদ্ধার করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। উদ্ধার করা পণ্য ও যন্ত্রাংশের বাজারমূল্য সাড়ে ৯ কোটি থেকে ১২ কোটি টাকা।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

উদ্ধার করা যন্ত্রাংশের মধ্যে রয়েছে লেক্সাস এলএক্স ৬০০, লেক্সাস এসসি ৪৩০ ও বিএমডব্লিউ এম৫ মডেলের গাড়ির বিভিন্ন অংশ। এ ছাড়া হোন্ডা বি১৮সি টাইপ-আর ইঞ্জিন, হাফ-কাটসহ বিপুল পরিমাণ গাড়ির যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, জাপান থেকে ‘ব্যবহৃত খুচরা যন্ত্রাংশ’ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে একটি কনটেইনারে এসব পণ্য পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে আনা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা কনটেইনারটি খুলে তল্লাশি চালিয়ে এসব যন্ত্রাংশ পান।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পণ্য বন্দরে আসার পর প্রায় এক মাস বিল অব এন্ট্রি দাখিল করা হয়নি। পরে নিলামপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে চালানটি খালাসের চেষ্টা করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সেই চেষ্টা রোধ করে কাস্টমস গোয়েন্দা।

উদ্ধার করা যন্ত্রাংশ দিয়ে সংশ্লিষ্ট গাড়িগুলো পূর্ণাঙ্গ হয় কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। পণ্যের আমদানি মূল্য, অর্থ পরিশোধ, বাণিজ্যিক দলিল ও সংশ্লিষ্ট লেনদেনও পরীক্ষা করা হচ্ছে। সম্ভাব্য অর্থ পাচারের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের উপপরিচালক প্রণয় চাকমা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পণ্যগুলো জব্দ করা হয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত