নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে সম্পত্তির জন্য মাকে গলা টিপে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দুইজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ রোববার চট্টগ্রামের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমেদ ভূঁঞার আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
অভিযুক্তরা হলেন-সুমন বড়ুয়া (৪২) ও অনুপম বড়ুয়া (৪০)। তাঁরা চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা ইউনিয়নের অংকুরঘোনা গ্রামের মৃত সৃজিত কুমার বড়ুয়ার ছেলে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজ (রোববার) দুই আসামি হাইকোর্টের নির্দেশে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’
এর আগে গত ৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে মিনু রানী বড়ুয়া নামে এক নারী সন্তানদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। আদালত তখন আসামিদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেন। ১১ ফেব্রুয়ারি আসামিরা উচ্চ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক তাদের নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করার শর্তে আগাম জামিন দেন।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, বাদীর স্বামী সৃজিত কুমার বড়ুয়া মার্স করপোরেশন নামে একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের মালিক ছিলেন। জীবিত থাকাকালে তিনি স্ত্রী ও নিজের নামে নগরীর লালখান বাজারসহ একাধিক জায়গায় বাড়ি ও সম্পত্তি ক্রয় করেন। এ সময় সৃজিত কুমার বড়ুয়া বৃদ্ধাশ্রম, চিকিৎসালয় ও একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপনা নির্মাণের জন্য কাজ শুরু করেন। ওসব নির্মাণাধীন অবস্থায় তিনি পরে মারা যান।
স্বামীর মৃত্যুর পরে তাঁর সন্তানেরা মিনু বড়ুয়া রানীকে ওসব সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে, কিন্তু বাদী স্বামীর স্বপ্ন পূরণের জন্য সম্পত্তি বিক্রিতে অস্বীকৃতি জানান। বাদী অপারগতা প্রকাশ করলে একপর্যায়ে তাঁকে মারধর ও গলা টিপে দুবার হত্যার চেষ্টা চালায় সন্তানেরা।

চট্টগ্রামে সম্পত্তির জন্য মাকে গলা টিপে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দুইজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ রোববার চট্টগ্রামের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমেদ ভূঁঞার আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
অভিযুক্তরা হলেন-সুমন বড়ুয়া (৪২) ও অনুপম বড়ুয়া (৪০)। তাঁরা চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা ইউনিয়নের অংকুরঘোনা গ্রামের মৃত সৃজিত কুমার বড়ুয়ার ছেলে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজ (রোববার) দুই আসামি হাইকোর্টের নির্দেশে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’
এর আগে গত ৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে মিনু রানী বড়ুয়া নামে এক নারী সন্তানদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। আদালত তখন আসামিদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেন। ১১ ফেব্রুয়ারি আসামিরা উচ্চ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক তাদের নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করার শর্তে আগাম জামিন দেন।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, বাদীর স্বামী সৃজিত কুমার বড়ুয়া মার্স করপোরেশন নামে একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের মালিক ছিলেন। জীবিত থাকাকালে তিনি স্ত্রী ও নিজের নামে নগরীর লালখান বাজারসহ একাধিক জায়গায় বাড়ি ও সম্পত্তি ক্রয় করেন। এ সময় সৃজিত কুমার বড়ুয়া বৃদ্ধাশ্রম, চিকিৎসালয় ও একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপনা নির্মাণের জন্য কাজ শুরু করেন। ওসব নির্মাণাধীন অবস্থায় তিনি পরে মারা যান।
স্বামীর মৃত্যুর পরে তাঁর সন্তানেরা মিনু বড়ুয়া রানীকে ওসব সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে, কিন্তু বাদী স্বামীর স্বপ্ন পূরণের জন্য সম্পত্তি বিক্রিতে অস্বীকৃতি জানান। বাদী অপারগতা প্রকাশ করলে একপর্যায়ে তাঁকে মারধর ও গলা টিপে দুবার হত্যার চেষ্টা চালায় সন্তানেরা।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে