নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

‘বিপ্লব উদ্যানে কোনো নতুন স্থাপনা হবে না। এখানে সবুজের সমারোহ হবে। এখানে আবারও পাখি ডাকবে। মানুষ হাঁটবে ও অক্সিজেন নেবে। এখানে একটি গ্রিন পার্ক করব’। কথাগুলো চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের। কথাগুলো খুব বেশি দিনের নয়। গত ৭ নভেম্বর বিপ্লব উদ্যানে দাঁড়িয়ে এমন বক্তব্য দিয়েছিলেন তিনি। মাত্র ৭ মাসের ব্যবধানে এই উদ্যানের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে নতুন করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে সিটি করপোরেশন। এতে একতলার স্থাপনাগুলো চারতলা পর্যন্ত করতে পারবে প্রতিষ্ঠানটি।
৩ জুন সিটি করপোরেশনের সঙ্গে নূর হাফিজ প্রপার্টিজ নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির মেয়াদ ২৫ বছর। চুক্তিতে আরও বলা হয়েছে, উদ্যানে বর্তমানে থাকা ২১টি দোকান ও ২টি শৌচাগার নতুন প্রতিষ্ঠানটির হাতে তুলে দেওয়া হবে। দোকানমালিকদের নতুন করে চুক্তি করতে হবে। প্রতিষ্ঠানটি উদ্যানে বিদ্যমান একতলার স্থাপনাগুলো বর্ধিত করে চারতলা পর্যন্ত করতে পারবে। উদ্যান তদারকির জন্য দেড় হাজার বর্গফুটের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর নির্মাণ করা হবে। উদ্যানের পূর্ব পাশে ডিজিটাল স্ক্রিন, বিলবোর্ড, মেগা সাইন থাকবে। প্রকল্প এলাকায় দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক প্রচার ও সহায়তা-সংক্রান্ত ডিজিটাল স্ক্রিন, এটিএম বুথ ও কিয়স্ক স্থাপন করতে পারবে।
এ নিয়ে গত সাত বছরে বিপ্লব উদ্যানের সৌন্দর্যবর্ধন, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নে তিনটি চুক্তি করল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। ২০১৮ সালে তৎকালীন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এবং ২০২৩ সালে সাবেক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী দুইটি চুক্তি করেছিলেন। তবে আদালত উদ্যানে অবকাঠামো নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন। এরপর চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি চুক্তি বাতিল করে সিটি করপোরেশন। তবে নতুন মেয়র আবারও সেই পুরোনো পথেই হাঁটলেন। স্মৃতিবিজড়িত বিপ্লব উদ্যানে বহুতল বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
সরকারি নথি বলছে, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিপ্লব উদ্যান থেকে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা দিয়েছিলেন। ১৯৭৯ সালে চট্টগ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম ২ নম্বর গেট এলাকায় এক একর জায়গায় বিপ্লব উদ্যান গড়ে তোলা হয়। সিটি করপোরেশন থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, গত বছরের ৩ অক্টোবর সিটি করপোরেশন আয়োজিত এক গণশুনানিতে বিপ্লব উদ্যানে নতুন করে কোনো স্থাপনা বা অবকাঠামো না করার বিষয়ে মত দিয়েছিলেন বক্তারা। নতুন করে চুক্তি করার ক্ষেত্রে সেই মতামত উপেক্ষা করা হলো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ২৫ বছরের চুক্তিতে নতুন করে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণে বারণ আছে। আগের যে জায়গায় একতলা দোকান রয়েছে সেখানে চারতলা হবে। তবে এ জন্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) অনুমতি নিতে হবে।
একতলা ভবনকে চারতলা পর্যন্ত বর্ধিত করা এবং নতুন স্থাপনা নির্মাণের মধ্যে কোনো পার্থক্য রয়েছে কি না, জানতে চাইলে শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি মাথায় রেখেই আসলে মেয়র মহোদয় নূর হাফিজ প্রপার্টিজকে ২৫ বছরের চুক্তিতে উদ্যানটি দিয়েছেন। মেয়র বর্তমানে কানাডায় রয়েছেন। উনি এলে বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনার সুযোগ রয়েছে।’
সংশ্লিষ্ট পরিবেশবাদীরা জানিয়েছেন, উদ্যানে বহুতল বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করা হলে এখানে অধিক সংখ্যক মানুষজনের আসা-যাওয়া হবে। অনেক বর্জ্যের সৃষ্টি হবে। উদ্যানের সার্বিক পরিবেশ বিনষ্ট হবে।
বিপ্লব উদ্যানকে গ্রিন পার্ক করার মেয়রের ঘোষণার ৭ মাসের ব্যবধানে এ ধরনের চুক্তিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) সমন্বয়ক মুনিরা পারভিন রুবা। তিনি বলেন, ‘বিপ্লব উদ্যানে কোনো ধরনের বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ ও সম্প্রসারণে উচ্চ আদালতের বারণ আছে। এর ব্যত্যয় করা হলে আদালত থেকে আন্দোলনের মাঠ সব খানে আমরা সরব থাকব।’
এদিকে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) একদল গবেষকের জরিপের তথ্য অনুযায়ী, বিপ্লব উদ্যান কার্যত কংক্রিটের জঞ্জালে পরিণত হয়েছে। এখানে কংক্রিট অবকাঠামোর পরিমাণ ৫৫ শতাংশ। অথচ ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী, উদ্যানে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশের বেশি কংক্রিট অবকাঠামো থাকতে পারবে না। আর আন্তর্জাতিকভাবে ২ শতাংশও অনুমোদন করে না। এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রামের সম্পাদক আখতার কবির চৌধুরী বলেন, নগরের কোথাও ভালোভাবে নিশ্বাস নেওয়ার উন্মুক্ত পরিসর, খালি জায়গা ও মাঠ অবশিষ্ট নেই। বিপ্লব উদ্যান নিয়ে মেয়র শাহাদাত হোসেনও আগের মেয়রদের অনুসরণ করছেন। যার পুরোটাই বাণিজ্য ছাড়া আর কোনো উদ্দেশ্য আছে বলে মনে হয় না।

‘বিপ্লব উদ্যানে কোনো নতুন স্থাপনা হবে না। এখানে সবুজের সমারোহ হবে। এখানে আবারও পাখি ডাকবে। মানুষ হাঁটবে ও অক্সিজেন নেবে। এখানে একটি গ্রিন পার্ক করব’। কথাগুলো চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের। কথাগুলো খুব বেশি দিনের নয়। গত ৭ নভেম্বর বিপ্লব উদ্যানে দাঁড়িয়ে এমন বক্তব্য দিয়েছিলেন তিনি। মাত্র ৭ মাসের ব্যবধানে এই উদ্যানের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে নতুন করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে সিটি করপোরেশন। এতে একতলার স্থাপনাগুলো চারতলা পর্যন্ত করতে পারবে প্রতিষ্ঠানটি।
৩ জুন সিটি করপোরেশনের সঙ্গে নূর হাফিজ প্রপার্টিজ নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির মেয়াদ ২৫ বছর। চুক্তিতে আরও বলা হয়েছে, উদ্যানে বর্তমানে থাকা ২১টি দোকান ও ২টি শৌচাগার নতুন প্রতিষ্ঠানটির হাতে তুলে দেওয়া হবে। দোকানমালিকদের নতুন করে চুক্তি করতে হবে। প্রতিষ্ঠানটি উদ্যানে বিদ্যমান একতলার স্থাপনাগুলো বর্ধিত করে চারতলা পর্যন্ত করতে পারবে। উদ্যান তদারকির জন্য দেড় হাজার বর্গফুটের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর নির্মাণ করা হবে। উদ্যানের পূর্ব পাশে ডিজিটাল স্ক্রিন, বিলবোর্ড, মেগা সাইন থাকবে। প্রকল্প এলাকায় দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক প্রচার ও সহায়তা-সংক্রান্ত ডিজিটাল স্ক্রিন, এটিএম বুথ ও কিয়স্ক স্থাপন করতে পারবে।
এ নিয়ে গত সাত বছরে বিপ্লব উদ্যানের সৌন্দর্যবর্ধন, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নে তিনটি চুক্তি করল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। ২০১৮ সালে তৎকালীন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এবং ২০২৩ সালে সাবেক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী দুইটি চুক্তি করেছিলেন। তবে আদালত উদ্যানে অবকাঠামো নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন। এরপর চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি চুক্তি বাতিল করে সিটি করপোরেশন। তবে নতুন মেয়র আবারও সেই পুরোনো পথেই হাঁটলেন। স্মৃতিবিজড়িত বিপ্লব উদ্যানে বহুতল বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
সরকারি নথি বলছে, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিপ্লব উদ্যান থেকে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা দিয়েছিলেন। ১৯৭৯ সালে চট্টগ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম ২ নম্বর গেট এলাকায় এক একর জায়গায় বিপ্লব উদ্যান গড়ে তোলা হয়। সিটি করপোরেশন থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, গত বছরের ৩ অক্টোবর সিটি করপোরেশন আয়োজিত এক গণশুনানিতে বিপ্লব উদ্যানে নতুন করে কোনো স্থাপনা বা অবকাঠামো না করার বিষয়ে মত দিয়েছিলেন বক্তারা। নতুন করে চুক্তি করার ক্ষেত্রে সেই মতামত উপেক্ষা করা হলো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ২৫ বছরের চুক্তিতে নতুন করে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণে বারণ আছে। আগের যে জায়গায় একতলা দোকান রয়েছে সেখানে চারতলা হবে। তবে এ জন্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) অনুমতি নিতে হবে।
একতলা ভবনকে চারতলা পর্যন্ত বর্ধিত করা এবং নতুন স্থাপনা নির্মাণের মধ্যে কোনো পার্থক্য রয়েছে কি না, জানতে চাইলে শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি মাথায় রেখেই আসলে মেয়র মহোদয় নূর হাফিজ প্রপার্টিজকে ২৫ বছরের চুক্তিতে উদ্যানটি দিয়েছেন। মেয়র বর্তমানে কানাডায় রয়েছেন। উনি এলে বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনার সুযোগ রয়েছে।’
সংশ্লিষ্ট পরিবেশবাদীরা জানিয়েছেন, উদ্যানে বহুতল বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করা হলে এখানে অধিক সংখ্যক মানুষজনের আসা-যাওয়া হবে। অনেক বর্জ্যের সৃষ্টি হবে। উদ্যানের সার্বিক পরিবেশ বিনষ্ট হবে।
বিপ্লব উদ্যানকে গ্রিন পার্ক করার মেয়রের ঘোষণার ৭ মাসের ব্যবধানে এ ধরনের চুক্তিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) সমন্বয়ক মুনিরা পারভিন রুবা। তিনি বলেন, ‘বিপ্লব উদ্যানে কোনো ধরনের বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ ও সম্প্রসারণে উচ্চ আদালতের বারণ আছে। এর ব্যত্যয় করা হলে আদালত থেকে আন্দোলনের মাঠ সব খানে আমরা সরব থাকব।’
এদিকে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) একদল গবেষকের জরিপের তথ্য অনুযায়ী, বিপ্লব উদ্যান কার্যত কংক্রিটের জঞ্জালে পরিণত হয়েছে। এখানে কংক্রিট অবকাঠামোর পরিমাণ ৫৫ শতাংশ। অথচ ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী, উদ্যানে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশের বেশি কংক্রিট অবকাঠামো থাকতে পারবে না। আর আন্তর্জাতিকভাবে ২ শতাংশও অনুমোদন করে না। এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রামের সম্পাদক আখতার কবির চৌধুরী বলেন, নগরের কোথাও ভালোভাবে নিশ্বাস নেওয়ার উন্মুক্ত পরিসর, খালি জায়গা ও মাঠ অবশিষ্ট নেই। বিপ্লব উদ্যান নিয়ে মেয়র শাহাদাত হোসেনও আগের মেয়রদের অনুসরণ করছেন। যার পুরোটাই বাণিজ্য ছাড়া আর কোনো উদ্দেশ্য আছে বলে মনে হয় না।

গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১৫ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় তিন বাংলাদেশি যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাঁদের ভারতে যেতে সহায়তাকারী মানব পাচার চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার বকচর সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদেরকে আটক করা হয়।
২৩ মিনিট আগে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
৩০ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
৩৬ মিনিট আগে