রাঙামাটি প্রতিনিধি

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের পূর্ব অনুমোদন ছাড়া সাজেক ভ্যালিসহ জেলার কোনো স্থানে পর্যটনকেন্দ্র ও বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না।
জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক আদেশে গতকাল সোমবার এ তথ্য জানানো হয়। এর ফলে ২৪ ফেব্রুয়ারি পুড়ে যাওয়া সাজেকে নতুন বাণিজ্যিক স্থাপনা তৈরি করতে জেলা পরিষদের অনুমোদন নিতে হবে।
আদেশে বলা হয়, ইদানীং দেখা যাচ্ছে, রাঙামাটি জেলার সাজেকসহ বিভিন্ন এলাকায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া অপরিকল্পিতভাবে বাণিজ্যিক ভবন ও পর্যটন স্থাপনা নির্মিত হচ্ছে। এতে জেলা পরিষদ আইন লঙ্ঘিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত এবং অগ্নিদুর্ঘটনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। তাই রাঙামাটি জেলা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া বাণিজ্যিক ভবন এবং পর্যটন স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশনা জারি করা হলো।
তবে এ বিষয়ে এখনো অবগত নন বলে জানিয়েছেন সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মণ। তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো এ বিষয়ে কোনো আদেশ পাইনি।’
জেলা পরিষদ সূত্র জানায়, ১৯ মার্চ ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক ভবনে এক সভা হয়। এতে সাজেকের অগ্নিকাণ্ডের কারণ, প্রতিকার, পাহাড়ের পর্যটন ও পরিবেশসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় বলা হয়, রাঙামাটি জেলা পরিষদের হাতে পর্যটন বিভাগ হস্তান্তরিত বিভাগ হলেও পরিষদের কোনো পরামর্শ না নিয়ে যত্রতত্র পর্যটন এবং বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে একদিকে পরিবেশ, অন্যদিকে স্থানীয় জাতিগোষ্ঠীর জানমাল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এটি রোধ করার জন্য এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। বিষয়টি যেহেতু জেলা পরিষদের হাতে ন্যস্ত, সেহেতু এটি দেখাশোনা করার জন্য পরিষদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, পরিষদ শিগগির একটি প্রবিধানমালা তৈরি করবে।
সভায় অংশ নেওয়া একাধিক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে নিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা। সভায় তিনি বলেন, পাহাড়ের জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও নিরাপত্তার বিষয়ে আগে প্রাধান্য দিতে হবে। পর্যটনের কারণে স্থানীয় পরিবেশ হুমকির মুখে পড়ুক এবং মানুষের জানমালের ক্ষতি হোক—এমন কোনো কার্যক্রম করতে দেওয়া হবে না। সভায় পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে জেলা পরিষদকে প্রবিধান তৈরি করে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশনা দেন তিনি।
সভায় উপস্থিত থাকা পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং মারমা বলেন, ‘২৪ ফেব্রুয়ারি সাজেকে আগুনের ঘটনা আমাদের সবাইকে ভাবিয়ে তুলেছে। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যানও বেশ তৎপর ছিলেন। চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি হয়ে আমি সভায় অংশ নিই। খুব ভালো একটি সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের পূর্ব অনুমোদন ছাড়া সাজেক ভ্যালিসহ জেলার কোনো স্থানে পর্যটনকেন্দ্র ও বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না।
জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক আদেশে গতকাল সোমবার এ তথ্য জানানো হয়। এর ফলে ২৪ ফেব্রুয়ারি পুড়ে যাওয়া সাজেকে নতুন বাণিজ্যিক স্থাপনা তৈরি করতে জেলা পরিষদের অনুমোদন নিতে হবে।
আদেশে বলা হয়, ইদানীং দেখা যাচ্ছে, রাঙামাটি জেলার সাজেকসহ বিভিন্ন এলাকায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া অপরিকল্পিতভাবে বাণিজ্যিক ভবন ও পর্যটন স্থাপনা নির্মিত হচ্ছে। এতে জেলা পরিষদ আইন লঙ্ঘিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত এবং অগ্নিদুর্ঘটনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। তাই রাঙামাটি জেলা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া বাণিজ্যিক ভবন এবং পর্যটন স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশনা জারি করা হলো।
তবে এ বিষয়ে এখনো অবগত নন বলে জানিয়েছেন সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মণ। তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো এ বিষয়ে কোনো আদেশ পাইনি।’
জেলা পরিষদ সূত্র জানায়, ১৯ মার্চ ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক ভবনে এক সভা হয়। এতে সাজেকের অগ্নিকাণ্ডের কারণ, প্রতিকার, পাহাড়ের পর্যটন ও পরিবেশসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় বলা হয়, রাঙামাটি জেলা পরিষদের হাতে পর্যটন বিভাগ হস্তান্তরিত বিভাগ হলেও পরিষদের কোনো পরামর্শ না নিয়ে যত্রতত্র পর্যটন এবং বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে একদিকে পরিবেশ, অন্যদিকে স্থানীয় জাতিগোষ্ঠীর জানমাল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এটি রোধ করার জন্য এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। বিষয়টি যেহেতু জেলা পরিষদের হাতে ন্যস্ত, সেহেতু এটি দেখাশোনা করার জন্য পরিষদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, পরিষদ শিগগির একটি প্রবিধানমালা তৈরি করবে।
সভায় অংশ নেওয়া একাধিক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে নিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা। সভায় তিনি বলেন, পাহাড়ের জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও নিরাপত্তার বিষয়ে আগে প্রাধান্য দিতে হবে। পর্যটনের কারণে স্থানীয় পরিবেশ হুমকির মুখে পড়ুক এবং মানুষের জানমালের ক্ষতি হোক—এমন কোনো কার্যক্রম করতে দেওয়া হবে না। সভায় পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে জেলা পরিষদকে প্রবিধান তৈরি করে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশনা দেন তিনি।
সভায় উপস্থিত থাকা পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং মারমা বলেন, ‘২৪ ফেব্রুয়ারি সাজেকে আগুনের ঘটনা আমাদের সবাইকে ভাবিয়ে তুলেছে। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যানও বেশ তৎপর ছিলেন। চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি হয়ে আমি সভায় অংশ নিই। খুব ভালো একটি সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।
৬ মিনিট আগে
যশোরের অভয়নগরে ৭৪টি অবৈধ কয়লার চুল্লি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উপজেলার সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নে ভৈরব নদের পাড় ঘেঁষে কয়লা তৈরির এসব অবৈধ চুল্লি গড়ে তোলা হয়েছিল। খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই অভিযান চালান।
১৬ মিনিট আগে
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় জুট মিলের শ্রমিক বহনকারী পিকআপে থাকা দুই ভাইসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হতাহত ব্যক্তিরা সবাই উপজেলার ডোবরা জনতা জুট মিলের শ্রমিক।
২৩ মিনিট আগে
কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ‘গুলিবর্ষণের’ পর মিস্টার আলী (২৫) নামের বাংলাদেশি এক যুবককে আটকের অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে। গতকাল রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের খাটিয়ামারী সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ১০৬২-এর নিকটবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২৭ মিনিট আগে