Ajker Patrika

ফেসবুকে ছিনতাইয়ের মোটরসাইকেল বিক্রির চেষ্টা, কনস্টেবলসহ গ্রেপ্তার ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
ফেসবুকে ছিনতাইয়ের মোটরসাইকেল বিক্রির চেষ্টা, কনস্টেবলসহ গ্রেপ্তার ৪
পুলিশ কনস্টেবল অনিক দাস। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরীতে এক যুবকের ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের পর ফেসবুকে বিক্রির চেষ্টা করতে গিয়ে ধরা খেলেন বান্দরবান জেলা পুলিশ লাইন্সের কনস্টেবল অনিক দাশ (২৭)। মঙ্গলবার রাতে অনিক দাশসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে খুলশী থানা-পুলিশ। ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেলসহ অপরাধে ব্যবহৃত আরও দুটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে।

অন্য গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ওয়াহিদ মোহাম্মদ জেবল হোসেন ওরফে অনিক ওয়াহিদ (৩৯), মহিউদ্দিন সেলিম (৫২) এবং মোহাম্মদ ওয়াহিদ নাসির ওরফে ডায়মন্ড (৩৮)। গতকাল মঙ্গলবার রাতে নগরের বায়েজিদ লিংক রোড, পাহাড়তলী ও সীতাকুণ্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান আজ বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় খুলশী থানায় অপহরণ, ডাকাতি ও চোরাই মাল রাখার অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

খুলশী থানার উপপরিদর্শক গোলাম মোহাম্মদ নাসিম জানান, (২২) গত ১৬ অক্টোবর রাতে মারুফুর রহমান অপু বন্ধুদের নিয়ে মোটরসাইকেলে কক্সবাজার ভ্রমণের উদ্দেশ্যে রওনা হন। রাত আনুমানিক একটার দিকে খুলশী থানাধীন জাকির হোসেন রোডের ফয়েজ লেক চক্ষু হাসপাতালের সামনে একটি মেরুন রঙের ব্যক্তিগত গাড়ি ও দুটি মোটরসাইকেল তাঁদের গতিরোধ করে।

আসামিরা গাড়ি থেকে নেমে মারুফুরকে এলোপাতাড়ি মারধর করে তাঁর মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেন। পরে তাঁকে জোর করে একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে তুলে বায়েজিদ বোস্তামী থানার শেরশাহ এলাকায় নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে রাস্তার পাশে ফেলে হুমকি দিয়ে চলে যান আসামিরা।

গোলাম মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ঘটনার কয়েক দিন পর ‘অহমি’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেলটি বিক্রির জন্য পোস্ট দেওয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে মারুফুর ক্রেতা সেজে ওই আইডিতে যোগাযোগ করেন এবং মোটরসাইকেলটি কেনার সমঝোতা করেন। অগ্রিম হিসেবে তিনি ৫ হাজার টাকাও পাঠান।

নির্ধারিত দিনে বায়েজিদ লিংক রোডের মুখে পুলিশ বক্সের সামনে মোটরসাইকেলটি হস্তান্তর করতে এলে খুলশী থানা-পুলিশের সহায়তায় ফাঁদ পেতে কনস্টেবল অনিক দাশকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, অনিক দাশকে জিজ্ঞাসাবাদের পর চক্রের অন্য সদস্যদের নাম পাওয়া যায়। পরে পাহাড়তলী, বায়েজিদ লিংক রোড ও সীতাকুণ্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাকি তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত