মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। আজ রোববার সকালে মানিকছড়ি গিরি মৈত্রী সরকারি মহাবিদ্যালয়সংলগ্ন (ধর্মঘর) চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কে এই কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।
ইউপিডিএফ (প্রসিত খীসা) আয়োজিত এই কর্মসূচিতে পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শত শত সদস্য অংশগ্রহণ করেন। মিছিলটি উপজেলা পরিষদ এলাকা (কেপিএম) ঘুরে আবার ধর্মঘর বটমূলে সমাবেশে মিলিত হয়।
দলটির নেতা-কর্মীরা এ সময় ‘আমরা বাঙালি নই, চাপিয়ে দেওয়া বাঙালি জাতীয়তাবাদ মানি না’, ‘বিতর্কিত পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল করো’, ‘পাহাড়িদের প্রথাগত ভূমি আইনের স্বীকৃতি চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান সংবলিতি প্ল্যাকার্ড বহন করেন। পঞ্চদশ সংশোধনী পাসের এক যুগ উপলক্ষে নিজ নিজ জাতিসত্তার সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানিকছড়ি উপজেলা ইউপিডিএফ ইউনিটের (প্রসিত খীসা) প্রধান সংগঠক ক্যহ্লাচিং মারমার সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা সভাপতি শান্তি চাকমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের জেলা সভাপতি এন্টি চাকমা, কেন্দ্রীয় সভাপতি নীতিশুভা চাকমা ও ইউপিডিএফের উপজেলা সংগঠক আপ্রুসি মারমা।
এ সময় বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশে বসবাসরত সংখ্যালঘু ভিন্ন ভিন্ন জাতিসত্তার লোকজন কখনো বাঙালি হতে পারে না। তাদের নিজ নিজ জাতির ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য রয়েছে। কিন্তু ক্ষমতাসীন সরকার ২০১১ সালের ৩০ জুন ক্ষমতার জোর খাটিয়ে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস করে দেশের সব জাতিসত্তার ওপর বাঙালি জাতীয়তা চাপিয়ে দিয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ এক যুগ ধরে এই বিতর্কিত পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু সরকার এখনো তা বাতিল বা সংশোধন না করে উল্টো বাঙালি বানানোর নানা চক্রান্ত জারি রেখেছে। ফলে পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের দাবিসহ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন-সংগ্রামের বিকল্প নেই। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইউপিডিএফ ঘোষিত সব কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের আহ্বান করছি।’

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। আজ রোববার সকালে মানিকছড়ি গিরি মৈত্রী সরকারি মহাবিদ্যালয়সংলগ্ন (ধর্মঘর) চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কে এই কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।
ইউপিডিএফ (প্রসিত খীসা) আয়োজিত এই কর্মসূচিতে পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শত শত সদস্য অংশগ্রহণ করেন। মিছিলটি উপজেলা পরিষদ এলাকা (কেপিএম) ঘুরে আবার ধর্মঘর বটমূলে সমাবেশে মিলিত হয়।
দলটির নেতা-কর্মীরা এ সময় ‘আমরা বাঙালি নই, চাপিয়ে দেওয়া বাঙালি জাতীয়তাবাদ মানি না’, ‘বিতর্কিত পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল করো’, ‘পাহাড়িদের প্রথাগত ভূমি আইনের স্বীকৃতি চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান সংবলিতি প্ল্যাকার্ড বহন করেন। পঞ্চদশ সংশোধনী পাসের এক যুগ উপলক্ষে নিজ নিজ জাতিসত্তার সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানিকছড়ি উপজেলা ইউপিডিএফ ইউনিটের (প্রসিত খীসা) প্রধান সংগঠক ক্যহ্লাচিং মারমার সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা সভাপতি শান্তি চাকমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের জেলা সভাপতি এন্টি চাকমা, কেন্দ্রীয় সভাপতি নীতিশুভা চাকমা ও ইউপিডিএফের উপজেলা সংগঠক আপ্রুসি মারমা।
এ সময় বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশে বসবাসরত সংখ্যালঘু ভিন্ন ভিন্ন জাতিসত্তার লোকজন কখনো বাঙালি হতে পারে না। তাদের নিজ নিজ জাতির ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য রয়েছে। কিন্তু ক্ষমতাসীন সরকার ২০১১ সালের ৩০ জুন ক্ষমতার জোর খাটিয়ে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস করে দেশের সব জাতিসত্তার ওপর বাঙালি জাতীয়তা চাপিয়ে দিয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ এক যুগ ধরে এই বিতর্কিত পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু সরকার এখনো তা বাতিল বা সংশোধন না করে উল্টো বাঙালি বানানোর নানা চক্রান্ত জারি রেখেছে। ফলে পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের দাবিসহ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন-সংগ্রামের বিকল্প নেই। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইউপিডিএফ ঘোষিত সব কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের আহ্বান করছি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে