চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

গেলো বছরের ৫ আগস্টের পর কুমিল্লার লাকসামের সরকারী বিভিন্ন জায়গা দখল হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লার লাকসামের পশ্চিমগাঁওয়ে উপমহাদেশের খ্যাতিমান মহীয়সী নারী নবাব ফয়েজুন্নেছা চৌধুরানীর স্মৃতি বিজড়িত বাড়িটির এক প্রাচীন প্রবেশপথ অবৈধভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের পশ্চিমগাঁও এলাকায় নবাব ফয়েজুন্নেছার বাড়ির একটি গুরুত্বপূর্ণ ফটকের সামনে অবৈধভাবে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেছেন ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলী। এতে ঐতিহাসিক এই বাড়িটির প্রধান প্রবেশপথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। দর্শনার্থীদের চলাচলে চরম অসুবিধা দেখা দিয়েছে, সৌন্দর্যও নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ঐতিহাসিক এই নবাব বাড়িটি দীর্ঘদিন ধরে যাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। পূর্বে দর্শনার্থীরা ২০ টাকার টিকিট কেটে উভয় গেট দিয়ে প্রবেশ করতে পারলেও বর্তমানে একটি গেট বন্ধ থাকায় শুধু একটি পথ ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে।
জাতীয় জাদুঘর কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকা এই সম্পত্তির তত্ত্বাবধায়কদের ভাষ্যমতে, গত বছরের ৩০ অক্টোবর সৈয়দ আলী একরকম জবরদস্তি করেই ঐতিহাসিক প্রবেশপথটির সামনে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেন। অথচ ওই পথ দিয়েই এক সময় নবাব ফয়েজুন্নেছা হাতি ও ঘোড়া নিয়ে চলাচল করতেন।
স্থানীয় শিক্ষার্থীরাও এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। পাশের নবাব ফয়েজুন্নেছা অনার্স কলেজের শিক্ষার্থী সিনথিয়া ইসলাম বলেন, “এই বাড়িটি শুধু একটি স্থাপনা নয়, আমাদের ইতিহাসের অংশ। দুইটি ফটক থাকলেও একটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে—যা অত্যন্ত দুঃখজনক।”
অভিযুক্ত সৈয়দ আলী দাবি করেছেন, “আমি এই জায়গাটি ৫০ বছর আগে নবাব পরিবারের এক সদস্যের কাছ থেকে কিনেছি।” তবে কতটুকু জায়গা কিনেছেন, তা স্পষ্ট করে বলেননি।

লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কাউসার হামিদ বলেন, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর জানতে পারি নবাব বাড়ির একটি ফটক বন্ধ করে সীমানা প্রাচীর দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সৈয়দ আলীকে চারবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে তা ভাঙার জন্য।”
তিনি আরও জানান, নবাব বাড়িটি ওয়াকফ সম্পত্তি। বিএস রেকর্ড অনুযায়ী সৈয়দ আলী ৫ শতক দাবি করলেও, কাগজ অনুযায়ী তিনি মাত্র ১ শতক ৯ অযুতাংশ জমির মালিক। এ বিষয়ে চূড়ান্ত চিঠি পাঠানোর পর সৈয়দ আলী আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়সার বলেন, “নবাব বাড়ির জমি নিয়ে বর্তমানে আদালতে দেওয়ানি মামলা চলমান রয়েছে। ফলে এ বিষয়ে এখনই মন্তব্য করা যাচ্ছে না।”

গেলো বছরের ৫ আগস্টের পর কুমিল্লার লাকসামের সরকারী বিভিন্ন জায়গা দখল হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লার লাকসামের পশ্চিমগাঁওয়ে উপমহাদেশের খ্যাতিমান মহীয়সী নারী নবাব ফয়েজুন্নেছা চৌধুরানীর স্মৃতি বিজড়িত বাড়িটির এক প্রাচীন প্রবেশপথ অবৈধভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের পশ্চিমগাঁও এলাকায় নবাব ফয়েজুন্নেছার বাড়ির একটি গুরুত্বপূর্ণ ফটকের সামনে অবৈধভাবে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেছেন ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলী। এতে ঐতিহাসিক এই বাড়িটির প্রধান প্রবেশপথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। দর্শনার্থীদের চলাচলে চরম অসুবিধা দেখা দিয়েছে, সৌন্দর্যও নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ঐতিহাসিক এই নবাব বাড়িটি দীর্ঘদিন ধরে যাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। পূর্বে দর্শনার্থীরা ২০ টাকার টিকিট কেটে উভয় গেট দিয়ে প্রবেশ করতে পারলেও বর্তমানে একটি গেট বন্ধ থাকায় শুধু একটি পথ ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে।
জাতীয় জাদুঘর কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকা এই সম্পত্তির তত্ত্বাবধায়কদের ভাষ্যমতে, গত বছরের ৩০ অক্টোবর সৈয়দ আলী একরকম জবরদস্তি করেই ঐতিহাসিক প্রবেশপথটির সামনে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেন। অথচ ওই পথ দিয়েই এক সময় নবাব ফয়েজুন্নেছা হাতি ও ঘোড়া নিয়ে চলাচল করতেন।
স্থানীয় শিক্ষার্থীরাও এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। পাশের নবাব ফয়েজুন্নেছা অনার্স কলেজের শিক্ষার্থী সিনথিয়া ইসলাম বলেন, “এই বাড়িটি শুধু একটি স্থাপনা নয়, আমাদের ইতিহাসের অংশ। দুইটি ফটক থাকলেও একটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে—যা অত্যন্ত দুঃখজনক।”
অভিযুক্ত সৈয়দ আলী দাবি করেছেন, “আমি এই জায়গাটি ৫০ বছর আগে নবাব পরিবারের এক সদস্যের কাছ থেকে কিনেছি।” তবে কতটুকু জায়গা কিনেছেন, তা স্পষ্ট করে বলেননি।

লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কাউসার হামিদ বলেন, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর জানতে পারি নবাব বাড়ির একটি ফটক বন্ধ করে সীমানা প্রাচীর দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সৈয়দ আলীকে চারবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে তা ভাঙার জন্য।”
তিনি আরও জানান, নবাব বাড়িটি ওয়াকফ সম্পত্তি। বিএস রেকর্ড অনুযায়ী সৈয়দ আলী ৫ শতক দাবি করলেও, কাগজ অনুযায়ী তিনি মাত্র ১ শতক ৯ অযুতাংশ জমির মালিক। এ বিষয়ে চূড়ান্ত চিঠি পাঠানোর পর সৈয়দ আলী আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়সার বলেন, “নবাব বাড়ির জমি নিয়ে বর্তমানে আদালতে দেওয়ানি মামলা চলমান রয়েছে। ফলে এ বিষয়ে এখনই মন্তব্য করা যাচ্ছে না।”

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে