প্রতিনিধি, উখিয়া (কক্সবাজার)

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে অবস্থিত ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৫৬টি কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয়েছে টিকাদান কার্যক্রম। প্রথম দফায় ৫৫ বছর বা তারও বেশি বয়সের ৪৮ হাজার ৬০০ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষকে চীনা কোম্পানি সিনোফার্মের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উখিয়ার কুতুপালংয়ের ৪-এক্সটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থিত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের হাসাপাতালে টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) শাহ রেজওয়ান হায়াত।
শাহ রেজওয়ান হায়াত বলেন, সরকারের অর্থায়নে রোহিঙ্গাদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে আমরা আরআরআরসি অফিস, জেলা সিভিল সার্জন অফিস টিকাদান কার্যক্রমের বাস্তবায়ন করছি। কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থা আমাদের কারিগরি সহায়তা করছে। প্রথম দফার টিকাদান কার্যক্রম আগামী ১৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।
কক্সবাজার জেলার সিভিল সার্জন ডাক্তার মাহবুবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রথম দফার জন্য বরাদ্দ পাওয়া ৫০ হাজার টিকা সব কেন্দ্রেই যথাসময়ে সরবরাহ করা হয়েছে। প্রথম ডোজ যারা পেয়েছেন তাঁদের যথা সময়ে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।
সরেজমিনে উখিয়ার টিকা কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন প্রশিক্ষিত টিকাদানকারী এবং তিনজন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করেন। সকাল ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত চলে টিকাদান কার্যক্রম। শৃঙ্খলা মেনে পর্যায়ক্রমে টিকা নেন নিবন্ধন করা রোহিঙ্গারা।
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪ এর হোপ হাসপাতালে টিকা নেওয়া রোহিঙ্গা বৃদ্ধ মোহাম্মদ হোসেন (৭০) বলেন, ‘টিকা দেওয়ার সময় ব্যথা পেলেও এখন শান্তি লাগছে কারণ করোনা থেকে বাঁচতে পারবো। ‘
রোহিঙ্গা বৃদ্ধা আমেনা বেগম (৬৫) বলেন, ‘টিকা দিতে সকাল সকাল এখানে এসেছি, টিকা নিয়ে ভালো লাগছে।’
উল্লেখ্য, কক্সবাজারের আশ্রয় শিবিরগুলোতে ৯ আগস্ট পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৬৯২ জন। করোনায় মারা গেছেন ২৯ জন।

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে অবস্থিত ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৫৬টি কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয়েছে টিকাদান কার্যক্রম। প্রথম দফায় ৫৫ বছর বা তারও বেশি বয়সের ৪৮ হাজার ৬০০ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষকে চীনা কোম্পানি সিনোফার্মের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উখিয়ার কুতুপালংয়ের ৪-এক্সটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থিত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের হাসাপাতালে টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) শাহ রেজওয়ান হায়াত।
শাহ রেজওয়ান হায়াত বলেন, সরকারের অর্থায়নে রোহিঙ্গাদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে আমরা আরআরআরসি অফিস, জেলা সিভিল সার্জন অফিস টিকাদান কার্যক্রমের বাস্তবায়ন করছি। কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থা আমাদের কারিগরি সহায়তা করছে। প্রথম দফার টিকাদান কার্যক্রম আগামী ১৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।
কক্সবাজার জেলার সিভিল সার্জন ডাক্তার মাহবুবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রথম দফার জন্য বরাদ্দ পাওয়া ৫০ হাজার টিকা সব কেন্দ্রেই যথাসময়ে সরবরাহ করা হয়েছে। প্রথম ডোজ যারা পেয়েছেন তাঁদের যথা সময়ে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।
সরেজমিনে উখিয়ার টিকা কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন প্রশিক্ষিত টিকাদানকারী এবং তিনজন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করেন। সকাল ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত চলে টিকাদান কার্যক্রম। শৃঙ্খলা মেনে পর্যায়ক্রমে টিকা নেন নিবন্ধন করা রোহিঙ্গারা।
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪ এর হোপ হাসপাতালে টিকা নেওয়া রোহিঙ্গা বৃদ্ধ মোহাম্মদ হোসেন (৭০) বলেন, ‘টিকা দেওয়ার সময় ব্যথা পেলেও এখন শান্তি লাগছে কারণ করোনা থেকে বাঁচতে পারবো। ‘
রোহিঙ্গা বৃদ্ধা আমেনা বেগম (৬৫) বলেন, ‘টিকা দিতে সকাল সকাল এখানে এসেছি, টিকা নিয়ে ভালো লাগছে।’
উল্লেখ্য, কক্সবাজারের আশ্রয় শিবিরগুলোতে ৯ আগস্ট পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৬৯২ জন। করোনায় মারা গেছেন ২৯ জন।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
২ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৩ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৪ ঘণ্টা আগে