রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঘোষিত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে ২২ জুন।
আজ সন্ধ্যায় সিন্ডিকেটের ১২৪ তম বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সিন্ডিকেট সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২১ জুন পর্যন্ত এর আগে ঘোষিত (হল ভেকেন্টসহ) স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম (সকল প্রকার পরীক্ষাসহ) স্থগিত থাকবে। পরদিন ২২ জুন সব হল খুলে দেওয়া হবে এবং শিক্ষা কার্যক্রম পূর্বের মতো চালু হবে। তবে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের বিষয়ে পূর্বের সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে। অর্থাৎ স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে ১৭ জুলাই।
ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের বিরোধে চার দিন ধরে চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আগের বিজ্ঞপ্তিতে আজ মঙ্গলবার (১৪ জুন) থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত একাডেমিক কার্যক্রম ও আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। এ ছাড়া ৬ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ছুটিতে থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার কথা ছিল আগামী ১৭ জুলাই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ডিন, ইনস্টিটিউট পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় প্রধান, প্রভোস্ট এবং ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের সমন্বয়ে দুপুরে আয়োজিত জরুরি সভায় ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রদের আজ বিকেল ৫টার মধ্যে ও ছাত্রীদের আগামীকাল সকাল ১০টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিকুল আলম চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে হল খালি করতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন।
কিন্তু সন্ধ্যায় অনলাইনে আয়োজিত সিন্ডিকেটের বিশেষ সভায় দুপুরের জরুরি সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ক্যাম্পাস বন্ধের সময় কমানো হয়।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঘোষিত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে ২২ জুন।
আজ সন্ধ্যায় সিন্ডিকেটের ১২৪ তম বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সিন্ডিকেট সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২১ জুন পর্যন্ত এর আগে ঘোষিত (হল ভেকেন্টসহ) স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম (সকল প্রকার পরীক্ষাসহ) স্থগিত থাকবে। পরদিন ২২ জুন সব হল খুলে দেওয়া হবে এবং শিক্ষা কার্যক্রম পূর্বের মতো চালু হবে। তবে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের বিষয়ে পূর্বের সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে। অর্থাৎ স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে ১৭ জুলাই।
ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের বিরোধে চার দিন ধরে চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আগের বিজ্ঞপ্তিতে আজ মঙ্গলবার (১৪ জুন) থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত একাডেমিক কার্যক্রম ও আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। এ ছাড়া ৬ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ছুটিতে থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার কথা ছিল আগামী ১৭ জুলাই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ডিন, ইনস্টিটিউট পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় প্রধান, প্রভোস্ট এবং ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের সমন্বয়ে দুপুরে আয়োজিত জরুরি সভায় ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রদের আজ বিকেল ৫টার মধ্যে ও ছাত্রীদের আগামীকাল সকাল ১০টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিকুল আলম চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে হল খালি করতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন।
কিন্তু সন্ধ্যায় অনলাইনে আয়োজিত সিন্ডিকেটের বিশেষ সভায় দুপুরের জরুরি সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ক্যাম্পাস বন্ধের সময় কমানো হয়।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে মোজাহার আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মতরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সর্দারের ছেলে।
৫ মিনিট আগে
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
১ ঘণ্টা আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে