চট্টগ্রাম বন্দর
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

কমলালেবুর ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা কনটেইনারে পাওয়া গেছে কার্টনভর্তি সিগারেট। ভুয়া ঘোষণা ও ভুয়া নথিপত্রের মাধ্যমে আমদানি করা ১ কোটি ২৫ লাখ শলাকা সিগারেট জব্দ করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস।
কাস্টমসের নথি অনুযায়ী, ঢাকাভিত্তিক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আহসান করপোরেশন ১৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা একটি চালানে কমলালেবুর কথা ঘোষণা করেছিল। আমদানিকারকের পক্ষে পণ্য খালাসের দায়িত্বে ছিল চট্টগ্রামের ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্ট দিবা ট্রেডিং লিমিটেড।
সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে কমলালেবু আমদানির ঘোষণা দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ৪০ ফুট লম্বা একটি কনটেইনারে পণ্য আমদানি করে ঢাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আহসান করপোরেশন। পণ্যের চালানটি খালাস নিতে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে ১৯ মে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে দিবা ট্রেডিং লিমিটেড।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের মুখপাত্র এবং ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য থাকার সন্দেহে ২১ মে রাত ২টায় চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারটি পরীক্ষা করা হয়। কনটেইনার খুলে ১ হাজার ২৫০টি কার্টনে দুটি ব্র্যান্ডের মোট ১ কোটি ২৫ লাখ শলাকা সিগারেট এবং ৩৮৭ কার্টন ঘোষিত পণ্য হিসেবে ৫ হাজার ৪১৮ কেজি কমলা পাওয়া যায়।
আমদানির নথি অনুযায়ী ১৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে পণ্যের চালানটি। আটক করা পণ্য চালানের বিপরীতে রাজস্বের পরিমাণ প্রায় ৩০ কোটি টাকা। অর্থাৎ আলোচ্য পণ্য চালানটিতে মিথ্যা ঘোষণায় প্রায় ৩০ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, কনটেইনারটি কমলালেবু হিসেবে ঘোষণা করে আমদানি করা হয়েছিল। কমলালেবু আমদানিতে করের হার ৯০ শতাংশ। সিগারেটের ক্ষেত্রে এই হার ৩২০ শতাংশ থেকে ৬০০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার কাজী রাইহানুজ জামান বলেন, তদন্তের পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কমলালেবুর ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা কনটেইনারে পাওয়া গেছে কার্টনভর্তি সিগারেট। ভুয়া ঘোষণা ও ভুয়া নথিপত্রের মাধ্যমে আমদানি করা ১ কোটি ২৫ লাখ শলাকা সিগারেট জব্দ করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস।
কাস্টমসের নথি অনুযায়ী, ঢাকাভিত্তিক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আহসান করপোরেশন ১৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা একটি চালানে কমলালেবুর কথা ঘোষণা করেছিল। আমদানিকারকের পক্ষে পণ্য খালাসের দায়িত্বে ছিল চট্টগ্রামের ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্ট দিবা ট্রেডিং লিমিটেড।
সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে কমলালেবু আমদানির ঘোষণা দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ৪০ ফুট লম্বা একটি কনটেইনারে পণ্য আমদানি করে ঢাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আহসান করপোরেশন। পণ্যের চালানটি খালাস নিতে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে ১৯ মে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে দিবা ট্রেডিং লিমিটেড।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের মুখপাত্র এবং ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য থাকার সন্দেহে ২১ মে রাত ২টায় চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারটি পরীক্ষা করা হয়। কনটেইনার খুলে ১ হাজার ২৫০টি কার্টনে দুটি ব্র্যান্ডের মোট ১ কোটি ২৫ লাখ শলাকা সিগারেট এবং ৩৮৭ কার্টন ঘোষিত পণ্য হিসেবে ৫ হাজার ৪১৮ কেজি কমলা পাওয়া যায়।
আমদানির নথি অনুযায়ী ১৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে পণ্যের চালানটি। আটক করা পণ্য চালানের বিপরীতে রাজস্বের পরিমাণ প্রায় ৩০ কোটি টাকা। অর্থাৎ আলোচ্য পণ্য চালানটিতে মিথ্যা ঘোষণায় প্রায় ৩০ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, কনটেইনারটি কমলালেবু হিসেবে ঘোষণা করে আমদানি করা হয়েছিল। কমলালেবু আমদানিতে করের হার ৯০ শতাংশ। সিগারেটের ক্ষেত্রে এই হার ৩২০ শতাংশ থেকে ৬০০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার কাজী রাইহানুজ জামান বলেন, তদন্তের পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে