
চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে থানা থেকে লুটের অস্ত্র ও গুলি দিয়ে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পাহাড়তলী থানাধীন দক্ষিণ কাট্টলী জেলেপাড়া পিসি রোড ও নোয়াপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে ও আজ বুধবার এই অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার যুবকেরা হলেন পারভেজ (২৫) ও রিয়াজুর রহমান মুরাদ (২২)।
আজ বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (পশ্চিম) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া বলেন, জেলেপাড়া এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ার সময় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। যাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁর কাছে থাকা ব্যাগে একটি রিভলবার, পাঁচটি গুলি ও ছুরি পাওয়া যায়। পরে অভিযানে আরও একজন গ্রেপ্তার হন।
হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে নির্জন স্থানে পথচারী ও অটোরিকশার চালকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ছিনতাই-ডাকাতি করতেন। এ ছাড়া তাঁরা পতেঙ্গা সৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটক, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে লরি, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান টার্গেট করে ছিনতাই ও ডাকাতিতেও জড়িত।
উদ্ধার রিভলবার ও গুলি গত ৫ আগস্ট পাহাড়তলী থানা থেকে লুট করা হয়েছে বলে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন।
পুলিশ বলেছে, ডাকাতির প্রস্তুতি ও থানা থেকে লুটের অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় পাহাড়তলী থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

দুপুরে গোসল সেরে নতুন পোশাক পরে বাবার সঙ্গে মোটরসাইকেলের সামনে বসেছিল সাড়ে পাঁচ বছরের শিশু বন্ধন চন্দ্র রায়। মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলেন বাবা প্রশান্ত চন্দ্র রায়, আর পেছনে বসেছিলেন দাদা নির্মল চন্দ্র রায়। গন্তব্য ছিল তুলসীহাটের একটি বিয়েবাড়ি। কিন্তু সেই পথ আর শেষ করা হলো না তাঁদের।
২ মিনিট আগে
মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সুপেয় পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। সেই কাজ একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে বাগিয়ে নেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ড্রাফটসম্যান শাহিন আলম। এখন সেই প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা।
৫ ঘণ্টা আগে
পরীক্ষার কক্ষে সবাই বেঞ্চে বসে লিখে যাচ্ছেন খাতায়। তাঁদের পাশে বসে লিখছেন আরেক শিক্ষার্থী কলি রানী। তাঁকে দেওয়া হয়েছে ছোট বেঞ্চ। আর সেখানে বসেই মনোযোগসহকারে পা দিয়ে উত্তর লিখে যাচ্ছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারে তীব্র ওষুধসংকট, জনবল ঘাটতি, দায়িত্বে অবহেলাসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো। ফলে জেলার প্রত্যন্ত এলাকার প্রায় ১১ লাখ মানুষ এসব ক্লিনিক থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধসহ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের বয়স্ক, গর্ভবতী নারী ও নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী।
৬ ঘণ্টা আগে