শৈহ্লাচিং মারমা, রুমা (বান্দরবান)

বান্দরবানে সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি রুমা-সাঙ্গু সরকারি কলেজের একাডেমিক ভবনের নির্মাণকাজ। দুই বছর আগে কাজ অসমাপ্ত রেখেই চলে গেছেন ঠিকাদার। এখন কবে ভবন নির্মাণের কাজ শেষ হবে বলতে পারছেন না কেউ। এ নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
কলেজ কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তর তত্ত্বাবধানে ২০১৭ সালে শেষের দিকে ৭৫ লাখ টাকার ব্যয়ে রুমা-সাঙ্গু কলেজে একাডেমিক ভবন নির্মাণ শুরু হয়। এর ঠিকাদার ছিল কক্সবাজারের আনছার এন্টারপ্রাইজ। কিন্তু ২০১৯ সালে ৩০ জুনের পর কাজটি অসমাপ্ত অবস্থায় রেখে চলে যায় প্রতিষ্ঠানটি। তার আগে প্রায় ৬০ লাখ টাকা বিল তুলে নেয় ঠিকাদার মো. নূর আলম।
গত সোমবার সকালে কলেজে গিয়ে দেখা যায়, চারদিকে আগাছা ও লতাপাতার বেষ্টনীতে অনেকটা পুরোনো ভবনের মতো দেখায় অসমাপ্ত ভবনটি। ভবনের ছাদে কয়েকটি স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্ত থেকে বৃষ্টি পানি চুঁইয়ে ভবনের ভেতর পড়ছে।
কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুই প্রু চিং মারমা বলেন, পার্বত্য মন্ত্রী আন্তরিকতায় একাডেমিক ভবন নির্মাণের বরাদ্দ এসে ছিল। কিন্তু ভবনটি কাজ অর্ধেক ফেলে চলে গেছে ঠিকাদার। ভবনটি কখন শেষ হবে আমরা কেউ বলতে পারছি না। তবে কয়েক দিন আগে প্রকৌশলী পরিচয় দিয়ে ভবনটি পরিদর্শন করে চলে গেছেন বলে জানান অধ্যক্ষ।
জানতে চাইলে শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের বান্দরবান জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী বিজক চাকমা বলেন, বর্তমান কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন এক সপ্তাহ আগে। পরে ফাইল দেখে জেনে এ বিষয়ে বলতে পারবেন বলে জানান তিনি।
অভিযোগ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে আনছার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. নূর আলম এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। এই প্রতিবেদন প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।

বান্দরবানে সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি রুমা-সাঙ্গু সরকারি কলেজের একাডেমিক ভবনের নির্মাণকাজ। দুই বছর আগে কাজ অসমাপ্ত রেখেই চলে গেছেন ঠিকাদার। এখন কবে ভবন নির্মাণের কাজ শেষ হবে বলতে পারছেন না কেউ। এ নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
কলেজ কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তর তত্ত্বাবধানে ২০১৭ সালে শেষের দিকে ৭৫ লাখ টাকার ব্যয়ে রুমা-সাঙ্গু কলেজে একাডেমিক ভবন নির্মাণ শুরু হয়। এর ঠিকাদার ছিল কক্সবাজারের আনছার এন্টারপ্রাইজ। কিন্তু ২০১৯ সালে ৩০ জুনের পর কাজটি অসমাপ্ত অবস্থায় রেখে চলে যায় প্রতিষ্ঠানটি। তার আগে প্রায় ৬০ লাখ টাকা বিল তুলে নেয় ঠিকাদার মো. নূর আলম।
গত সোমবার সকালে কলেজে গিয়ে দেখা যায়, চারদিকে আগাছা ও লতাপাতার বেষ্টনীতে অনেকটা পুরোনো ভবনের মতো দেখায় অসমাপ্ত ভবনটি। ভবনের ছাদে কয়েকটি স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্ত থেকে বৃষ্টি পানি চুঁইয়ে ভবনের ভেতর পড়ছে।
কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুই প্রু চিং মারমা বলেন, পার্বত্য মন্ত্রী আন্তরিকতায় একাডেমিক ভবন নির্মাণের বরাদ্দ এসে ছিল। কিন্তু ভবনটি কাজ অর্ধেক ফেলে চলে গেছে ঠিকাদার। ভবনটি কখন শেষ হবে আমরা কেউ বলতে পারছি না। তবে কয়েক দিন আগে প্রকৌশলী পরিচয় দিয়ে ভবনটি পরিদর্শন করে চলে গেছেন বলে জানান অধ্যক্ষ।
জানতে চাইলে শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের বান্দরবান জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী বিজক চাকমা বলেন, বর্তমান কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন এক সপ্তাহ আগে। পরে ফাইল দেখে জেনে এ বিষয়ে বলতে পারবেন বলে জানান তিনি।
অভিযোগ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে আনছার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. নূর আলম এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। এই প্রতিবেদন প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
১ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
২ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
২ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
২ ঘণ্টা আগে