
চট্টগ্রাম নগরের খুলশীর আমবাগান বড় মসজিদ এলাকায় বিরিয়ানি বিতরণকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে হওয়া এ ঘটনায় তিনজন ছুরিকাহত হয়েছেন। তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মারামারির ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ ওয়াসিম ও সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরনের সমর্থকদের মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে আমবাগান এলাকার স্বপন চক্রবর্তীর ছেলে টিটু চক্রবর্তী (২৩) ও রহমানের ছেলে বাবলু (২০) হিরণের সমর্থক হিসেবে পরিচিত। আহত অন্যজন আতাউর রহমানের ছেলে মো. সুজন (২০) ওয়াসিমের অনুসারী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিজয় দিবসের শোভাযাত্রা শেষে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে বিরিয়ানি বিতরণ করা হচ্ছিল। এ সময় বিরিয়ানির প্যাকেট নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। সেটি থেকে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। এ সময় তিনজনকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
আটক চারজনের মধ্যে দুজনের নাম পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে আহত সুজনকে আটক দেখিয়েছে পুলিশ। সংঘর্ষের সময় তাঁর আঙুল কাটা পড়েছে। নাম পাওয়া অন্যজন হলেন রুবেল।
দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সন্তোষ চাকমা। আজ সন্ধ্যায় তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুই পক্ষের মারামারির ঘটনায় আমরা চারজনকে আটক করেছি। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে।’

শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘নবীন বরণ আয়োজনের আড়ালে নবীন শিক্ষার্থীদের হাতে বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ রাজনৈতিক মতাদর্শের বই তুলে দেওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশেষ করে গোলাম আযম, যিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের...
১৩ মিনিট আগে
১ সেপ্টেম্বর থেকে পদ্মা নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চকরাজাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন চরাঞ্চলে শুরু হয় নদীভাঙন। এতে চকরাজাপুর, কালিদাসখালী, লক্ষ্মীনগর, দাদপুর, নিচ পলাশি, পলাশি ফতেপুর, আতারপাড়া, চৌমাদিয়া ও দিয়ারকাদিরপুরসহ ১৫টি চরের প্রায় ১ হাজার ২০০ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
১৬ মিনিট আগে
জাতীয় ঈদগাহর প্রধান ফটকের সামনের ফুটপাত এবং কদম ফোয়ারা মোড় থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে শাহবাগ থানা-পুলিশ। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য দুটি মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
২০ মিনিট আগে
শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ যখন তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ-সংকটে কষ্ট পাচ্ছে, তখন বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সংকট সমাধানে টেকনিক্যাল এক্সপার্টদের নিয়ে একটি টিম গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকার সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। সংসদের ভেতরে বারবার বিষয়টি তুলে ধরেও সমাধান না হওয়ায় আমরা রাজপথে নেমেছি।
২২ মিনিট আগে