কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের কাছে ‘বাবু মিয়া’ নামে পরিচিত। আমৃত্যু ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে কবরে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল নামতো। পা ফেলার জায়গা থাকত না আনোয়ারার হাইলধরের গ্রামের বাড়িতে।
গতকাল ৪ নভেম্বর ছিল তাঁর ১২ তম মৃত্যুবার্ষিকী। এই দিন শ্রদ্ধা জানাতে কবরস্থানে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যায়নি দল বা পরিবারের কেউ। দেখা যায়নি সরকারি–বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানাতে আসা কোনো মানুষকে।
প্রতিবারই মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে এক মাস আগে থেকে নগরীর আনোয়ারা ও কর্ণফুলী এলাকা ব্যানার–পোস্টারে ঢাকা পড়ত। শোকবার্তায় ভরপুর থাকত পত্রিকার ভেতরে-বাইরে প্রায় পুরো পাতা। কিন্তু এই বছর সেই দৃশ্যপট নেই হাইলধরের কবরস্থানে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, ‘অন্যান্য বছর (৪ নভেম্বর) এই দিনে কবরস্থানে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ভিড়ে পা ফেলার জায়গা পাওয়া যেত না। কিন্তু আজ কোনো নেতা কর্মীদের এখানে আসতে দেখিনি। অন্যান্যবার ভোর থেকে হাজারো নেতা কর্মী আসত। ফুলের স্তূপ পড়ে যেত, কিন্তু এবার কবরে একটি ফুল দিতেও কেউ আসেনি।’
তিনি বলেন, ‘২০১২ সালে মৃত্যুর পর আওয়ামী লীগের ক্ষমতাবিহীন এটি প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। এখান থেকে রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।’
নাম প্রকাশ না করে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে কোরআন খতম করা হয়েছে। সকালে কর্ণফুলী থেকে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম হকসহ কয়েকজন নেতা কর্মী এসে জিয়ারত করে চলে গেছেন।’
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর ছেলে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ পরিবারসহ দেশ ছাড়েন। নেতা কর্মীরাও গ্রেপ্তার আতঙ্কে ঘরছাড়া রয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের কাছে ‘বাবু মিয়া’ নামে পরিচিত। আমৃত্যু ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে কবরে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল নামতো। পা ফেলার জায়গা থাকত না আনোয়ারার হাইলধরের গ্রামের বাড়িতে।
গতকাল ৪ নভেম্বর ছিল তাঁর ১২ তম মৃত্যুবার্ষিকী। এই দিন শ্রদ্ধা জানাতে কবরস্থানে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যায়নি দল বা পরিবারের কেউ। দেখা যায়নি সরকারি–বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানাতে আসা কোনো মানুষকে।
প্রতিবারই মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে এক মাস আগে থেকে নগরীর আনোয়ারা ও কর্ণফুলী এলাকা ব্যানার–পোস্টারে ঢাকা পড়ত। শোকবার্তায় ভরপুর থাকত পত্রিকার ভেতরে-বাইরে প্রায় পুরো পাতা। কিন্তু এই বছর সেই দৃশ্যপট নেই হাইলধরের কবরস্থানে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, ‘অন্যান্য বছর (৪ নভেম্বর) এই দিনে কবরস্থানে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ভিড়ে পা ফেলার জায়গা পাওয়া যেত না। কিন্তু আজ কোনো নেতা কর্মীদের এখানে আসতে দেখিনি। অন্যান্যবার ভোর থেকে হাজারো নেতা কর্মী আসত। ফুলের স্তূপ পড়ে যেত, কিন্তু এবার কবরে একটি ফুল দিতেও কেউ আসেনি।’
তিনি বলেন, ‘২০১২ সালে মৃত্যুর পর আওয়ামী লীগের ক্ষমতাবিহীন এটি প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। এখান থেকে রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।’
নাম প্রকাশ না করে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে কোরআন খতম করা হয়েছে। সকালে কর্ণফুলী থেকে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম হকসহ কয়েকজন নেতা কর্মী এসে জিয়ারত করে চলে গেছেন।’
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর ছেলে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ পরিবারসহ দেশ ছাড়েন। নেতা কর্মীরাও গ্রেপ্তার আতঙ্কে ঘরছাড়া রয়েছেন।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
৩৩ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
৩৮ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তা ছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
১ ঘণ্টা আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে