চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে মাকে মারধর করে হত্যার দায়ে ছেলেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুরের জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ মো. মহিসনুল হক এই রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) রনজিত রায় চৌধুরী।
তিনি জানান, মামলাটি ৪ বছরের অধিক সময় চলাকালীন আদালত ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য গ্রহণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আসামির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এই রায় দেন। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
সাজাপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির নাম আবুল কালাম বাহার (৫০)। তিনি জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের পূর্ব ধানুয়া গ্রামের মিজি বাড়ির মৃত আব্দুল খালেক মিজির ছেলে। হত্যার শিকার ছালেহা খাতুন (৮০) খালেক মিজির স্ত্রী ও সাজাপ্রাপ্ত আবুল কালামের মা।
আদালতের নথি ও মামলার বাদীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাজাপ্রাপ্ত আবুল কালাম বাহার একসময় প্রবাসে ছিলেন। দেশে ফিরে তিনি অনেক সময় অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতেন। এ কারণে তাঁর স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে যায়। এরপরে বিভিন্ন সময়ে বাহার তাঁর মা ছালেহা খাতুনকে মারধর করতেন। ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৩টার দিকে তিনি মায়ের ঘরে ঢুকে অতর্কিত মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে ঘরের স্টিলের দরজার ছিটকিনি ছালেহা খাতুনের চোখে ঢুকে যায় এবং তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে বাড়ির অন্য সদস্যরা চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাঁকে নিয়ে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ছালেহা খাতুনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ছালেহা খাতুনের জামাই মো. রুহুল আমিন মিজি পরদিন ২৪ জুলাই ফরিদঞ্জ থানায় আবুল কালাম বাহারকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয় ফরিদগঞ্জ থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) কাজী মো. জাকারিয়াকে। তিনি মামলাটি তদন্ত শেষে ওই বছর ১৩ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে মাকে মারধর করে হত্যার দায়ে ছেলেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুরের জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ মো. মহিসনুল হক এই রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) রনজিত রায় চৌধুরী।
তিনি জানান, মামলাটি ৪ বছরের অধিক সময় চলাকালীন আদালত ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য গ্রহণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আসামির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এই রায় দেন। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
সাজাপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির নাম আবুল কালাম বাহার (৫০)। তিনি জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের পূর্ব ধানুয়া গ্রামের মিজি বাড়ির মৃত আব্দুল খালেক মিজির ছেলে। হত্যার শিকার ছালেহা খাতুন (৮০) খালেক মিজির স্ত্রী ও সাজাপ্রাপ্ত আবুল কালামের মা।
আদালতের নথি ও মামলার বাদীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাজাপ্রাপ্ত আবুল কালাম বাহার একসময় প্রবাসে ছিলেন। দেশে ফিরে তিনি অনেক সময় অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতেন। এ কারণে তাঁর স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে যায়। এরপরে বিভিন্ন সময়ে বাহার তাঁর মা ছালেহা খাতুনকে মারধর করতেন। ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৩টার দিকে তিনি মায়ের ঘরে ঢুকে অতর্কিত মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে ঘরের স্টিলের দরজার ছিটকিনি ছালেহা খাতুনের চোখে ঢুকে যায় এবং তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে বাড়ির অন্য সদস্যরা চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাঁকে নিয়ে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ছালেহা খাতুনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ছালেহা খাতুনের জামাই মো. রুহুল আমিন মিজি পরদিন ২৪ জুলাই ফরিদঞ্জ থানায় আবুল কালাম বাহারকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয় ফরিদগঞ্জ থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) কাজী মো. জাকারিয়াকে। তিনি মামলাটি তদন্ত শেষে ওই বছর ১৩ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে