আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

জীবিকার তাগিদে ২০১৬ সালে কাতারে পাড়ি জমান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মো. সুমন মিয়া (৩৫)। পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করে বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন দেশে। কিন্তু আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে সুমনের মরদেহ দেশে ফিরেছে। বাবা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলছেন, ‘আমার ধন এসে বিয়ে করার কথা ছিল, এইডা আল্লাহ কী করল।’
গত ৭ সেপ্টেম্বর কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন তিনি। পরে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সুমনের মরদেহ দেশে আনে পরিবার। সুমন মিয়া উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চানপুর দক্ষিণপাড়া মো. মান্নান মিয়ার বড় ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ি নির্মাণের কাজ শেষ করে পরিবারের বড় ছেলের বিয়ে ধুমধামে দেবেন বলে আশা ছিল মা-বাবার। ছেলের পাত্রী দেখাও শুরু করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু ফিরল সুমনের মরদেহ!
নিহত সুমনের বাবা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার ধন এসে বিয়ে করার কথা ছিল, এইডা আল্লাহ কী করল! আমার সুমন এসেছে, কিন্তু সুমন কেন কথা বলে না!’ এদিকে সুমনের অকালমৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় পল্লি চিকিৎসক মো. রতন ভূঁইয়া বলেন, ‘কোনো ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। অল্পতেই ঝড়ে গেল আমাদের এলাকার এই রেমিট্যান্স যোদ্ধা। কাতারে সে ভালো অবস্থানেই ছিল। পরিবারের সবাইকে আল্লাহ ধৈর্য ধরার তৌফিক দান করুক।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য অহিদ ভূঁইয়া বলেন, ‘ছেলেটা অনেক ভদ্র ছিল। পরিবারের বড় ছেলে হিসেবে যেটুকু কষ্ট করা দরকার, তা যথাযথই দায়িত্ব পালন করতে দেখেছি। সুমনের অকালমৃত্যু মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাত নসিব করুক।’

জীবিকার তাগিদে ২০১৬ সালে কাতারে পাড়ি জমান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মো. সুমন মিয়া (৩৫)। পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করে বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন দেশে। কিন্তু আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে সুমনের মরদেহ দেশে ফিরেছে। বাবা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলছেন, ‘আমার ধন এসে বিয়ে করার কথা ছিল, এইডা আল্লাহ কী করল।’
গত ৭ সেপ্টেম্বর কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন তিনি। পরে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সুমনের মরদেহ দেশে আনে পরিবার। সুমন মিয়া উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চানপুর দক্ষিণপাড়া মো. মান্নান মিয়ার বড় ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ি নির্মাণের কাজ শেষ করে পরিবারের বড় ছেলের বিয়ে ধুমধামে দেবেন বলে আশা ছিল মা-বাবার। ছেলের পাত্রী দেখাও শুরু করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু ফিরল সুমনের মরদেহ!
নিহত সুমনের বাবা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার ধন এসে বিয়ে করার কথা ছিল, এইডা আল্লাহ কী করল! আমার সুমন এসেছে, কিন্তু সুমন কেন কথা বলে না!’ এদিকে সুমনের অকালমৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় পল্লি চিকিৎসক মো. রতন ভূঁইয়া বলেন, ‘কোনো ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। অল্পতেই ঝড়ে গেল আমাদের এলাকার এই রেমিট্যান্স যোদ্ধা। কাতারে সে ভালো অবস্থানেই ছিল। পরিবারের সবাইকে আল্লাহ ধৈর্য ধরার তৌফিক দান করুক।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য অহিদ ভূঁইয়া বলেন, ‘ছেলেটা অনেক ভদ্র ছিল। পরিবারের বড় ছেলে হিসেবে যেটুকু কষ্ট করা দরকার, তা যথাযথই দায়িত্ব পালন করতে দেখেছি। সুমনের অকালমৃত্যু মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাত নসিব করুক।’

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে