
বগুড়ার কাহালু উপজেলায় পিকআপ ও প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন একজন। হতাহত সবাই প্রাইভেট কারের যাত্রী। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ওই উপজেলার বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কে কালেরপুকুর এলাকায় রোকেয়া ফিলিং স্টেশনের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমবার হোসেন।
নিহতরা হলেন- নওগাঁর ধামুরহাট এলাকার তানছের আলী (৬০), তাঁর ছেলে আরাফাত আলী টগর (৩৫), একই এলাকার তানছের আলীর আত্মীয় মফিজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রহমান (৩৫) এবং প্রাইভেটকারের চালক নওগাঁর পত্নীতলা এলাকার মান্নু মিয়ার ছেলে সুমন (৩০)।
এতে শাকিল (২০) নামে আরও এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) পাঠানো হয়েছে। হতাহতরা সবাই প্রাইভেটকারের যাত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, তানছের আলী ক্যান্সারে আক্রান্ত। চিকিৎসার জন্য তাঁকে নিয়ে প্রাইভেট কারে নওগাঁ থেকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে যাচ্ছিলেন তাঁর ছেলে ও অন্যরা। কাহালুর দরগাহ হাট এলাকায় পৌঁছালে বগুড়া থেকে নওগাঁগামী একটি পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তানছের আলী, তাঁর ছেলে টগর ও প্রাইভেটকারের চালক সুমন নিহত হন। আহতদের মধ্যে শাকিল ও আব্দুর রহমানকে উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে আব্দুর রহমান মারা যান।
ওসি আমবার হোসেন জানান, সকালে নওগাঁ থেকে একটি যাত্রীবাহী প্রাইভেট কার বগুড়ার দিকে আসছিল। পথে নওগাঁগামী দ্রুতগতির একটি পিকআপের সঙ্গে ওই প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেট কারের তিন যাত্রী নিহত হন। পরে শজিমেক হাসপাতালে আরও একজন মারা যান।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া কালবৈশাখীর ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির কারণে কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। এর আগেও কয়েক সপ্তাহ ধরে এলাকায় তীব্র লোডশেডিং চলছিল, যা হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবাকে ব্যাহত করছে।
১৩ মিনিট আগে
২৬ এপ্রিল ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সেমিস্টারের প্রেজেন্টেশন পেপার প্রিন্ট করতে মদিনা মার্কেটের হক ম্যানশনে অবস্থিত একটি দোকানে যান। সেখানে প্রতি পৃষ্ঠা ৩০ টাকা করে লেখা ও প্রিন্ট করতে অর্ডার করেন তিনি। কাজ শেষে দোকানের কর্মচারী অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।
২৬ মিনিট আগে
পরিবারের ভাষ্য, নাঈম প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। তবে রাতেও তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরদিন সকালে তাঁর মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া পান।
৩১ মিনিট আগে
মেজর সাদমান ইবনে আলম বলেন, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে র্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
১ ঘণ্টা আগে