বগুড়া প্রতিনিধি

চাকরি দেওয়ার নামে লিবিয়ায় নিয়ে দুই ভাইকে আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায় চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বগুড়া জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। ওই দুজনকে গ্রেপ্তারের পর জিম্মি দুই ভাইকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গ্রেপ্তার দুজনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে মুক্তিপণের জন্য নেওয়া এক লাখ টাকা।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্নিগ্ধ আকতার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এই প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
গ্রেপ্তার দুজন হলো বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার শিহিপুর গ্রামের আয়েন উদ্দিন প্রামানিকের ছেলে পান্নু মিয়া (৩৫) ও একই উপজেলার নওদাবগা গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে শিপলু সরকার (৪০)। পান্নুর ভাই লিবিয়া প্রবাসী পায়েল অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে পুলিশ জানায়।
এর আগে ৮ জুন ওই ঘটনায় জড়িত দুই আসামিকে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া থেকে গ্রেপ্তার এবং জিম্মি হওয়া দুই ভাইয়ের মধ্যে একজনকে উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, গত ৮ জুন বগুড়ার দুপচাঁচিয়া থানায় মানব পাচার দমন ও প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন ওই উপজেলার বাসিন্দা রাব্বী খন্দকার। তিনি অভিযোগ করেন তাঁর দুই ভাই পাপ্পু খন্দকার (২৭) ও সাঈদ খন্দকারকে (২৪) ভালো বেতনে লিবিয়ায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেন উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার মোন্তাহা স্টোরের স্বত্বাধিকারী উজ্জ্বল হোসেন। পরে তাঁর কথামতো ১১ লাখ টাকা দিয়ে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর পাপ্পু খন্দকারকে এবং চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি সাঈদ খন্দকারকে লিবিয়ায় পাঠিয়ে দেয়।
লিবিয়ায় অবস্থানরত উজ্জ্বলের পূর্বপরিচিত সাব্বির হোসেন ওই দুজনকে লিবিয়ার হাসপাতালে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা দিয়েছিলেন। লিবিয়ায় পৌঁছার পর ওই দুই ভাইকে কোনো চাকরি না দিয়ে বসিয়ে রাখেন সাব্বির। পরে চাকরির ব্যবস্থা হয়েছে বলে গত ২৫ মার্চ তাঁদের দুই ভাইকে পৃথক দুই শহরে নিয়ে আটকে রাখেন। এরপর তাঁদের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, ওই ঘটনায় ৮ জুন মামলার পরপরই ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে উজ্জ্বল হোসেন (৩৫) ও সফাত মণ্ডল (৩২) নামের দুজনকে আটক করে। তাঁদের আটকের পর সাঈদ খন্দকারকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। গত ২৩ জুন সাঈদকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। কিন্তু ওই চক্রের হাতে আটক অপর ভাইয়ের কোনো সন্ধান মিলছিল না।
সম্প্রতি অপহরণকারী চক্র পাপ্পু খন্দকারকে মুক্তি দিতে ৪ লাখ টাকা দাবি করে যোগাযোগ করে। এ জন্য তারা একটি বেসরকারি ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্ট নম্বর দেয়। বাদী ওই নম্বরে এক লাখ টাকা দেওয়ার পর অবশিষ্ট টাকা দিতে চাপ দেয় ওই চক্র। তখন পুলিশের পরামর্শে নগদ টাকা দিতে সম্মত হয় পাপ্পুর পরিবার। গত সোমবার সন্ধ্যায় সেই টাকা নিতে এলে পুলিশের হাতে আটক হয় সোনাতলা উপজেলার পান্নু ও শিপলু। তাদের মাধ্যমে যোগাযোগ করে পরে অপহৃত পাপ্পুকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।
তিনি বলেন, দ্রুতই পাপ্পু খন্দকারকে দেশে ফিরিয়ে নিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পাপ্পুর ভাইয়ের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার পান্নু ও শিপলুকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

চাকরি দেওয়ার নামে লিবিয়ায় নিয়ে দুই ভাইকে আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায় চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বগুড়া জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। ওই দুজনকে গ্রেপ্তারের পর জিম্মি দুই ভাইকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গ্রেপ্তার দুজনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে মুক্তিপণের জন্য নেওয়া এক লাখ টাকা।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্নিগ্ধ আকতার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এই প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
গ্রেপ্তার দুজন হলো বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার শিহিপুর গ্রামের আয়েন উদ্দিন প্রামানিকের ছেলে পান্নু মিয়া (৩৫) ও একই উপজেলার নওদাবগা গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে শিপলু সরকার (৪০)। পান্নুর ভাই লিবিয়া প্রবাসী পায়েল অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে পুলিশ জানায়।
এর আগে ৮ জুন ওই ঘটনায় জড়িত দুই আসামিকে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া থেকে গ্রেপ্তার এবং জিম্মি হওয়া দুই ভাইয়ের মধ্যে একজনকে উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, গত ৮ জুন বগুড়ার দুপচাঁচিয়া থানায় মানব পাচার দমন ও প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন ওই উপজেলার বাসিন্দা রাব্বী খন্দকার। তিনি অভিযোগ করেন তাঁর দুই ভাই পাপ্পু খন্দকার (২৭) ও সাঈদ খন্দকারকে (২৪) ভালো বেতনে লিবিয়ায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেন উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার মোন্তাহা স্টোরের স্বত্বাধিকারী উজ্জ্বল হোসেন। পরে তাঁর কথামতো ১১ লাখ টাকা দিয়ে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর পাপ্পু খন্দকারকে এবং চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি সাঈদ খন্দকারকে লিবিয়ায় পাঠিয়ে দেয়।
লিবিয়ায় অবস্থানরত উজ্জ্বলের পূর্বপরিচিত সাব্বির হোসেন ওই দুজনকে লিবিয়ার হাসপাতালে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা দিয়েছিলেন। লিবিয়ায় পৌঁছার পর ওই দুই ভাইকে কোনো চাকরি না দিয়ে বসিয়ে রাখেন সাব্বির। পরে চাকরির ব্যবস্থা হয়েছে বলে গত ২৫ মার্চ তাঁদের দুই ভাইকে পৃথক দুই শহরে নিয়ে আটকে রাখেন। এরপর তাঁদের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, ওই ঘটনায় ৮ জুন মামলার পরপরই ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে উজ্জ্বল হোসেন (৩৫) ও সফাত মণ্ডল (৩২) নামের দুজনকে আটক করে। তাঁদের আটকের পর সাঈদ খন্দকারকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। গত ২৩ জুন সাঈদকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। কিন্তু ওই চক্রের হাতে আটক অপর ভাইয়ের কোনো সন্ধান মিলছিল না।
সম্প্রতি অপহরণকারী চক্র পাপ্পু খন্দকারকে মুক্তি দিতে ৪ লাখ টাকা দাবি করে যোগাযোগ করে। এ জন্য তারা একটি বেসরকারি ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্ট নম্বর দেয়। বাদী ওই নম্বরে এক লাখ টাকা দেওয়ার পর অবশিষ্ট টাকা দিতে চাপ দেয় ওই চক্র। তখন পুলিশের পরামর্শে নগদ টাকা দিতে সম্মত হয় পাপ্পুর পরিবার। গত সোমবার সন্ধ্যায় সেই টাকা নিতে এলে পুলিশের হাতে আটক হয় সোনাতলা উপজেলার পান্নু ও শিপলু। তাদের মাধ্যমে যোগাযোগ করে পরে অপহৃত পাপ্পুকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।
তিনি বলেন, দ্রুতই পাপ্পু খন্দকারকে দেশে ফিরিয়ে নিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পাপ্পুর ভাইয়ের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার পান্নু ও শিপলুকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
১৭ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
২ ঘণ্টা আগে