নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার নন্দীগ্রামে গরু চোরচক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার ও দুটি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার থেকে গতকাল বুধবার রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- নন্দীগ্রাম উপজেলার শহরকুড়ি গ্রামের আব্দুল মজিদ (৪৬), কামুল্যা গ্রামের ফারুক হোসেন (৩৭), শিবগঞ্জ উপজেলার আলাদীপুর গ্রামের তারাজুল ইসলাম (৪৫) ও রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার কাছুপাড়া গ্রামের আব্দুল আজাদ (৪৫)।
অভিযান পরিচালনা করেন নন্দীগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খাইরুল ইসলাম ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স। আজ বৃহস্পতিবার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, গত বছরের ১৮ জুন নন্দীগ্রামের তেঘর গ্রামের শিহাব আলীর বাড়ি থেকে ৪টি গরু চুরি হয়। এ ঘটনায় নন্দীগ্রাম থানার মামলা হলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তির সাহায্য ওই চোরচক্রের সদস্যদের অবস্থান জানা যায়।
এতে দেখা যায়, আসামিদের অবস্থান যেদিন যে এলাকায় থাকে সেই এলাকাতেই গরু চুরি হয়। ফলে নন্দীগ্রাম থানা‑পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে এই চোরচক্রের সরদার আব্দুল মজিদ ও চোরাই গরুর ক্রেতা কসাই আব্দুল আজাদকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে চোর চক্রের প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন সদস্যের নাম পাওয়া যায়।
যারা অভিনব কৌশলে বগুড়াসহ আশপাশের জেলায় গত ৪‑৫ বছর ধরে গরু চুরি করে ঢাকার আশুলিয়ার জিরানিতে নিয়ে জবাই করে মাংস বিক্রি করে।
ওসি আনোয়ার হোসেন আরও জানান, চোরাই গরুগুলোর মধ্যে দুটি গরু বগুড়ার শিবগঞ্জ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া চোরাই কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান, একটি তালা কাটার মেশিন ও রশি গাবতলী থানা এলাকা থেকে জব্দ করা হয়।
এ ছাড়া একাধিক গরু চোরচক্রের নেতাদের সনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। সনাক্ত করা গরু চোর‑চক্রের অধিকাংশ নেতাদের সমন্বয় করতেন আব্দুল মজিদ। মজিদসহ গ্রেপ্তার বাকি আসামিদের আজ বৃহস্পতিবার বগুড়া জেলা আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

বগুড়ার নন্দীগ্রামে গরু চোরচক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার ও দুটি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার থেকে গতকাল বুধবার রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- নন্দীগ্রাম উপজেলার শহরকুড়ি গ্রামের আব্দুল মজিদ (৪৬), কামুল্যা গ্রামের ফারুক হোসেন (৩৭), শিবগঞ্জ উপজেলার আলাদীপুর গ্রামের তারাজুল ইসলাম (৪৫) ও রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার কাছুপাড়া গ্রামের আব্দুল আজাদ (৪৫)।
অভিযান পরিচালনা করেন নন্দীগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খাইরুল ইসলাম ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স। আজ বৃহস্পতিবার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, গত বছরের ১৮ জুন নন্দীগ্রামের তেঘর গ্রামের শিহাব আলীর বাড়ি থেকে ৪টি গরু চুরি হয়। এ ঘটনায় নন্দীগ্রাম থানার মামলা হলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তির সাহায্য ওই চোরচক্রের সদস্যদের অবস্থান জানা যায়।
এতে দেখা যায়, আসামিদের অবস্থান যেদিন যে এলাকায় থাকে সেই এলাকাতেই গরু চুরি হয়। ফলে নন্দীগ্রাম থানা‑পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে এই চোরচক্রের সরদার আব্দুল মজিদ ও চোরাই গরুর ক্রেতা কসাই আব্দুল আজাদকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে চোর চক্রের প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন সদস্যের নাম পাওয়া যায়।
যারা অভিনব কৌশলে বগুড়াসহ আশপাশের জেলায় গত ৪‑৫ বছর ধরে গরু চুরি করে ঢাকার আশুলিয়ার জিরানিতে নিয়ে জবাই করে মাংস বিক্রি করে।
ওসি আনোয়ার হোসেন আরও জানান, চোরাই গরুগুলোর মধ্যে দুটি গরু বগুড়ার শিবগঞ্জ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া চোরাই কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান, একটি তালা কাটার মেশিন ও রশি গাবতলী থানা এলাকা থেকে জব্দ করা হয়।
এ ছাড়া একাধিক গরু চোরচক্রের নেতাদের সনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। সনাক্ত করা গরু চোর‑চক্রের অধিকাংশ নেতাদের সমন্বয় করতেন আব্দুল মজিদ। মজিদসহ গ্রেপ্তার বাকি আসামিদের আজ বৃহস্পতিবার বগুড়া জেলা আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে