গনেশ দাস, বগুড়া

একাদশ সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে প্রায় ২ লাখ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম বাবলু। এবার দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মাত্র ২ হাজার ৭ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন তিনি।
এত কম ভোট পাওয়া প্রসঙ্গে রেজাউল করিম বাবলু বলেন, ‘একাদশ সংসদ নির্বাচনে আমি বিএনপির সমর্থন পেয়ে তাদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলাম। এবারও গাবতলী উপজেলা বিএনপির এক নেতার আশ্বাসে প্রার্থী হয়েছিলাম। সেই নেতা এবার আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করে সেই নেতার মুখোশ উন্মোচন করব।’
বাবলু আরও বলেন, ‘নির্বাচনে পরাজিত হলেও আমার লোকসান হয়নি। ঘোড়া যে দামে কিনেছিলাম, সেই দামেই বিক্রি করেছি। মাঝে চাবুকটাই আমার লাভ। এতে লোকসান হয়েছে বিএনপির। এই আসনে নৌকার বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিএনপির কফিনে শেষ পেরেক বসিয়ে দিল আওয়ামী লীগ।’
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১২ জনকেই তাঁদের জামানত হারাতে হয়েছে।
জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও গাবতলী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম হেলাল বলেন, ‘২০১৮ সালে বিএনপি ভোট বর্জন করেনি। দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ার কারণে রেজাউল করিম বাবলুকে সমর্থন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার বিএনপি ভোট বর্জন করেছে, যার কারণে কোনো প্রার্থীকে আশ্বাস দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। রেজাউল করিম বাবলু কোন নেতার আশ্বাসে বিএনপির ভোট প্রত্যাশা করেছিলেন, সেটি তাঁর পরিষ্কার করে বলা উচিত।’

একাদশ সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে প্রায় ২ লাখ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম বাবলু। এবার দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মাত্র ২ হাজার ৭ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন তিনি।
এত কম ভোট পাওয়া প্রসঙ্গে রেজাউল করিম বাবলু বলেন, ‘একাদশ সংসদ নির্বাচনে আমি বিএনপির সমর্থন পেয়ে তাদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলাম। এবারও গাবতলী উপজেলা বিএনপির এক নেতার আশ্বাসে প্রার্থী হয়েছিলাম। সেই নেতা এবার আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করে সেই নেতার মুখোশ উন্মোচন করব।’
বাবলু আরও বলেন, ‘নির্বাচনে পরাজিত হলেও আমার লোকসান হয়নি। ঘোড়া যে দামে কিনেছিলাম, সেই দামেই বিক্রি করেছি। মাঝে চাবুকটাই আমার লাভ। এতে লোকসান হয়েছে বিএনপির। এই আসনে নৌকার বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিএনপির কফিনে শেষ পেরেক বসিয়ে দিল আওয়ামী লীগ।’
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১২ জনকেই তাঁদের জামানত হারাতে হয়েছে।
জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও গাবতলী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম হেলাল বলেন, ‘২০১৮ সালে বিএনপি ভোট বর্জন করেনি। দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ার কারণে রেজাউল করিম বাবলুকে সমর্থন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার বিএনপি ভোট বর্জন করেছে, যার কারণে কোনো প্রার্থীকে আশ্বাস দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। রেজাউল করিম বাবলু কোন নেতার আশ্বাসে বিএনপির ভোট প্রত্যাশা করেছিলেন, সেটি তাঁর পরিষ্কার করে বলা উচিত।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে