শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার শিবগঞ্জে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখিয়ে আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক এসআইয়ের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই এসআইয়ের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন রাকিবুল হাসান নামের এক কলেজছাত্র।
অভিযুক্ত এসআইয়ের নাম খোকন চন্দ্র। তিনি শিবগঞ্জের মোকামতলা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে কর্মরত আছেন। অভিযোগকারী রাকিবুল হাসান শিবগঞ্জের মেঘাখর্দ্দ গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে ও সরকারি আজিজুল হক কলেজের শিক্ষার্থী।
অভিযোগপত্রে রাকিবুল হাসান বলেন, ‘আমি গত ২৪ জুন আদালতে একটা মামলা করি। মামলাটি তদন্ত করার জন্য আদালত শিবগঞ্জ থানাকে দায়িত্ব দেন। পরে থানা মামলাটি মোকামতলা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সাব ইন্সপেক্টর খোকনকে দায়িত্ব দেয়। সাব ইন্সপেক্টর খোকন আসামিপক্ষের থেকে মোটা অঙ্কের টাকা গ্রহণ করে মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছেন। ওই প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেছেন, আসামিপক্ষের সঙ্গে আমার বাবার মারামারি হওয়ায় শেখ সাদী নামের ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন। কিন্তু তথ্যটি সত্য নয়। শেখ সাদী বর্তমানে সুস্থভাবে বেঁচে আছেন। তাঁর মিথ্যা প্রতিবেদনের কারণে আমরা সঠিক বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।’
জানতে চাইলে এসআই খোকন চন্দ্র অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রতিবেদনে মামলার নম্বরটা সঠিক দেওয়া আছে। কিন্তু শেখ সাদীর ভাই সালাউদ্দিন পটল নিহতের জায়গায় ভুলক্রমে শেখ সাদী হয়ে গেছে। এ বিষয়ে বগুড়া পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে দোষী প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বগুড়ার শিবগঞ্জে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখিয়ে আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক এসআইয়ের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই এসআইয়ের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন রাকিবুল হাসান নামের এক কলেজছাত্র।
অভিযুক্ত এসআইয়ের নাম খোকন চন্দ্র। তিনি শিবগঞ্জের মোকামতলা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে কর্মরত আছেন। অভিযোগকারী রাকিবুল হাসান শিবগঞ্জের মেঘাখর্দ্দ গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে ও সরকারি আজিজুল হক কলেজের শিক্ষার্থী।
অভিযোগপত্রে রাকিবুল হাসান বলেন, ‘আমি গত ২৪ জুন আদালতে একটা মামলা করি। মামলাটি তদন্ত করার জন্য আদালত শিবগঞ্জ থানাকে দায়িত্ব দেন। পরে থানা মামলাটি মোকামতলা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সাব ইন্সপেক্টর খোকনকে দায়িত্ব দেয়। সাব ইন্সপেক্টর খোকন আসামিপক্ষের থেকে মোটা অঙ্কের টাকা গ্রহণ করে মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছেন। ওই প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেছেন, আসামিপক্ষের সঙ্গে আমার বাবার মারামারি হওয়ায় শেখ সাদী নামের ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন। কিন্তু তথ্যটি সত্য নয়। শেখ সাদী বর্তমানে সুস্থভাবে বেঁচে আছেন। তাঁর মিথ্যা প্রতিবেদনের কারণে আমরা সঠিক বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।’
জানতে চাইলে এসআই খোকন চন্দ্র অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রতিবেদনে মামলার নম্বরটা সঠিক দেওয়া আছে। কিন্তু শেখ সাদীর ভাই সালাউদ্দিন পটল নিহতের জায়গায় ভুলক্রমে শেখ সাদী হয়ে গেছে। এ বিষয়ে বগুড়া পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে দোষী প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
২৯ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৪১ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে