বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ার গাবতলীতে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক এনজিওর পরিচালকসহ চার কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাতে গ্রেপ্তারের পর আজ মঙ্গলবার দুপুরে তাঁদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার গাবতলি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—গাবতলী উপজেলার স্থানীয় এনজিও সমাজ উন্নয়ন কর্ম (সার্ক) এর পরিচালক আশরাফুল ইসলাম, উপপরিচালক ছামছুল আলম, ব্যবস্থাপক আইয়ুব আলী লিটন এবং হিসাব রক্ষক রাসেল মিয়া।
ওসি জানান, সমাজ উন্নয়ন কর্ম নামের এনজিওটির পরিচালকসহ অন্য কর্মকর্তারা সদস্য সংগ্রহ করে তাঁদেরকে অধিক মুনাফা দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে তাঁদের টাকা এনজিওতে জমা করতে থাকেন। এভাবে তাঁরা শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে দুই কোটির বেশি টাকা সংগ্রহ করেন। এরপর গ্রাহকদের লভ্যাংশ দেওয়া বন্ধ করে দেয়। গ্রাহকেরা তাঁদের মূলধনের টাকা ফেরত চাইলে বিভিন্নভাবে টালবাহানা শুরু করে। একপর্যায়ে তারা এনজিওর অফিসে তালা দিয়ে আত্মগোপন করেন।
প্রতারিত গ্রাহকদের মধ্যে সোলার তাইর গ্রামের আসাদুল ইসলাম গতকাল সোমবার গাবতলী থানায় মামলা করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, তিনি তাঁর মামা আনোয়ার হোসেন, মা আছিয়া বেগম এনজিও কর্মকর্তাদের প্রলোভনে পড়ে ১৪ লাখ টাকা জমা করেন। কিন্তু দীর্ঘদিনেও লভ্যাংশ দেন না, এমনকি জমাকৃত মূল টাকা ফেরত চাইলে টালবাহানা শুরু করে। এ কারণে ওই এনজিও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হলে গতকাল সোমবার রাতেই অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বগুড়ার গাবতলীতে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক এনজিওর পরিচালকসহ চার কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাতে গ্রেপ্তারের পর আজ মঙ্গলবার দুপুরে তাঁদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার গাবতলি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—গাবতলী উপজেলার স্থানীয় এনজিও সমাজ উন্নয়ন কর্ম (সার্ক) এর পরিচালক আশরাফুল ইসলাম, উপপরিচালক ছামছুল আলম, ব্যবস্থাপক আইয়ুব আলী লিটন এবং হিসাব রক্ষক রাসেল মিয়া।
ওসি জানান, সমাজ উন্নয়ন কর্ম নামের এনজিওটির পরিচালকসহ অন্য কর্মকর্তারা সদস্য সংগ্রহ করে তাঁদেরকে অধিক মুনাফা দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে তাঁদের টাকা এনজিওতে জমা করতে থাকেন। এভাবে তাঁরা শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে দুই কোটির বেশি টাকা সংগ্রহ করেন। এরপর গ্রাহকদের লভ্যাংশ দেওয়া বন্ধ করে দেয়। গ্রাহকেরা তাঁদের মূলধনের টাকা ফেরত চাইলে বিভিন্নভাবে টালবাহানা শুরু করে। একপর্যায়ে তারা এনজিওর অফিসে তালা দিয়ে আত্মগোপন করেন।
প্রতারিত গ্রাহকদের মধ্যে সোলার তাইর গ্রামের আসাদুল ইসলাম গতকাল সোমবার গাবতলী থানায় মামলা করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, তিনি তাঁর মামা আনোয়ার হোসেন, মা আছিয়া বেগম এনজিও কর্মকর্তাদের প্রলোভনে পড়ে ১৪ লাখ টাকা জমা করেন। কিন্তু দীর্ঘদিনেও লভ্যাংশ দেন না, এমনকি জমাকৃত মূল টাকা ফেরত চাইলে টালবাহানা শুরু করে। এ কারণে ওই এনজিও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হলে গতকাল সোমবার রাতেই অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে