গণেশ দাস, বগুড়া

পুণ্ড্রনগর খ্যাত বগুড়ার মহাস্থানগড়ের মথুরা গ্রামে পদ্মার ভিটার আশপাশের ঢিবিগুলোর মাটি কাটা বন্ধ হয়েছে। তবে এখনো পাওয়া যায়নি উঁচু ঢিবি কাটার সময় মাটির নিচ থেকে বের হওয়া প্রাচীন আমলের মূর্তিটির মুখমণ্ডলের অংশটি। এটি এরই মধ্যে ১৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়ে গেছে। মহাস্থান জাদুঘরের সংরক্ষক রাজিয়া সুলতানা বলছেন, ‘মূর্তির ওই অংশ কোথায় বিক্রি করেছে সেই তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে সেখান থেকেই উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে।’
ওই গ্রামের প্রাচীন নিদর্শন পদ্মার ভিটার আশপাশের ঢিবিগুলোর মাটি কেটে বিক্রি করা নিয়ে গত শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) আজকের পত্রিকায় ‘পুণ্ড্রনগরের মাটি বেচে দিচ্ছে যুবলীগ-যুবদল’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর গত শনিবার থেকে মাটি কাটা বন্ধ করে দেয় স্থানীয় প্রশাসন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেশ কিছু দিন ধরে মথুরা গ্রামে ঐতিহাসিক পদ্মার ভিটাসংলগ্ন উঁচু ঢিবির মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছিল। মাটি কাটতে গিয়ে ছয়টি পাতকুয়ার সন্ধান মেলে। সেখান থেকে অনেক পুরাকীর্তির ভগ্নাংশ, নানা রঙের পাথর ও মালা পাওয়া যায়। এর মধ্যে একটি মূর্তির মাথা ছিল। সেখানে যে যা পাচ্ছে নিয়ে যাচ্ছে। সেই সব পুরাকীর্তির মধ্যে কিছু নিদর্শন লক্ষাধিক টাকায় বিক্রি করেছেন স্থানীয় আরিফ। তিনি মূর্তির মাথাটি ১৪ হাজার টাকায় বিক্রির কথা স্বীকার করেছেন।
এ ছাড়া একটি পোড়া মাটির শঙ্খের ভগ্নাংশ, বিভিন্ন রঙের পাথর ও পাথরের মালা পেয়েছেন আরিফ। খবরটি জানতে পেরে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কর্মীরা গত শনিবার থেকে মথুরা গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে খোঁজ নেন, কিন্তু মাথাটি এখনো উদ্ধার হয়নি।
জানতে চাইলে আরিফ বলেন, ‘পোড়ামাটির মূর্তির মাথাটি ১৪ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। সেখান থেকে পাওয়া একটি পুঁতি বিক্রি করেছি ৪০ হাজার টাকায়। এখনো যেসব পুঁতি রয়েছে, সেগুলো কয়েক লাখ টাকায় বিক্রি করা যাবে।’
ওই মূর্তির মাথার ছবি দেখে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাবেক সহকারী পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘মূর্তির মুকুটের ওপর যক্ষ বা কুবেরের প্রতিকৃতি রয়েছে। পোড়ামাটির তৈরি বলে মনে হচ্ছে। মূর্তিটি পাল অথবা সেন আমলের হবে।’
এ নিয়ে জানতে চাইলে বগুড়া সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাছিম রেজা বলেন, ‘মহাস্থানের মথুরা গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাটি কাটা বন্ধ করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে মাটি কাটার কাজে নিয়োজিত দুটি ট্রাকও।’
এদিকে গত ৪ জানুয়ারি বিকেলে মহাস্থানগড় এলাকার অদূরে দিঘলকান্দী গ্রামের করতোয়া নদীর তীরে বস্তায় মোড়ানো পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বিষ্ণুমূর্তি পাওয়া যায়। এক মিটার লম্বা ও ৪৫ সেন্টিমিটার চওড়া ওই মূর্তি উদ্ধার করে স্থানীরা পুলিশের জিম্মায় দেয়। পরে সেটি মহাস্থান জাদুঘরের জিম্মায় দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, উদ্ধার করা মূর্তির মাথাটিও মথুরা গ্রামে ঢিবি কাটতে গিয়ে মাটির নিচে পাওয়া গেছে। পাচার করার জন্যই মূর্তিটি নদীর পাড়ে বস্তায় মুড়িয়ে ফেলে রাখা হয়েছিল।

পুণ্ড্রনগর খ্যাত বগুড়ার মহাস্থানগড়ের মথুরা গ্রামে পদ্মার ভিটার আশপাশের ঢিবিগুলোর মাটি কাটা বন্ধ হয়েছে। তবে এখনো পাওয়া যায়নি উঁচু ঢিবি কাটার সময় মাটির নিচ থেকে বের হওয়া প্রাচীন আমলের মূর্তিটির মুখমণ্ডলের অংশটি। এটি এরই মধ্যে ১৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়ে গেছে। মহাস্থান জাদুঘরের সংরক্ষক রাজিয়া সুলতানা বলছেন, ‘মূর্তির ওই অংশ কোথায় বিক্রি করেছে সেই তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে সেখান থেকেই উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে।’
ওই গ্রামের প্রাচীন নিদর্শন পদ্মার ভিটার আশপাশের ঢিবিগুলোর মাটি কেটে বিক্রি করা নিয়ে গত শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) আজকের পত্রিকায় ‘পুণ্ড্রনগরের মাটি বেচে দিচ্ছে যুবলীগ-যুবদল’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর গত শনিবার থেকে মাটি কাটা বন্ধ করে দেয় স্থানীয় প্রশাসন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেশ কিছু দিন ধরে মথুরা গ্রামে ঐতিহাসিক পদ্মার ভিটাসংলগ্ন উঁচু ঢিবির মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছিল। মাটি কাটতে গিয়ে ছয়টি পাতকুয়ার সন্ধান মেলে। সেখান থেকে অনেক পুরাকীর্তির ভগ্নাংশ, নানা রঙের পাথর ও মালা পাওয়া যায়। এর মধ্যে একটি মূর্তির মাথা ছিল। সেখানে যে যা পাচ্ছে নিয়ে যাচ্ছে। সেই সব পুরাকীর্তির মধ্যে কিছু নিদর্শন লক্ষাধিক টাকায় বিক্রি করেছেন স্থানীয় আরিফ। তিনি মূর্তির মাথাটি ১৪ হাজার টাকায় বিক্রির কথা স্বীকার করেছেন।
এ ছাড়া একটি পোড়া মাটির শঙ্খের ভগ্নাংশ, বিভিন্ন রঙের পাথর ও পাথরের মালা পেয়েছেন আরিফ। খবরটি জানতে পেরে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কর্মীরা গত শনিবার থেকে মথুরা গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে খোঁজ নেন, কিন্তু মাথাটি এখনো উদ্ধার হয়নি।
জানতে চাইলে আরিফ বলেন, ‘পোড়ামাটির মূর্তির মাথাটি ১৪ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। সেখান থেকে পাওয়া একটি পুঁতি বিক্রি করেছি ৪০ হাজার টাকায়। এখনো যেসব পুঁতি রয়েছে, সেগুলো কয়েক লাখ টাকায় বিক্রি করা যাবে।’
ওই মূর্তির মাথার ছবি দেখে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাবেক সহকারী পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘মূর্তির মুকুটের ওপর যক্ষ বা কুবেরের প্রতিকৃতি রয়েছে। পোড়ামাটির তৈরি বলে মনে হচ্ছে। মূর্তিটি পাল অথবা সেন আমলের হবে।’
এ নিয়ে জানতে চাইলে বগুড়া সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাছিম রেজা বলেন, ‘মহাস্থানের মথুরা গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাটি কাটা বন্ধ করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে মাটি কাটার কাজে নিয়োজিত দুটি ট্রাকও।’
এদিকে গত ৪ জানুয়ারি বিকেলে মহাস্থানগড় এলাকার অদূরে দিঘলকান্দী গ্রামের করতোয়া নদীর তীরে বস্তায় মোড়ানো পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বিষ্ণুমূর্তি পাওয়া যায়। এক মিটার লম্বা ও ৪৫ সেন্টিমিটার চওড়া ওই মূর্তি উদ্ধার করে স্থানীরা পুলিশের জিম্মায় দেয়। পরে সেটি মহাস্থান জাদুঘরের জিম্মায় দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, উদ্ধার করা মূর্তির মাথাটিও মথুরা গ্রামে ঢিবি কাটতে গিয়ে মাটির নিচে পাওয়া গেছে। পাচার করার জন্যই মূর্তিটি নদীর পাড়ে বস্তায় মুড়িয়ে ফেলে রাখা হয়েছিল।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে