শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আশেকপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. জোবায়ের হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে নিজেকে দল থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি দলের বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।
রোববার (১৩ জুলাই) জোবায়ের নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে বলেন, ‘রাজনৈতিক দল বিএনপির চাঁদাবাজি, দখলবাজি, গুম, খুন, হত্যা ইত্যাদি কর্মকাণ্ড চলমান থাকায় আমি আমার পদ থেকে সরে দাঁড়ালাম এবং রাজনৈতিক সব কার্যক্রম থেকে নিজেকে অব্যাহতি দিলাম।’
ফেসবুক পোস্টে জোবায়ের হোসেন লেখেন,
‘আসসালামু আলাইকুম,
সবার অবগতির জন্য জানানো হচ্ছে যে, আমি মো. জোবায়ের হোসেন, শাজাহানপুর থানার ১ নম্বর আশেকপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্যসচিব। রাজনৈতিক দল বিএনপির চাঁদাবাজি, দখলবাজি, গুম, খুন, হত্যা ইত্যাদি চলমান থাকার কারণে আমি আমার পদ থেকে সরে দাঁড়ালাম এবং রাজনৈতিক সব কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে অব্যাহতি দিলাম।
‘যে দল মানুষ খুন করতে দ্বিধাবোধ করে না, সে দলে থাকার কোনো অধিকার কোনো ব্যক্তির নেই বলে আমি মনে করি। চলমান রাজনৈতিক দল বিএনপির সব কর্মকাণ্ড থেকে আমি নিজেকে আজ থেকে সরিয়ে নিলাম।
সকলকে ধন্যবাদ।’
তবে শাজাহানপুর থানা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ ছোটন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জোবায়ের কোনো দিনও ছাত্রদলের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করত না। একদিন উপস্থিত হয়ে স্থানীয় বিএনপির একটি অংশের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের সমর্থনে আশেকপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্যসচিব মনোনীত হয়। পদ পাওয়ার পরেও তাকে আমি কোনো দিন ছাত্রদলের কোনো কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে দেখিনি। পদে আসীন হওয়ার পরে শুনেছি সে শিবিরের কর্মী ছিল। পদে থাকলেও সে দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেনি।’
ছোটন আরও বলেন, ‘আশেকপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সর্বশেষ কমিটিতে তাকে কোনো পদে রাখিনি। সে আমাদের কর্মী বা নেতা নয়, তাই তার পদত্যাগ করার কোনো সুযোগ নেই। পদ থাকলেই কেবল পদত্যাগের প্রশ্ন আসে।’

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আশেকপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. জোবায়ের হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে নিজেকে দল থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি দলের বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।
রোববার (১৩ জুলাই) জোবায়ের নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে বলেন, ‘রাজনৈতিক দল বিএনপির চাঁদাবাজি, দখলবাজি, গুম, খুন, হত্যা ইত্যাদি কর্মকাণ্ড চলমান থাকায় আমি আমার পদ থেকে সরে দাঁড়ালাম এবং রাজনৈতিক সব কার্যক্রম থেকে নিজেকে অব্যাহতি দিলাম।’
ফেসবুক পোস্টে জোবায়ের হোসেন লেখেন,
‘আসসালামু আলাইকুম,
সবার অবগতির জন্য জানানো হচ্ছে যে, আমি মো. জোবায়ের হোসেন, শাজাহানপুর থানার ১ নম্বর আশেকপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্যসচিব। রাজনৈতিক দল বিএনপির চাঁদাবাজি, দখলবাজি, গুম, খুন, হত্যা ইত্যাদি চলমান থাকার কারণে আমি আমার পদ থেকে সরে দাঁড়ালাম এবং রাজনৈতিক সব কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে অব্যাহতি দিলাম।
‘যে দল মানুষ খুন করতে দ্বিধাবোধ করে না, সে দলে থাকার কোনো অধিকার কোনো ব্যক্তির নেই বলে আমি মনে করি। চলমান রাজনৈতিক দল বিএনপির সব কর্মকাণ্ড থেকে আমি নিজেকে আজ থেকে সরিয়ে নিলাম।
সকলকে ধন্যবাদ।’
তবে শাজাহানপুর থানা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ ছোটন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জোবায়ের কোনো দিনও ছাত্রদলের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করত না। একদিন উপস্থিত হয়ে স্থানীয় বিএনপির একটি অংশের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের সমর্থনে আশেকপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্যসচিব মনোনীত হয়। পদ পাওয়ার পরেও তাকে আমি কোনো দিন ছাত্রদলের কোনো কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে দেখিনি। পদে আসীন হওয়ার পরে শুনেছি সে শিবিরের কর্মী ছিল। পদে থাকলেও সে দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেনি।’
ছোটন আরও বলেন, ‘আশেকপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সর্বশেষ কমিটিতে তাকে কোনো পদে রাখিনি। সে আমাদের কর্মী বা নেতা নয়, তাই তার পদত্যাগ করার কোনো সুযোগ নেই। পদ থাকলেই কেবল পদত্যাগের প্রশ্ন আসে।’

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৫ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
২৮ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৪০ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে